'আমায় একা হাতে সবটা সামলাতে... ', কেন রাজনীতি ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন মিমি?
টলিউডের বহু অভিনেতা অভিনেত্রী এমন রয়েছেন যারা বিভিন্ন দলের রাজনীতিতে যোগদান করেছেন বা করেন। এমনই একজন অভিনেত্রী হলেন মিমি চক্রবর্তী, যিনি ২০১৯ সালে যোগ দিয়েছিলেন রাজনীতিতে।
টলিউডের বহু অভিনেতা অভিনেত্রী এমন রয়েছেন যারা বিভিন্ন দলের রাজনীতিতে যোগদান করেছেন বা করেন। এমনই একজন অভিনেত্রী হলেন মিমি চক্রবর্তী, যিনি ২০১৯ সালে যোগ দিয়েছিলেন রাজনীতিতে। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে যাদবপুর লোকসভা নির্বাচনী এলাকা থেকে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং জয়লাভ করেন। কিন্তু ২০২৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি রাজনীতি থেকে পদত্যাগ করেন তিনি।

রাজনীতিতে এত সফলতা থাকা সত্ত্বেও কেন হঠাৎ রাজনীতি ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন অভিনেত্রী? অভিনেত্রীর রাজনীতি থেকে সরে আসার পেছনে ছিল কোন কারণ? সম্প্রতি নিউজ এইট্টিন বাংলা সাক্ষাৎকারে সেই অজানা রহস্য ফাঁস করলেন মিমি।
আরও পড়ুন: নয়া পালক জুড়ল দেবের মুকুটে, অভিনেতার নামে চালু হল ডাক টিকিট
মিমি বলেন, ‘রাজনীতি থেকে সরে এসে সত্যি এখন অনেকটা রিলিফ লাগে। রাজনীতি মানেই অনেকটা সময় দেওয়া। কিন্তু ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করার পর এতটা সময় থাকে না যে রাজনীতিতে সময় দিতে পারব। আমাকে আমার বাড়িটাও দেখতে হয়, আমার বাবা মাকেও দেখতে হয়।’
মিমি আরও বলেন, ‘অনেকেই হয়তো ভাবেন যে আমি কিছুই করি না অনেকে আছেন কাজ করে দেওয়ার জন্য কিন্তু ব্যাপারটা একদমই তা নয়। আমাকে আমার নিজের কাজ নিজেকেই করতে হয় এমনকি আমার বাবা যখন আমার কাছে এসে থাকেন তখন তাদের ওষুধ থেকে চিকিৎসা সবকিছুই নজর রাখতে হয় আমাকে।’
আরও পড়ুন: গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে অহনা, নতুন গাড়ির অবস্থা বেহাল, কেমন আছেন অভিনেত্রী?
সবশেষে মিমি বলেন, রাজনীতি মানেই আপনাকে সশরীরে অনেক জায়গায় থাকতে হয়। সেখানে অনেকটা সময় চলে যায়। এখন যেমন আমি আমার অভিনয় এবং আনুষঙ্গিক সবকিছুতে অনেক বেশি ফোকাস করতে পারছি। এখন আমার কাছে অনেকটা সময় রয়েছে। জীবনে সময় অনেক কম আর জীবন একটাই তাই তুমি কি করতে চাও সেটা তোমাকে নিজেকেই বেছে নিতে হবে।
প্রসঙ্গত, আগামী ২৩ জানুয়ারি বড় পর্দায় মুক্তি পেতে চলেছে ‘ভানুপ্রিয়া ভূতের হোটেল’। উইন্ডোজ প্রযোজিত প্রথম এই হরর কমেডি সিনেমায় থাকবেন। এক ঝাঁক তারকা। অরিত্র মুখোপাধ্যায় পরিচালিত এই ছবিটি নিয়ে ভীষণ আশাবাদী দর্শক মহল।
E-Paper











