...
...
Next Story

‘সারারাত ঘুমোতে পারিনি, এই বুঝি এনকাউন্টার…’, কারাগারের অভিজ্ঞতা ভাগ মুনাওয়ারের

স্ট্যান্ড আপ কমেডিয়ান মুনাওয়ার ফারুকির স্পেশাল শো 'ধন্ধো' ইউটিউবে মুক্তি পেয়েছে। এই শো-তে মুনাওয়ার ফারুকি জেলে কাটানো দিনগুলোর অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, একসময় এমন পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল যখন তাঁর মনে হয়েছিল, পুলিশ হয়তো তাঁর এনকাউন্টার করে দেবে।

Published on: Jul 13, 2026, 09:30:14 IST
Advertisement

মুনাওয়ার ফারুকি তাঁর স্ট্যান্ড-আপ শো ‘ধন্ধো’ নিয়ে এসেছেন ইউটিউবে। আর এখানেই তিনি সেই ঘটনার কথা স্মরণ করেন, যখন ইন্দোরে একটি শো চলাকালীন তাঁকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল এবং কয়েক দিন জেলে কাটাতে হয়েছিল। সেই সময়ের কথা বলতে গিয়ে মুনাওয়ার জানান, এক পর্যায়ে তাঁর মনে হয়েছিল পুলিশ বুঝি যে কোনো সময় তাঁর এনকাউন্টার করে দিতে পারে।

পুলিশ লকআপে পৌঁছানোর পর যা ঘটেছিল

মুনাওয়ার ফারুকি। (Instagram)
মুনাওয়ার ফারুকি। (Instagram)

মুনাওয়ার জানান, শো থেকে গ্রেপ্তারের পর তাঁকে লকআপে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতে পুলিশ তাঁকে এবং তাঁর সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া আরও চারজনকে লকআপেই ঘুমাতে বলে। তখন মুনাওয়ার পুলিশের কাছে জানতে চান, তাঁদের তো বলা হয়েছিল যে অল্প সময়ের মধ্যেই ছেড়ে দেওয়া হবে। জবাবে পুলিশ জানায়, সকালে ছাড়া হবে।

সারারাত ঘুমোতে পারেননি মুনাওয়ার

মুনাওয়ার বলেন, উদ্বেগে তিনি সারারাত একটুও ঘুমোতে পারেননি। থানায় সারাক্ষণ ওয়াকিটকির শব্দ ভেসে আসছিল। তাঁর কথায়, সেই বার্তাগুলো এমনভাবে আদান-প্রদান হয় যে বাইরের কারও পক্ষে সহজে বোঝা সম্ভব নয়, কোথায় কী ঘটেছে।

ওয়াকিটকির বার্তা শুনে বেড়ে যায় আতঙ্ক

ভোরে মিলল স্বস্তি

মুনাওয়ার জানান, ভোর চারটের দিকে এক পুলিশকর্মী লকআপ খুলে তাঁকে এবং তাঁর সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া বাকি চারজনকে বাইরে আসতে বলেন। তিনি হাসির ছলেই বলে ওঠেন, তখন তাঁর প্রথমেই মনে হয়েছিল, সবাইকে বুঝি এনকাউন্টারের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে পরের ঘটনায় কিছুটা স্বস্তি পান।

আসলে কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল?

মুনাওয়ার বলেন, তিনি মনে মনে ভাবছিলেন, যদি সত্যিই এনকাউন্টার হয়, তাহলে কীভাবে পালাবেন। পরে যখন তাঁরা পুলিশের গাড়িতে ওঠেন, তখন তিনি পুলিশকে অনুরোধ করে বলেন, ‘স্যার, প্লিজ এটা করবেন না।’ পুলিশ অবাক হয়ে জানতে চায়, ‘কেন করব না?’ এরপর জানানো হয়, তাঁদের কোভিড পরীক্ষা করাতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তখনই মুনাওয়ার বুঝতে পারেন, আসলে সবাইকে কোভিড টেস্টের জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe