মুনাওয়ার ফারুকি তাঁর স্ট্যান্ড-আপ শো ‘ধন্ধো’ নিয়ে এসেছেন ইউটিউবে। আর এখানেই তিনি সেই ঘটনার কথা স্মরণ করেন, যখন ইন্দোরে একটি শো চলাকালীন তাঁকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল এবং কয়েক দিন জেলে কাটাতে হয়েছিল। সেই সময়ের কথা বলতে গিয়ে মুনাওয়ার জানান, এক পর্যায়ে তাঁর মনে হয়েছিল পুলিশ বুঝি যে কোনো সময় তাঁর এনকাউন্টার করে দিতে পারে।
পুলিশ লকআপে পৌঁছানোর পর যা ঘটেছিল

মুনাওয়ার জানান, শো থেকে গ্রেপ্তারের পর তাঁকে লকআপে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতে পুলিশ তাঁকে এবং তাঁর সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া আরও চারজনকে লকআপেই ঘুমাতে বলে। তখন মুনাওয়ার পুলিশের কাছে জানতে চান, তাঁদের তো বলা হয়েছিল যে অল্প সময়ের মধ্যেই ছেড়ে দেওয়া হবে। জবাবে পুলিশ জানায়, সকালে ছাড়া হবে।
সারারাত ঘুমোতে পারেননি মুনাওয়ার
মুনাওয়ার বলেন, উদ্বেগে তিনি সারারাত একটুও ঘুমোতে পারেননি। থানায় সারাক্ষণ ওয়াকিটকির শব্দ ভেসে আসছিল। তাঁর কথায়, সেই বার্তাগুলো এমনভাবে আদান-প্রদান হয় যে বাইরের কারও পক্ষে সহজে বোঝা সম্ভব নয়, কোথায় কী ঘটেছে।
ওয়াকিটকির বার্তা শুনে বেড়ে যায় আতঙ্ক
নিজের মন অন্যদিকে সরানোর জন্য মুনাওয়ার ওয়াকিটকির বার্তাগুলোর দিকে মনোযোগ দিতে শুরু করেন। প্রথমে কিছুই বুঝতে পারছিলেন না। পরে কিছুটা বুঝতে শুরু করলে তিনি শুনতে পান, হাইওয়েতে একটি মারুতি গাড়িকে ধাক্কা দেওয়ার খবর জানানো হচ্ছে। কিন্তু তাঁর কানে তা যেন শোনায়, ‘হাইওয়েতে ফারুকিকে মেরে দেওয়া হয়েছে।’ এই ভুল বোঝাবুঝিতেই তিনি ভীষণ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। মুনাওয়ার মজার ছলে বলেন, তখন তাঁর মনে হচ্ছিল, ‘এনকাউন্টার! আমি তো কিছুই করিনি!’
{{/usCountry}}নিজের মন অন্যদিকে সরানোর জন্য মুনাওয়ার ওয়াকিটকির বার্তাগুলোর দিকে মনোযোগ দিতে শুরু করেন। প্রথমে কিছুই বুঝতে পারছিলেন না। পরে কিছুটা বুঝতে শুরু করলে তিনি শুনতে পান, হাইওয়েতে একটি মারুতি গাড়িকে ধাক্কা দেওয়ার খবর জানানো হচ্ছে। কিন্তু তাঁর কানে তা যেন শোনায়, ‘হাইওয়েতে ফারুকিকে মেরে দেওয়া হয়েছে।’ এই ভুল বোঝাবুঝিতেই তিনি ভীষণ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। মুনাওয়ার মজার ছলে বলেন, তখন তাঁর মনে হচ্ছিল, ‘এনকাউন্টার! আমি তো কিছুই করিনি!’
{{/usCountry}}ভোরে মিলল স্বস্তি
মুনাওয়ার জানান, ভোর চারটের দিকে এক পুলিশকর্মী লকআপ খুলে তাঁকে এবং তাঁর সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া বাকি চারজনকে বাইরে আসতে বলেন। তিনি হাসির ছলেই বলে ওঠেন, তখন তাঁর প্রথমেই মনে হয়েছিল, সবাইকে বুঝি এনকাউন্টারের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে পরের ঘটনায় কিছুটা স্বস্তি পান।
আসলে কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল?
মুনাওয়ার বলেন, তিনি মনে মনে ভাবছিলেন, যদি সত্যিই এনকাউন্টার হয়, তাহলে কীভাবে পালাবেন। পরে যখন তাঁরা পুলিশের গাড়িতে ওঠেন, তখন তিনি পুলিশকে অনুরোধ করে বলেন, ‘স্যার, প্লিজ এটা করবেন না।’ পুলিশ অবাক হয়ে জানতে চায়, ‘কেন করব না?’ এরপর জানানো হয়, তাঁদের কোভিড পরীক্ষা করাতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তখনই মুনাওয়ার বুঝতে পারেন, আসলে সবাইকে কোভিড টেস্টের জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।