...
...
Next Story

Moon Moon Sen: ‘ভোট দিতে দেয়নি…’, নিজেরা ভোট দিলেও কার জন্য় আফসোস মুনমুন-রাইমার?

৭৫ পেরিয়েও তিনি যে অনন্যা, আসমানি নীল শাড়িতে তাঁর মোহময়ী উপস্থিতি আরও একবার তা প্রমাণ করে দিল। সঙ্গে সুন্দরী কন্যা রাইমা সেন।

Published on: Apr 29, 2026, 18:29:54 IST
Advertisement

বাংলার ভোট উৎসবের শেষবেলা। দিনভর চাপা উত্তেজনা। আম জনতার পাশাপাশি ভোট দিলেন তারকারাও।

‘ভোট দিতে দেয়নি…’, নিজেরা ভোট দিলেও কার জন্য় আফসোস মুনমুন-রাইমার?
‘ভোট দিতে দেয়নি…’, নিজেরা ভোট দিলেও কার জন্য় আফসোস মুনমুন-রাইমার?

বালিগঞ্জের তপ্ত দুপুরে তখন রাজনীতির পারদ তুঙ্গে। বুথের বাইরে কড়া রোদে লম্বা লাইন। কিন্তু আচমকাই যেন সেই ভিড়ের ছন্দ বদলে গেল। কারণ, সেখানে উপস্থিত হয়েছেন চিরযৌবনা ফ্যাশন আইকন মুনমুন সেন। ৭৫ পেরিয়েও তিনি যে অনন্যা তাঁর মোহময়ী উপস্থিতি আরও একবার তা প্রমাণ করে দিল। সঙ্গে সুন্দরী কন্যা রাইমা সেন। মা-মেয়ের উপস্থিতিতে তখন টলিপাড়ার বর্তমান নায়িকারাও যেন কিছুটা ফিকে।

বালিগঞ্জের বুথে ভোট দিয়ে যখন রাইমাকে সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে আসছেন মুনমুন সেন, তখন সংবাদমাধ্যমের ভিড়। কাজলনয়না চোখের চাহনিতে আজও যেন মিশে আছেন মহানায়িকা সুচিত্রা সেন। কিন্তু বুথ থেকে বেরোতেই মুনমুনের মুখে শোনা গেল এক অদ্ভুত অভিযোগ— ‘ভোট দিতে দেয়নি!’ যা শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে গিয়েছিলেন উপস্থিত সকলেই। গণতান্ত্রিক দেশে খোদ মুনমুন সেনকে ভোট দিতে বাধা? কিন্তু তাঁর আঙুলে তো কালির ছাপ। তাহলে?

আদুরে রহস্যের উন্মোচন:

না, কোনো রাজনৈতিক অশান্তি নয়। গাড়ির কাঁচ নামিয়ে মুনমুন নিজেই ফাঁস করলেন আসল সত্যিটা। দেখা গেল, গাড়ির সিটে গুটিসুটি মেরে বসে রয়েছে তাঁর আদরের পোষ্য সারমেয়টি। মা-মেয়ে হেসেই খুন। মুনমুন মজা করে বললেন, এই চারপেয়ে বন্ধুটিকেই নাকি ভোট দিতে দেওয়া হয়নি! আদরের পোষ্যকে নিয়ে এমন রসিকতায় হেসে ফেললেন উপস্থিত পাপারাৎজিরাও। আসমানি নীল শাড়ি আর ফিরোজা রঙের গয়নায় সুচিত্রা-কন্যার সেই অমলিন হাসিই তখন বালিগঞ্জের বুথের সেরা ফ্রেম। বড় মেয়ে রাইমার দেখা মিলল সাদা-গোলাপি সালোয়ার কামিজে।

একটা সময় সক্রিয় রাজনীতিতে ছিলেন মুনমুন। তৃণমূলের একদা সাংসদ ২০১৯ সালের নির্বাচনে বিজেপির (এখন তৃণমূলের) বাবুল সুপ্রিয়র কাছে ভোটে হারেন। তারপর নিজেকে রাজনীতির ময়দান থেকে গুটিয়ে নেন মুনমুন।

বিরোধী থেকে সাধারণ মানুষ— অনেকেই তাঁর রাজনীতি করার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। কিন্তু মুনমুন বরাবরই মেজাজি, নিজের স্টাইলে অবিচল। আজ বালিগঞ্জের বুথে দাঁড়িয়ে যখন তিনি পোষ্যর ভোট না দিতে পারা নিয়ে রসিকতা করছেন, তখন নেটিজেনরা বলছেন, গ্ল্যামার আর আভিজাত্য দিয়ে আজও তিনি রাজনীতির কঠোর রূঢ়তাকে হালকা করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।

ভোট দিয়ে বেরিয়ে মেয়ে রাইমার সঙ্গে সেলফিতে মেতে উঠলেন অভিনেত্রী। রাজনীতির রণাঙ্গনে লড়াই থাকুক বা না থাকুক, বালিগঞ্জের লাইমলাইটে আজও যে রাজত্ব করেন মহানায়িকার সুযোগ্য তনয়া, তা আজ আরও একবার স্পষ্ট হলো।

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe