আপাতত অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর বিয়ে নিয়ে টলিউডের অন্দরে জল্পনা তুঙ্গে। যদিও নায়িকার আপ্ত সহায়ক একেবারেই ব্যাপারটা নিয়ে কথা বলতে রাজি হননি। কিন্তু খবর রয়েছে যে, প্রস্তুতি তুঙ্গে। নভেম্বরে আইনি বিয়ে হবে। আর ডিসেম্বরে কালিম্পংয়ে ডেস্টিনেশন ওয়েডিং।

নিজের ব্যক্তিগত জীবনকে একেবারে লাইমলাইট থেকে দূরে রেখেছিলেন মিমি। তিনি যে প্রেম করছেন তেমন ইঙ্গিত বহু তারকার থেকে মিললেও, সেই মানুষটার পরিচয় জানা যায়নি। আপাতত খবর, মিমির হবু বর নৌসেনায় কাজ করেন। নাম সিদ্ধার্থ। আপাতত এইটুকু খবরই।
আসলে সোশ্যাল মিডিয়াতেই কিন্তু এতদিন লুকিয়েছিলেন সিদ্ধার্থ। ২০২৫ সালের পুজোর সময় টলিপাড়ার বন্ধুদের সঙ্গে তাঁর তোলা একটি ফোটাতে উঁকি মারছিলেন তিনি।
এতদিন বিয়ে নিয়ে প্রশ্নে এড়িয়েই যেতেন অভিনেত্রী। বলতেন কাজ আর পোষ্যদের নিয়ে দিব্যি আছেন। ফাঁকা সময়ে কখনো রান্না করতেন, কখনো আবার গাছ লাগাতেন। তবে এসবের মাঝেই মিমির হৃদয়ে এসে কড়া নেড়েছিলেন সিদ্ধার্থ।
একসময় রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে তাঁর প্রেম ছিল ইন্ডাস্ট্রির ওপেন সিক্রেট। ২০১২ সালে রাজ চক্রবর্তীর পরিচালনায় আইকনিক ছবি 'বোঝেনা সে বোঝেনা'-র শুটিং চলাকালীন রাজ ও মিমির প্রেমের সম্পর্কের সূত্রপাত ঘটে। এরপর রাজের পরিচালনায় 'যোদ্ধা' ও 'কাটমুণ্ডু'র মতো সিনেমাতেও কাজ করেন মিমি। তবে তাঁদের সম্পর্ক ভেঙে যায় ২০১৫ সাল নাগাদ। ২০১৮ সালে শুভশ্রীকে বিয়েও করে নেন রাজ। এরপর কেটে গিয়েছে অনেকটা সময়। পুরনো তিক্ততা ভুলেছেন দুই পক্ষই। এমনকী, রাজ-শুভশ্রীর সন্তান হওয়ার পর শুভেচ্ছাবার্তা ও উপহারও পাঠিয়েছিলেন ‘মাসি’ মিমি।
জলপাইগুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন মিমি। ছোটবেলা থেকে বড় হয়েছেন সেখানেই। ছোট পর্দা থেকে শুরু করে বড় পর্দা এবং পরবর্তীতে রাজনীতি—সবখানেই তিনি নিজের সফল পদচিহ্ন রেখেছেন। ছোটবেলা থেকেই চোখে ছিল অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্ন। উচ্চশিক্ষার জন্য কলকাতায় আসেন, তারপর মডেলিংয়ের শুরু। ঋতুপর্ণ ঘোষের গানের ওপারে দিয়ে ঘরে ঘরে দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন পুপু চরিত্রে। তাঁর বড় পর্দায় প্রথম কাজ ছিল বাপি বাড়ি যা। এরপর 'প্রলয়', 'খাদ', 'যোদ্ধা', 'গল্প হলেও সত্যি', 'পোস্ত', ‘রক্তবীজ’ এবং 'ড্রাকুলা স্যার'-এর মতো একাধিক হিট তাঁর ঝুলিতে।
{{/usCountry}}জলপাইগুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন মিমি। ছোটবেলা থেকে বড় হয়েছেন সেখানেই। ছোট পর্দা থেকে শুরু করে বড় পর্দা এবং পরবর্তীতে রাজনীতি—সবখানেই তিনি নিজের সফল পদচিহ্ন রেখেছেন। ছোটবেলা থেকেই চোখে ছিল অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্ন। উচ্চশিক্ষার জন্য কলকাতায় আসেন, তারপর মডেলিংয়ের শুরু। ঋতুপর্ণ ঘোষের গানের ওপারে দিয়ে ঘরে ঘরে দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন পুপু চরিত্রে। তাঁর বড় পর্দায় প্রথম কাজ ছিল বাপি বাড়ি যা। এরপর 'প্রলয়', 'খাদ', 'যোদ্ধা', 'গল্প হলেও সত্যি', 'পোস্ত', ‘রক্তবীজ’ এবং 'ড্রাকুলা স্যার'-এর মতো একাধিক হিট তাঁর ঝুলিতে।
{{/usCountry}}এরপর সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ‘এম্পারার ভার্সেস শরৎচন্দ্র’ ছবিতে দেখা যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁকে। তবে মিমি-ভক্তরা অপেক্ষায় নায়িকার প্রেম জীবনের গল্প শোনার। কনের সাজে কেমন লাগে দেখতে পছন্দের অভিনেত্রীকে, সেটার জন্য করতে হবে আরও মাসচারেক অপেক্ষা।