সোশ্যাল মিডিয়া ও ইন্টারনেটের যুগে তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চর্চা হওয়া নতুন কিছু নয়। তবে সেই চর্চায় যখন সম্পূর্ণ ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ে, তখন বাধ্য হয়েই মুখ খুলতে হয় সেলিব্রিটিদের। এবার ঠিক তেমনই এক কাণ্ড ঘটল জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো ‘সারেগামাপা’-র বিচারক তথা জনপ্রিয় গায়িকা অন্তরা মিত্রর সাথে।

দীর্ঘদিন ধরে ইন্টারনেট জুড়ে তাঁর স্বামী শৌর্যকে নিয়ে চলা একটি মস্ত বড় ভুল তথ্য অবশেষে শুধরে দিলেন গায়িকা। স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ওঁর বর কোনো আইটি (IT) কর্মী নন, বরং তিনি সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং একটি অত্যন্ত দায়িত্বপূর্ণ পেশার সঙ্গে যুক্ত।
‘আইটি কর্মী নন, শৌর্য একজন করপোরেট লয়ার’
অন্তরা জানিয়েছেন যে, তাঁদের বিয়ের পর থেকেই ইন্টারনেটের প্রায় সব জায়গায় ওঁর স্বামীকে তথ্যপ্রযুক্তি বা আইটি কোম্পানির কর্মী হিসেবে দেখানো হয়েছে। এমনকি তিনি ব্যাঙ্গালোরের বাসিন্দা বলেও ভুয়ো খবর রটেছিল।
এই ভুল ভাঙতে গিয়ে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে অন্তরা লেখেন, ‘কথা প্রসঙ্গে বলে রাখি, শৌর্য একজন করপোরেট ল-ইয়ার। একটি প্রসিদ্ধ ল’ ফার্মে ও একজন পার্টনার। এবং প্রায় ২০ বছর ধরে ও মুম্বাইয়ের বাসিন্দা। যদিও আমাদের বিয়ের পর মোটামুটি সব জায়গায় ওকে আইটি কোম্পানিতে চাকরিরত এবং ব্যাঙ্গালোরবাসী বলা হয়েছে— তা কিন্তু একেবারেই নয়।’
'লয়ারদের কাজ আমার মগজে ঢোকে না!'
{{/usCountry}}'লয়ারদের কাজ আমার মগজে ঢোকে না!'
{{/usCountry}}স্বামীর কঠিন ও ব্যস্ত পেশা নিয়ে মৃদু রসিকতা করতেও ছাড়েননি গায়িকা। তিনি জানান, শৌর্যের কাজের চাপ এতটাই বেশি যে সারা সপ্তাহ জুড়েই ওঁর ব্যস্ততা থাকে। তারই মধ্যে কিছুটা সময় বের করে তাঁরা একটু এদিক-ওদিক ঘুরতে যান।
আইনি দুনিয়ার জটিলতা নিয়ে অন্তরা হাসিমুখে বলেন, ‘লয়ারদের কাজকম্ম আমার মগজে কিছু ঢোকে না! তবে এটুকু বুঝতে পারি, প্রচণ্ড দায়িত্বের সাথে কাজ করতে হয়, এখানে ফাঁকি দেবার কোনো উপায় নেই।’
ইন্টারনেটকে অন্ধ বিশ্বাস করার পরিণাম
মছলন্দপুরের মেয়ে অন্তরা গত বছর নভেম্বরেই সাত পাকে বাঁধা পড়েন। গেরুয়া গায়িকা মাঝেমধ্য়েই নিজের দাম্পত্য় জীবনের টুকরো ঝলক তুলে ধরেন সোশ্য়াল মিডিয়ায়। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নেটনাগরিকদের উদ্দেশ্যে একটি জরুরি বার্তাও দিয়েছেন সারেগামাপার বিচারক। তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, উইকিপিডিয়া বা ইন্টারনেটে যা কিছু লেখা থাকে, চোখ বন্ধ করে তা বিশ্বাস করা উচিত নয়। ওঁর ভাষায়— ‘এই কারণে আমি বলি, ইন্টারনেটে আমরা যা যা পড়ি সব কিছুই ঠিক এমনটা নয়।’