...
...
Next Story

১৫ দিনে সব শেষ! ফুসফুসের ক্যানসারে প্রয়াত শৈলেন রায়, বাবাকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ শতাব্দী

প্রয়াত অভিনেত্রী শতাব্দী রায়ের বাবা শৈলেন রায়। বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। অভিভাবকহীন তারকা সাংসদ।

Published on: Sep 24, 2026, 15:41:09 IST
Advertisement

মনখারাপের খবর বিনোদন ও রাজনৈতিক জগতে। দু-দিন আগেই মা কৃষ্ণা মুখোপাধ্যায়কে হারিয়েছেন রানি মুখোপাধ্যায়। এবার পিতৃহারা হলেন বিশিষ্ট অভিনেত্রী তথা বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায় (Shatabdi Roy)। ৮৭ বছর বয়সে বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক সমস্যার কারণে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তাঁর বাবা শৈলেন রায়। বাবার প্রয়াণে গভীরভাবে শোকস্তব্ধ সাংসদ-অভিনেত্রী।

১৫ দিনে সব শেষ! ফুসফুসের ক্যানসারে প্রয়াত শৈলেন রায়, বাবাকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ  শতাব্দী
১৫ দিনে সব শেষ! ফুসফুসের ক্যানসারে প্রয়াত শৈলেন রায়, বাবাকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ শতাব্দী

‘ভারী সত্যিটা মেনে নেওয়া কঠিন!’: শতাব্দী

বাবার বিয়োগে শোকস্তব্ধ শতাব্দী রায় আবেগঘন কণ্ঠে জানান, এই কঠিন মুহূর্তে বাস্তবটাকে মেনে নেওয়ার মতো মানসিক অবস্থা তাঁর নেই। বাবার মৃত্যুতে শোকবিহ্বল শতাব্দী রায় আবেগঘন বার্তায় জানান, 'বাবাও চলে গেল - এই ভারী সত্যটি মেনে নেওয়ার মতো ভাষা আমার জানা নেই। আজ এক যুগের অবসান হলো। হয়তো মা ও বাবার সেই অনন্ত প্রেমের টান আবার এক করে দিল তাদের।

পরজন্মে আবার আমার বাবা মা হয়েই এসো..

ব্যক্তিগত জীবনে বরাবরই বাবার অত্যন্ত কাছাকাছি ছিলেন শতাব্দী। অভিনেত্রীর জীবনের পথচলায় এবং পরবর্তীতে রাজনৈতিক কেরিয়ারে বাবার অবদান ও সমর্থন ছিল অপরিসীম।

আনন্দবাজার অনলাইনকে অভিনেত্রী জানান, ‘বাবার সুগার, প্রেশার কিছু ছিল না। কিন্তু শেষ ১৫ দিনে যে, কী থেকে কী হয়ে গেল ভাবতেই পারছি না। শরীরে সোডিয়াম-পটাশিয়ামের মাত্রা কমে গিয়েছিল। তাই হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল বাবাকে। সেখান থেকেই ধরা পড়ে ফুসফুসের ক্যানসার।’

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks