বাবা মনসুরের উপর এই কারণে বিরক্ত হতেন মা শর্মিলা! ‘কিছু নিয়েই তেমন…’, যা বললেন সইফ

বলিউড অভিনেতা সইফ আলি খান সম্প্রতি তাঁর মা শর্মিলা ঠাকুরের নিজের শহর কলকাতায় অনুষ্ঠিত ‘টাইগার পাতৌদি মেমোরিয়াল লেকচার ২০২৬’-এ অংশ নেন। অনুষ্ঠানে সইফ স্মরণ করেন, তাঁর বাবার আত্মবিশ্বাস ছিল ‘ভিন্ন ধরনের’ এবং তিনি নৈশভোজ ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে খুব কমই কথা বলতেন, যা দেখে শর্মিলা বেশ বিরক্ত হতেন।

Published on: May 21, 2026, 20:07:40 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বলিউড অভিনেতা সইফ আলি খান সম্প্রতি তাঁর মা শর্মিলা ঠাকুরের নিজের শহর কলকাতায় অনুষ্ঠিত ‘টাইগার পাতৌদি মেমোরিয়াল লেকচার ২০২৬’-এ অংশ নেন । তাঁর বাবা তথা কিংবদন্তি ক্রিকেটার মনসুর আলি খান পাতৌদিকে সম্মান জানাতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে সইফ স্মরণ করেন, তাঁর বাবার আত্মবিশ্বাস ছিল ‘ভিন্ন ধরনের’ এবং তিনি নৈশভোজ ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে খুব কমই কথা বলতেন, যা দেখে শর্মিলা বেশ বিরক্ত হতেন।

বাবা মনসুরের উপর এই কারণে বিরক্ত হতেন মা শর্মিলা! ‘কিছু নিয়েই তেমন…’, যা বললেন সইফ
বাবা মনসুরের উপর এই কারণে বিরক্ত হতেন মা শর্মিলা! ‘কিছু নিয়েই তেমন…’, যা বললেন সইফ

আরও পড়ুন: সৌরভের বায়োপিকে থাকবেন শাশ্বতও? কোন বিশেষ ভূমিকায় দেখা মিলবে অভিনেতার?

সইফ টাইগার পাতৌদিকে তাঁর ‘নায়ক’ বলেন। জানান যে তিনি তাঁর সম্পর্কে সারারাত কথা বলতে পারেন। বাবার সঙ্গে কাটানো স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ‘আমি ওঁকে শ্রদ্ধার সঙ্গে আব্বা বলে চিনতাম, তিনি ছিলেন স্বল্পভাষী একজন মানুষ। তিনি কখনও গলা চড়াতেন না এবং সবসময় আমাদের পাশে থাকতেন। খুব অল্প বয়সেই তিনি আমাদের মানুষকে সম্মান করতে শিখিয়েছিলেন।’

অভিনেতা এরপর বলেন, তাঁর বাবা বাড়িতে নিজের সাফল্য নিয়ে খুব কমই আলোচনা করতেন। সইফ বলেন, ‘বাড়িতে তিনি সাফল্য নিয়ে খুব কমই কথা বলতেন। তিনি কোনও কিছু নিয়েই তেমন কথা বলতেন না। ডিনার বা যেকোনও অনুষ্ঠানে আমার মা বিরক্ত হতেন, যখন তাঁর চেয়ে কম জানা লোকেরাও নিজেদের মতামত দিত। তিনি বলতেন, ‘আমাকে কেউ জিজ্ঞেস করেনি,’ কিন্তু তিনি কথা বলতেন না, কারণ তাঁকে কেউ জিজ্ঞেসই করেনি। এটা ছিল এক অন্য ধরনের আত্মবিশ্বাস।’

আরও পড়ুন: সলমনকে ঘিরে ধরে তাঁর কাছে ক্ষমা চাইলেন পাপারাজ্জিরা! কী ঘটেছিল জানেন?

সইফ আরও বলেন, ‘তিনি বিশ্বাসে বিশ্বাসী ছিলেন এবং ভারতীয় খেলোয়াড়দের মধ্যে আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তুলেছিলেন, যাদের আগে কখনও বলা হয়নি যে তারা বিশ্ব ক্রিকেটে আধিপত্য বিস্তার করতে পারে। এমন এক সময়ে যখন ভারতীয় দলগুলোর কাছে শুধু অংশগ্রহণেরই প্রত্যাশা করা হত, তখন তিনি জেতার জন্যই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ওপর জোর দিয়েছিলেন। আমার মনে হয়, মানসিকতার এই বিশাল পরিবর্তনটিই ছিল তাঁর অন্যতম সেরা অবদান।’

তিনি আরও জানান যে, তাঁর বাবা যদি বর্তমানে জীবিত থাকতেন, তাহলে এই বিপুল মনোযোগে তিনি সম্ভবত “সামান্য বিব্রত” হতেন, কিন্তু আলোচনাটি ক্রিকেট, ভাবনা এবং ভবিষ্যৎকে কেন্দ্র করেই সীমাবদ্ধ থাকায় “মনে মনে খুশিও” হতেন।