'ও রোমিও'র ট্রেলার লঞ্চ ইভেন্ট থেকে রেগে বেরিয়ে গিয়েছিলেন নানা পাটেকর! এবার তা নিয়ে মুখ খুললেন পরিচালক
বিশাল ভরদ্বাজ নানা পাটেকরের অনুষ্ঠান থেকে চলে যাওয়ার বিষয়ে মুখ খুললেন। তিনি জানান যে, নানা পাটেকরের চলে যাওয়ায় তিনি বিরক্ত নন। তিনি বলেন যে, ‘নানা এমনই’।
শাহিদ কাপুরের ছবি 'ও রোমিও'র ট্রেলার মুক্তি পেয়েছে। ট্রেলার মুক্তির জন্য মুম্বইয়ে একটি সংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে পরিচালক-সহ পুরো স্টার কাস্ট উপস্থিত ছিলেন। তবে সংবাদিক সম্মেলন দেরীতে শুরু হওয়ার কারণে নানা পাটেকর বিরক্ত হয়ে ট্রেলার লঞ্চ অনুষ্ঠান ছেড়ে চলে যান! বিশাল ভরদ্বাজ নানা পাটেকরের অনুষ্ঠান থেকে চলে যাওয়ার বিষয়ে মুখ খুললেন। তিনি জানান যে, নানা পাটেকর চলে যাওয়ায় তিনি বিরক্ত নন। তিনি বলেন যে, ‘নানা এমনই’।

আরও পড়ুন: প্রাক্তন দেবের সঙ্গে ছবিতে জুটি বাঁধবেন স্ত্রী শুভশ্রী, 'অতীত নিয়ে…', যা বললেন স্বামী রাজ
সংবাদ সংস্থা পিটিআই তাঁদের ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেন। ভিডিয়োতে তাঁরা জানান যে, কেন নানা পাটেকর অনুষ্ঠান ছেড়ে চলে যান। পাশাপাশি এও বলেন কেন অভিনেতার এই ব্যবহারে তিনি অসন্তুষ্ট হননি। বিশাল ভরদ্বাজ জানিয়েছেন যে, তিনি যদি সেখানে থাকতেন তাহলে খুবই ভালো হত।
আরও পড়ুন: মহুয়া রায়চৌধুরীর বায়োপিকে কেন দেখা গেল না সৌমিতৃষাকে? ‘মিটিংটা ক্যানসেল…’, যা বললেন নায়িকা
বিশাল ভরদ্বাজ বলেন, ‘নানা চলে গিয়েছেন, কিন্তু আমাদের এখনও ওঁর সম্পর্কে কথা বলা উচিত। নানা অন্যদের ধমক দেন, তিনি সবচেয়ে বেশি মজাও করেন এবং ওঁর সঙ্গে সবাই থাকতে চায়... নানার মধ্যে এটা আছে।’
আরও পড়ুন: মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে থানায় গেলেন প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা! হিরণের নামে দায়ের করলেন অভিযোগ
নানা পাটেকর কেন অনুষ্ঠান ছেড়ে চলে যান?
বিশাল জানান যে, তাঁরা ২৭ বছর ধরে বন্ধু এবং এই প্রথমবারের মতো তাঁরা একসঙ্গে কাজ করছেন। পরিচালকের কথায়, ‘তিনি যদি সেখানে থাকতেন তাহলে দারুন হতো, কিন্তু তিনি তাঁর সিগনেচার স্টাইলে উঠে বলেন, তুমি আমাকে এক ঘন্টা অপেক্ষা করিয়েছ, আমি চলে যাচ্ছি।' আমরা আপত্তি করিনি কারণ আমরা জানি যে, এই কারণেই তিনি নানা পাটেকর।'
নেটিজেনরা কী বলছেন?
ভিডিয়োটি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে নানা প্রতিক্রিয়া পেয়েছে। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘খুব ভালো ভাবে পরিচালনা করা হয়েছে তবে এটা যদি দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য একটা স্টান্ট হয় তাহলেও আমি অবাক হব না।’ আরও একজন লেখেন, ‘এক ঘন্টা বিলম্বের জন্য আপনার খারাপ লাগা উচিত? এটা পেশাদারিত্ব নয়।’ অন্য একজন লিখেছেন, ‘আমরা নানা পাটেকরকে এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারি না।’
E-Paper

