সলমনকে ঘিরে ধরে তাঁর কাছে ক্ষমা চাইলেন পাপারাজ্জিরা! কী ঘটেছিল জানেন?

পাপারাজ্জিরা সলমনের কাছে ক্ষমা চাইতে শুরু করে, তখন সলমন বলেন, ‘আরও জোরে বলুন’। এরপর পাপারাজ্জিরা সলমনকে ঘিরে ধরে তাঁর কাছে ক্ষমা চাইতে শুরু করেন।

Published on: May 21, 2026, 16:00:52 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বুধবার রাতে সলমন খান পাপারাজ্জিদের সঙ্গে কথা বলেন। ২০ মে, রিতেশ দেশমুখ তাঁর ছবি 'রাজা শিবাজি'-র সাফল্য উপলক্ষে একটি পার্টির আয়োজন করেন। তিনি সেই পার্টিতে সলমনকেও আমন্ত্রণ জানান। সলমন অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছনো মাত্রই রিতেশ তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে এগিয়ে যান এবং পাপারাজ্জিদের জন্য তাঁর সঙ্গে পোজ দিতে শুরু করেন। পাপারাজ্জিরা তখন সলমনের কাছে ক্ষমা চাইতে শুরু করে, তখন সলমন বলেন, ‘আরও জোরে বলুন’। এরপর পাপারাজ্জিরা সলমনকে ঘিরে ধরে তাঁর কাছে ক্ষমা চাইতে শুরু করেন।

সলমনকে ঘিরে ধরে তাঁর কাছে ক্ষমা চাইলেন পাপারাজ্জিরা! কী ঘটেছিল জানেন?
সলমনকে ঘিরে ধরে তাঁর কাছে ক্ষমা চাইলেন পাপারাজ্জিরা! কী ঘটেছিল জানেন?

সলমন পাপারাজ্জিদের ক্ষমা স্বীকার করেন এবং মঙ্গলবার কেন তিনি হিন্দুজা হাসপাতালে গিয়েছিলেন তা জানান। তাঁর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর দিকে ইঙ্গিত করে অভিনেতা বলেন, ‘তাঁর স্ত্রী খুব অসুস্থ ছিলেন…’ সলমন জানান যে, তিনি যখন হাসপাতালে যান তখন তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধুর স্ত্রী গুরুতর অবস্থায় ছিলেন এবং হাসপাতালের বাইরে তাঁরা গোলমাল করে ও ছবি তোলার জন্য অনুরোধ করায় তিনি ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন।

মঙ্গলবার রাতে সলমন যখন হিন্দুজা হাসপাতালে পৌঁছন, পাপারাজ্জিরা তাকে অনুসরণ করে এবং তাঁর ছবি তুলতে শুরু করে। এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সঙ্গে দেখা করে হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার পর পাপারাজ্জিরা উচ্চস্বরে তাঁর নাম ধরে চিৎকার করতে শুরু করেন। এতে সালমান ক্ষিপ্ত হন এবং সেখানেই তাঁদের ওপর চেঁচামেচি শুরু করেন।

এরপর সলমন সোশ্যাল মিডিয়ায় পাপারাজ্জিদের সতর্ক করে চারটি পোস্ট শেয়ার করেন। একটি পোস্টে সলমন লেখেন, ‘যদি দেখি হাসপাতালের বাইরে কোনও সংবাদমাধ্যম আমার কষ্ট দেখে মজা নিচ্ছে... সেই সংবাদমাধ্যম, যাদের পাশে আমি সবসময় দাঁড়িয়েছি, কথা বলেছি, তাদের খেয়াল রেখেছি এবং তাঁদের জীবিকা নির্বাহের সুযোগ করে দিয়েছি... কিন্তু যদি তাঁরা আমার কষ্ট থেকে টাকা কামাতে চায়... তাহলে চুপ থাকুন, মজা করবেন না। ’ভাই, ভাই, ভাই, মাতৃভূমি…', ছবিটা গুরুত্বপূর্ণ নাকি জীবন?'

তিনি আরও লেখেন, ‘এমন পরিস্থিতিতে আমি একশোটা পুড়িয়ে ফেলব। একটা ভাইয়ের জন্য, আরেকটা ভাইয়ের দুঃখের জন্য। পরেরবার আমার সঙ্গে চেষ্টা করে দেখুন। শুধু একবার চেষ্টা করে দেখুন.. আপনাদের কেউ হাসপাতালে গেলেই কি আমি এমন প্রতিক্রিয়া দেখাব? আমার বয়স ষাট বছর, কিন্তু আমি লড়াই করতে ভুলিনি। এটা মনে রাখবেন, আপনারা আমাকে জেলে পুরবেন? হা হা।’