Neetu Kapoor: আলিয়া ভাট এবং রণবীর কাপুর তাঁদের মেয়ে রাহাকে প্রচারের আলো থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করেন। রাহার দিদা, নীতু কাপুরও, নাতনিকে খুব ভালোবাসেন। সম্প্রতি নীতু জানিয়েছেন যে, রাহাকে নিয়ে তাঁর এবং আলিয়ার মধ্যে মাঝে মাঝে তর্ক শুরু হয়ে যায়।

তাঁদের দু'জনের মধ্যে কী কারণে তর্ক হয় জানেন?
সোহা আলি খানের পডকাস্টে নীতু বলেছেন, 'আলিয়া মেয়ের সঙ্গে খুব ভালো ব্যবহার করে। ও রাহাকে খুব ভালো ভালো জিনিস শেখায়। কোনও টিভি নয়, কোনও অপ্রয়োজনীয় জিনিসও নয়। তবে আমি আলিয়ার সঙ্গে প্রায়ই ঝগড়া করি, বলি, 'আমাকে অন্তত ওকে একটা চকোলেট দিতে দাও।' কিন্তু আলিয়া বলে, 'না, তুমি জানো না চিনি ওর জন্য ভালো নয়?' আমি বলি, 'হ্যাঁ, ঠিক আছে, কিন্তু আমি তো ঠাকুমা, তাই ওকে একটু আদর করতেই হবে।'
তখনকার ও এখনকার সন্তান পালনের রীতি প্রসঙ্গে নীতু কথা বলেন, তিনি জানান অনেক কিছুই বদলে গিয়েছে। তিনি বলেন, 'আজকাল অনেক সচেতনতা আছে। আমার সময়ে টিভি দেখা বা চিনি খাওয়ার মতো কোনও সচেতনতাই ছিল না। আমার বাচ্চারা সারাদিন টিভি দেখত আর খেত। খাওয়ার সময় ওরা ভগবান দাদা আর অমর আকবর অ্যান্টনি দেখত।'
নীতু বলেছেন যে আধুনিক অভিভাবকত্বের প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। তিনি বলেন, 'সময় বদলে গিয়েছে। আমি আমার সময়ে আমার সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি, এবং আজকের বাবা-মায়েরা তাঁদের সাধ্যমতো চেষ্টা করছেন। তাঁরা জানেন তাঁরা কী করছেন। আমি হস্তক্ষেপ করি না। আমি শুধু একজন ভালো ঠাকুমা হতে চাই এবং রাহা ও সামারার সঙ্গে ভালোভাবে থাকতে চাই।'
{{/usCountry}}নীতু বলেছেন যে আধুনিক অভিভাবকত্বের প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। তিনি বলেন, 'সময় বদলে গিয়েছে। আমি আমার সময়ে আমার সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি, এবং আজকের বাবা-মায়েরা তাঁদের সাধ্যমতো চেষ্টা করছেন। তাঁরা জানেন তাঁরা কী করছেন। আমি হস্তক্ষেপ করি না। আমি শুধু একজন ভালো ঠাকুমা হতে চাই এবং রাহা ও সামারার সঙ্গে ভালোভাবে থাকতে চাই।'
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: চোখে-মুখে জেদ, কোলে সন্তান, ‘বাবা’র পোস্টারে চমক বিক্রমের! কবে মুক্তি পাবে ছবি?
বাচ্চারা সাধারণত তাদের ঠাকুমা বা দিদিমার বেশি কাছাকাছি হয় কিনা, এই প্রশ্নের উত্তরে নীতু বলেন, "মায়েরা প্রায়ই নিজেদের মায়েদের কথা বলেন, তাই স্বাভাবিক ভাবেই তাদের সঙ্গে একটা বন্ধন তৈরি হয়। কিন্তু আমি ভাগ্যবান যে আমরা একসঙ্গেই থাকি। রাহা আমাকে দাদি বলে ডাকে।'
কিছুদিন আগে নীতু জানিয়ে ছিলেন কীভাবে ঋষি কাপুর সব সময় বাচ্চাদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখতেন। তিনি বলেছিলেন, 'আমার স্বামী বাচ্চাদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে চাইতেন। তিনি বলতেন, 'আমি একজন বাবা, তাই আমি আমার ছেলের সঙ্গে কীভাবে বন্ধুত্ব করতে পারি?' বাচ্চাদের ভয় দেখানোর জন্য তিনি সব সময় তাদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখতেন। তিনি বাড়ি ফিরলেই বাচ্চারা দৌড়ে নিজেদের ঘরে চলে যেত।'