আরাম কেদারা থেকে বই, জন্মশতবার্ষিকীতে উত্তম কুমারের বাড়ি ঘুরিয়ে দেখালেন নবমিতা

৩ সেপ্টেম্বর, বাঙালির গর্ব উত্তম কুমারের জন্ম শতবার্ষিকী। এই বিশেষ দিনে ইতি মধ্যেই রাজ্য সরকারের তরফ থেকে নেওয়া হয়েছে একাধিক কর্মসূচি। এইদিন সকালে টালিগঞ্জে মহানায়কের মূর্তিতে পুষ্প স্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

Published on: Sep 3, 2026, 15:58:44 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

৩ সেপ্টেম্বর, বাঙালির গর্ব উত্তম কুমারের জন্ম শতবার্ষিকী। এই বিশেষ দিনে ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের তরফ থেকে নেওয়া হয়েছে একাধিক কর্মসূচি। এইদিন সকালে টালিগঞ্জে মহানায়কের মূর্তিতে পুষ্প স্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে দেখা যায় দেব, জিৎ, প্রসেনজিৎ, ঋতুপর্ণা সহ টলিউডের নামিদামি ব্যক্তিত্বদের।

জন্মশতবার্ষিকীতে উত্তম কুমারের বাড়ি ঘুরিয়ে দেখালেন নবমিতা
জন্মশতবার্ষিকীতে উত্তম কুমারের বাড়ি ঘুরিয়ে দেখালেন নবমিতা

তবে উত্তম কুমার বললেই যে বাড়িটার কথা চোখের সামনে ভেসে ওঠে সেই বাড়িটি হলো উত্তম কুমারের ভবানীপুরের বাড়ি। একসময় এই বাড়িতে বসত তারকাদের মেলা। রাজকীয় চাইলে এই বাড়িতেই হেঁটে চলে বেড়াতেন উত্তম কুমার। দাদুর জন্মশতবার্ষিকীতে তাই দাদুর ফেলে রাখা সবকিছু সকলের সামনে তুলে ধরলেন মহানায়কের নাতনি নবমিতা চট্টোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন: নেপালকে ‘মাতৃভূমি’ বলে দাবি সুনীতার, সকলকে আহ্বান জানালেন পাশে থাকার জন্য

প্রতিবছরের মতো এই বছরেও উত্তম কুমারের জন্মদিনে আলোয় আলোয় সেজে উঠেছে ভবানীপুরের বাড়ি। ভিডিও শুরুতেই নবমিতা দেখান সেই চেয়ার, যেখানে বসে বাকিদের সঙ্গে কথা বলতেন তিনি। এত বছর পরেও সেই যে আর একই ভাবে রয়ে গিয়েছে তার নির্দিষ্ট জায়গায়। শুধু চেয়ার কেন, মহানায়ক নিজের হাতে যে বই সাজিয়ে রেখেছিলেন তা এখনও একই ভাবে রয়ে গিয়েছে আলমারির মধ্যে।

নবমিতা একটি ছবিও তুলে ধরেন যেখানে দেখতে পাওয়া যায় সব ভাইদের সঙ্গে উত্তম কুমার মেতে উঠেছেন লক্ষ্মীপুজোর আনন্দে। তবে সব থেকে আকর্ষণীয় কিছু ছবি দেখা যায় দেওয়ালে, যেখানে কোনও এক শীতের বিকেলে উত্তম কুমার ছাদে বসে ছিলেন এবং দূর থেকে কেউ তাঁকে ক্যামেরাবন্দী করেন।

আরও পড়ুন: পন্ডিচেরিতে শুটিং শেষে নাচ সৃজিত-যিশুর, ‘কিশোরী’ গানে ইধিকাকে ১০ গোল শঙ্করের

ঘরের কোণে রয়েছে একটি আরামকেদারাও, যেখানে লক্ষ্মীপুজো শেষে বিশ্রাম করতে মহানায়ক। রয়ে গিয়েছে সেই ছোট্ট খাট যেখানে বসে প্রতিদিন হারমোনিয়াম নিয়ে রেওয়াজ করতেন অভিনেতা। আজ এতগুলো বছর তিনি নেই কিন্তু এই ছোট ছোট জিনিস আজও স্মৃতি বয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে মহানায়কের। এই আসবাবপত্রের দিকে তাকিয়ে থাকলে যেন আজও সব স্মৃতি স্পষ্ট হয়ে উঠে চোখের সামনে।