চলতি সপ্তাহে বিগ বস বাংলার নমিনেট সদস্যদের তালিকায় নাম আছে রাজবীর দে আর নন্দিনী দত্তের। দুজনের তুমুল প্রেমের সাক্ষী বিগ বসের ঘর। তবে গত সপ্তাহে দাদার দরবারে-তে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে দুজনকেই শুনতে হয় বেশ বকাঝকা। এমনকী, ইন্ডাস্ট্রির খ্যাতনামা নায়ক জীতুর সঙ্গে একপ্রকার হাতাহাতিও হয় রাজবীরের। এমনকী জীতুর অভিযোগ যে, নন্দিনী নাকি তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী (নবনীতা)-র নাম নিয়ে তাঁকে কটাক্ষ করেছেন।

এবার এক সাক্ষাৎকারে জীতুকে কটাক্ষ করলেন নন্দিনীর বাবা। ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’-এর সিরিয়ালের নায়ককে নিয়ে তিনি বললেন, ‘আনপ্রেডিক্টেবল। কখন কী করবে কেউ জানে না। কখনো দেখা যাচ্ছে সাধু, কখনো দেখা যাচ্ছে যে ভণ্ড। আমি তো ওকে প্রেডিক্টই করতে পারছি না। যে ও আসলে সাধু না ভণ্ড। কারণ রুদ্রাক্ষের মালা যে জপ করছে, যে ১ঘণ্টা বা ২ ঘণ্টা ধরে ধ্যান করবে, মেডিটেশন করবে, তার এরকম রাগ আসতেই পারে না। আমি আজকে যাকে ভাই বলছি, আজকে যাকে বোন বলছি, তাকে নোংরা কথা বলতে পারব না।’
সঙ্গে রাজবীর ও নন্দিনীকে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের তীব্র বকাঝকা করা নিয়েও খুললেন মুখ। বললেন, ‘যেদিন এই ঘটনা ঘটল আমি বা ওর মা সারা রাত ঘুমোইনি। কারণ একটা মেয়েকে যখন বলা হয়, তখন তো তার বাবা-মায়ের উপরেও প্রভাব পড়ে। ওর মা তো একপ্রকার অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। বাবারা তাও একটু হলেও যুক্তি দিয়ে বিচার করে। মায়েদের কাছে কোনো যুক্তিই খাটে না, সবটাই মমতা।’
তবে নন্দিনীর বাবা বিশ্বাস করেন যে, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সব বকাঝকাই তাঁদের মেয়ের ভালোর জন্য করা। বললেন, ‘আমি ভেবে দেখলাম, আসলে ওর ভালোর জন্যই বলেছে। ওর যাতে খেলা নষ্ট না হয়, যাতে টিকে থাকতে পারে, রাজবীর যাতে এমন কোনো ভুল না করে ফেলে যাতে ওকে ঘর থেকে বের করে দিতে হয়। কারণ সেদিনের এপিসোডে ১০ মিনিট কথা হয় অন্য প্রসঙ্গে, আর বাদবাকি সময় ওদের নিয়েই কথা হয়। আমার মনে হয়েছে এটা ওদের জন্য চূড়ান্ত সতর্কবার্তা। একজন কোচের কাজ কী, প্লেয়ারকে সামলানো। প্লেয়ার ফাউল প্লে করে লাল কার্ড দেখবে, আর কোচ সেটা বসে বসে দেখবে, সেটা তো হতে পারে না। ওই কারণেই চ্যানেল ও সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় সেদিন এতটা সময় দিয়েছে ওদেরকে।’
{{/usCountry}}তবে নন্দিনীর বাবা বিশ্বাস করেন যে, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সব বকাঝকাই তাঁদের মেয়ের ভালোর জন্য করা। বললেন, ‘আমি ভেবে দেখলাম, আসলে ওর ভালোর জন্যই বলেছে। ওর যাতে খেলা নষ্ট না হয়, যাতে টিকে থাকতে পারে, রাজবীর যাতে এমন কোনো ভুল না করে ফেলে যাতে ওকে ঘর থেকে বের করে দিতে হয়। কারণ সেদিনের এপিসোডে ১০ মিনিট কথা হয় অন্য প্রসঙ্গে, আর বাদবাকি সময় ওদের নিয়েই কথা হয়। আমার মনে হয়েছে এটা ওদের জন্য চূড়ান্ত সতর্কবার্তা। একজন কোচের কাজ কী, প্লেয়ারকে সামলানো। প্লেয়ার ফাউল প্লে করে লাল কার্ড দেখবে, আর কোচ সেটা বসে বসে দেখবে, সেটা তো হতে পারে না। ওই কারণেই চ্যানেল ও সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় সেদিন এতটা সময় দিয়েছে ওদেরকে।’
{{/usCountry}}