সোহিনীকে ‘প্রিভিলেজ’ কটাক্ষ নন্দিনীর, মেয়ের হয়ে মুখ খুললেন তাপস পত্নী

একই বাড়িতে থাকলেও প্রতিনিয়ত একে অপরের বিরুদ্ধে ছক করছে বিগ বস প্রতিযোগীরা। যদিও প্ল্যানিং বা বুদ্ধি দিয়ে খেলা বিগ বসের একটি অন্যতম অংশ। তবে বিগত কিছু দিনে নন্দিনী দত্ত যে কর্মকাণ্ড করে চলেছেন বিগ বসের মঞ্চে, তা কোনওভাবেই সমর্থন করতে পারছেন না কেউ।

Published on: Sep 26, 2026, 17:11:08 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

একই বাড়িতে থাকলেও প্রতিনিয়ত একে অপরের বিরুদ্ধে ছক করছে বিগ বস প্রতিযোগীরা। যদিও প্ল্যানিং বা বুদ্ধি দিয়ে খেলা বিগ বসের একটি অন্যতম অংশ। তবে বিগত কিছু দিনে নন্দিনী দত্ত যে কর্মকাণ্ড করে চলেছেন বিগ বসের ঘরে, তা কোনওভাবেই সমর্থন করতে পারছেন না কেউ। সৃজলাকে ঘোড়া থেকে ফেলে দেওয়ার পর এবার সোহিনীকে বলা কিছু কথা ঘিরে আবার তৈরি হল বিতর্ক।

মেয়ের হয়ে মুখ খুললেন তাপস পত্নী
মেয়ের হয়ে মুখ খুললেন তাপস পত্নী

গতকালের এপিসোডে দেখতে পাওয়া গিয়েছে বিগ বসের ঘরে খেলা চলাকালীন সোহিনী এবং নন্দিনী তর্ক বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে। কথায় কথায় সোহিনীকে নন্দিনী বলে ওঠে, সোহিনী প্রিভিলেজ। সে জীবনে কিছুই করেনি। যদিও উল্টোদিকে সোহিনীও যোগ্য জবাব দিয়েছেন নন্দিনীকে। তবে এবার বিগ বসের বাইরে সোশ্যাল মিডিয়ায় নন্দিনীকে এক হাত নিলেন সোহিনীর মা নন্দিনী মুখোপাধ্যায় পাল।

আরও পড়ুন: আসছে বছর আবার হবে! নতুন ছবির ঘোষণা করলেন সৌরভ

নন্দিনীর উদ্দেশ্যে একটি খোলা চিঠি লেখেন তাপস পত্নী। সোহিনী জীবনে কি করেছে এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে নন্দিনী জানিয়েছেন যে তাঁর মেয়ের পড়াশোনার কথা। দশম শ্রেণীতে অঞ্জন দত্তের সঙ্গে কাজ করেছেন সোহিনী, কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের ছবিতে কাজ করার পাশাপাশি কাজ করেছেন প্রচুর হিন্দি প্রজেক্টে।

নন্দিনীর কথায়, তাপস পাল মারা যাওয়ার সময় শুধুমাত্র মাকে সঙ্গ দেবেন বলে সোহিনী এক বাক্যে মুম্বই থেকে চলে এসেছিলেন কলকাতায়। একজন বিখ্যাত অভিনেতার বাড়িতে জন্ম নেওয়া হয়তো সৌভাগ্যের হতে পারে কিন্তু সোহিনী নিজের দমে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এছাড়াও ব্যক্তিগত জীবনে তিনি যেভাবে পোষ্যদের খেয়াল রাখেন, সে কথা উল্লেখ করে মেয়ে নিয়ে গর্বের কথা বলেন নন্দিনী।

আরও পড়ুন: মায়ের জিভ চুরির পেছনে রয়েছে কে? রাজবাড়িতে খুনের নেপথ্যে লুকিয়ে এক ইতিহাস

ছোট পর্দার নন্দিনীকে নিয়ে সোহিনীর মায়ের বক্তব্য, সহ প্রতিযোগীকে ঘোড়া থেকে ফেলে দেওয়া থেকে শুরু করে তার কোন খাবারে অ্যালার্জি রয়েছে সেটা তাকে দেওয়া এই সবকিছুই খুবই নিম্ন মনের পরিচয়। যে বন্ধু একসময় নিজের ব্যক্তিগত জিনিস দেখিয়েছিল, সেগুলো সেখান থেকে বের করে তার বিরুদ্ধেই কাজে লাগানো একেবারেই ঠিক নয়। একজন মানুষ জীবনে সফল হতেই পারে কিন্তু ব্যক্তিগত পরিসরে সে কেমন মানুষ সেটাই তার পরিচয়।