দুর্গাপুজোর বাকি দিনগুলির মধ্যে অষ্টমী তিথি সবথেকে বেশি, গুরুত্বপূর্ণ কারণ এই দিনেই হয় সন্ধিপুজো। এই বছর দুর্গাপুজোয় সন্ধিপুজোর তিথি ছিল বেশ সকাল সকাল তাই প্রত্যেকেই সকালবেলা স্নান করে মা দুর্গার কাছে অঞ্জলি দিয়ে সন্ধিপুজো দেখার মাধ্যমে শুরু করেছেন মহা অষ্টমীর দিন।
দুর্গাপুজোর বাকি দিনগুলির মধ্যে অষ্টমী তিথি সবথেকে বেশি, গুরুত্বপূর্ণ কারণ এই দিনেই হয় সন্ধিপুজো। এই বছর দুর্গাপুজোয় সন্ধিপুজোর তিথি ছিল বেশ সকাল সকাল তাই প্রত্যেকেই সকালবেলা স্নান করে মা দুর্গার কাছে অঞ্জলি দিয়ে সন্ধিপুজো দেখার মাধ্যমে শুরু করেছেন মহা অষ্টমীর দিন।
অষ্টমীতে গোলাপি চুড়িদারে সাজলেন মিমি
মহা অষ্টমী তিথিতে মিমিকে দেখা গেল একেবারে অন্যরকম সাজে। একটি গোলাপি রঙের চুড়িদার পরে একা হাতে সবকিছু সামলাতে দেখা গেল অভিনেত্রীকে। আবাসনের দুর্গাপুজোয় পদ্মফুল ফোটানো থেকে শুরু করে ১০৮টি প্রদীপ জ্বালানো, প্রত্যেকের হাতে প্রসাদ তুলে দেওয়া, সবকিছুই করতে দেখা গেল অভিনেত্রীকে।
এই দিন বাবাকে পাশে নিয়ে দেবী দুর্গার কাছে আশীর্বাদ নিতে দেখা গেল মিমিকে। সকলে যাতে সুন্দরভাবে অঞ্জলি দিতে পারেন তার জন্য দায়িত্ব সহকারে প্রত্যেকের হাতে ফুল দিতেও দেখা গেল তাঁকে। সবমিলিয়ে তারকা খচিত কোনও ব্যাপার দেখতে পাওয়া গেল না অভিনেত্রীর মধ্যে, বরং তিনি আবাসনের পুজোয় ঠিক যেন সকলের ঘরের মেয়ে হয়ে উঠেছেন।
মহা অষ্টমীর সকালের ছবি পোস্ট করে মিমি লেখেন, ‘সকলকে জানাই অষ্টমীর অনেক শুভেচ্ছা। মা সকলকে বিপদের হাত থেকে রক্ষা করুন এটাই প্রার্থনা করি।’ মিমির পোস্টেও যেন বারবার উঠে আসে চোর বাগান দুর্ঘটনার কথা। তবে শুধু মিমি কেন, মহা সপ্তমীর রাতে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনার পর যেন সকলেই ভীত।
প্রসঙ্গত, এই বছর দুর্গাপুজো আরো একটি কারণে অনেক বেশি স্পেশাল মিমির কাছে কারণ এই বছর মুক্তি পেয়েছে সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত ‘এম্পারার ভার্সেস শরৎচন্দ্র’, যেখানে আবার আবিরের বিপরীতে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে অভিনেত্রীকে। এই ছবিতে আবির এবং মিমি দুজনেই তরুণ বিপ্লবীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন।