...
...
Next Story

‘তুমি আমি দুজনেই টক্সিক…’! চুমু-আদরের পর বিগ বস বাংলায় রাজবীরকে ভালবাসার অঙ্গীকার নন্দিনীর, প্রেম ভাঙার চেষ্টা অনুষ্কার

রবিবারের এপিসোডে দাদার দরবারের পর রাজবীরকে প্রপোজ করেন নন্দিনী। দুজনের মধ্যেকার ভালোবাসার আগুন স্পষ্ট হয়েছিল অনেকদিন ধরেই। এবার তাতেই পড়ল সিলমোহর। যদিও ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রি অনুষ্কা ঘরে ঢোকার পর থেকেই ক্রমাগত চেষ্টা চালাচ্ছে দুজনের মধ্যে সম্পর্ক ভাঙার।

Published on: Sep 28, 2026, 10:36:07 IST
Advertisement

রবিবার বিগ বস বাংলার ঘর থেকে বিদায় নিয়েছেন তাপস পাল-কন্যা সোহিনী পাল। তবে ঘরের সদস্য সংখ্যা কমেনি, কারণ ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রি হয়েছে স্প্লিটসভিলা-খ্যাত অনুষ্কা ঘোষের। আপাতত বিগ বসের ঘরে বেশ একটা প্রেম-প্রেম ভাব। কারণ রবিবারই নিজের ভালোবাসার কথা রাজবীরের কাছে প্রকাশ করেছেন নন্দিনী। এতদিন আদর, চুমু চলছিলই। তবে ভালোবাসার অঙ্গীকার হয়েই গেল শেষমেশ।

বিগ বস বাংলার ঘরে কি এবার ত্রিকোণ সমীকরণ?
বিগ বস বাংলার ঘরে কি এবার ত্রিকোণ সমীকরণ?

সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় দাদার দরবার শেষ করার পর, ঘনিষ্ঠ অবস্থায় বসে গল্প করতে দেখা যায় রাজবীর আর নন্দিনীকে। সেই সময়ই অভিনেত্রী প্রশ্ন করেন, ‘তুমি আমাকে প্রপোজ করছ না কেন, এখনো অপশন খুঁজছ’। যাতে রাজবীর জানান, কোনো অপশনের দিকে তাকানোর আর প্রশ্নই ওঠে না। কারণ তিনিও ভালোবেসে ফেলেছেন নন্দিনীকে।

এমনকী নন্দিনীকে এরপর ভবিষ্যৎ নিয়েও কথা বলতে দেখা যায়। তিনি বলেন, ‘তুমিও টক্সিক, আমিও টক্সিক। ভবিষ্যতে আমাদের ঝগড়া হবে। হয়তো খুব নোংরা ঝগড়া হবে। কিন্তু যেটা দরকার সেটা হল সত্যিকারের ভালোবাসা। যার কারণে আমরা একে-অপরকে ছেড়ে থাকতেই পারব না।’

তবে নন্দিনী আর রাজবীরের এই প্রেমালাপের মাঝেই কাঁটা হয়ে এসেছে অনুষ্কা। এমনকী ঘরে ঢুকেই তিনি নন্দিনীকে কটাক্ষ করে বলেছেন, ‘তোমার মতো তো সবাই বিগ বসের ঘরে প্রেম করতে আসে না সোনা।’ যখন জীতুকে নিয়ে অনুষ্কার সঙ্গে মস্করা করছিলেন নন্দিনী, তখনই এই জবাব আসে প্রাক্তন স্প্লিটসভিলা প্রতিযোগীর থেকে। এমনকী, অনুষ্কা ঘরে ঢোকার পর রাজবীর তাঁকে ‘স্প্লিটসভিলা কি কুইন’ বলে কমপ্লিমেন্ট দিলে, বেশ অসন্তুষ্ট হন নন্দিনী। প্রেম যেখানে, সেখানে হিংসে তো থাকবেই। যা স্পষ্ট ফুটে উঠেছিল নন্দিনীর চোখেমুখে।

আপাতত বিগ বস বাংলার ঘরের সদস্যরা দু ভাগে বিভক্ত। একদলে রয়েছেন দুর্নিবার, সৃজলা, সোনামণি, তনুশ্রী, নিরঞ্জন, ঝিলম। আর অন্য দিকে ভরত কল, জীতু, মনামি, নন্দিনী, রাজবীর। দর্শকদের মধ্যে সমালোচনা যেমন হচ্ছে, তেমনই তাঁদের মতে খেলাকে প্রায় একার কাঁধেই টেনে নিয়ে চলেছেন রাজবীর। অনেকেরই দাবি, তিনি আসার আগে কিছুটা যেন ঝিমিয়ে ছিল গোটা ঘর।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks