তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কের একটা বড় কারণ নিঃসন্দেহে রাজ্য সরকারের নানা আর্থক যোজনা। তা সে 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার', 'স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড', 'স্বাস্থ্য সাথী', 'কন্যাশ্রী', যাই হোক না কেন! তবে বরাবরই লক্ষ্মীর ভান্ডার থাকে একটু বেশিই আলোচনায়। যার কারণ গৃহবধূদের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন দিদি! হাতে টাকা না থাকার দুঃখ ভোলায় তাই, বাড়ির মহিলারাও ভোট দিচ্ছেন ঘাসফুলে। তবে রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকেই অভিযোগ আসে যে, অন্য দলের সমর্থক হলে, এমনকী, বাড়ির লোক অন্য কোন দলকে ভোট দেয় এমনটা এলাকায় জানাজানি থাকলেও নাকি, সেই বাড়িতে লক্ষ্মী ভান্ডার হয়নি! এমনকী, লক্ষ্মীর ভান্ডার কোথাও কোথাও আবার মাঝপথেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি কোচবিহারের এক জনসভায় হাজির হয়েছিলেন মিঠুন। সেখানে মঞ্চে দাঁড়িয়ে অভিনেতা-বিজেপি নেতাকে স্পষ্ট ভাষায় বলতে শোনা গেল, ‘এটা আপনাদের ট্যাক্সের টাকা’! মিঠুন বলেন, ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার খারাপ নয়, যারা পাচ্ছেন তাঁরা নিশ্চয়ই নেবেন। কারণ এটা আপনাদের টাকা, আপনাদের ট্যাক্সের টাকা। আপনাকে নিতেই হবে সেই টাকা’।
আর এই ভিডিয়োতে একাধিক মানুষ ট্রোল করল মিঠুনকে। একজন লেখেন, ‘মিঠুন তো নিজের মুখে বলল লক্ষী ভান্ডার খারাপ না তাহলে তৃণমূল তো কোনো খারাপ করেনি। তৃণমূলই তো ভালো। তাহলে ছেড়ে বিজেপিতে কেন গেল!’ আরেকজন কমেন্ট করেন, ‘বিজেপি কী দিচ্ছে আমাদেরকে, শুধু বাঁশ দিচ্ছে’!
এখানেই শেষ নয়, মিঠুন সিউড়ির জনসভায় বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আপনাদের সবার জন্য পাঁচ লক্ষ টাকার আয়ুষ্মান ভারত করেছেন, কিন্তু এরা সেটা নিতে দিচ্ছে না। এমনকী যারা এক হাজার টাকার লক্ষ্মীর ভান্ডার করেছেন, তাঁরাও পাবেন পাঁচ লাখ টাকা। কিন্তু উনি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) সেটা হতে দিচ্ছেন না! কারণ তাতে তো প্রধানমন্ত্রীর নাম হবে।’ এমনকী তৃণমূলের ‘খেলা হবে’ সংলাপকেও বদলে দেন তিনি এদিনের সভায়। বলেন, এক টিম নিয়ে খেলা হয় না। এবার দু’জনেই খেলব। আর ঠিক সময়ে পেনাল্টিতে বল বসিয়ে টুক করে গোল করে দেব।’
এই প্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো, বারংবার নিজের রাজনৈতিক রং বদলেছেন মিঠুন চক্রবর্তী। তা সে লাল হোক বা সবুজ, আর এখন কমলা! মিঠুন চক্রবর্তী তাঁর প্রথম জীবনে নকশাল আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে রাজ্যসভার সাংসদ হয়েছিলেন। পরবর্তীতে তিনি বিজেপি-তে যোগ দেন এবং ২০২৩ সালের লোকসভা নির্বাচনে হুগলি কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
{{/usCountry}}এই প্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো, বারংবার নিজের রাজনৈতিক রং বদলেছেন মিঠুন চক্রবর্তী। তা সে লাল হোক বা সবুজ, আর এখন কমলা! মিঠুন চক্রবর্তী তাঁর প্রথম জীবনে নকশাল আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে রাজ্যসভার সাংসদ হয়েছিলেন। পরবর্তীতে তিনি বিজেপি-তে যোগ দেন এবং ২০২৩ সালের লোকসভা নির্বাচনে হুগলি কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
{{/usCountry}}ভোট যত এগোচ্ছে, ততই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের সুর চড়ছে রাজ্য রাজনীতিতে। আর তাতে সামিল বিনোদন জগতও। এখনও বেশ অনেকটা সময় বাকি। দেখার রাজনৈতিক ময়দানে সংঘাত আরও কতটা তীব্র হয়।