...
...
Next Story

Uttam-Supriya: ‘আপনার বাবারও তো দুটো বউ’! সুপ্রিয়াদেবীকে নিয়ে মন্তব্য, উত্তমের নাতনির উপর চটল নেটপাড়া

প্রায় ২০ বছর একত্রবাস করেছিলেন উত্তম কুমার ও সুপ্রিয়া দেবী। তৎকালীন সামাজিক নিয়মনীতিকে তোয়াক্কা না করেই মহানায়ককে ভালোবেসে, যত্নে আগলে রেখেছিলেন সুপ্রিয়াদেবী। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে দুজনের সম্পর্ক নিয়ে কিছু মন্তব্য করেন উত্তম কুমারের নাতনি নবমিতা, যাতে চটল নেটপাড়া।

Published on: Jul 29, 2026, 13:01:37 IST
Advertisement

তৎকালীন সামাজিক নিয়মনীতিকে পেছনে ফেলে ১৯৬৩ সাল থেকে মহানায়ক উত্তম কুমার ও অভিনেত্রী সুপ্রিয়া দেবী একত্রবাস করেছিলেন ভবানীপুরের ময়রা স্ট্রিটের বাড়ি। মহানায়কের মৃত্যুর আগে পর্যন্ত উত্তম কুমারের জীবনের সুখ-দুঃখ ও ব্যক্তিগত পরিচর্যার সিংহভাগ দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলে সুপ্রিয়াদেবী। ‘ঘর ভাঙানি’, ‘রক্ষিতা’র মতো কটাক্ষেও ছাড়েননি হাত। তবে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমন কিছু কথা বলেন উত্তম কুমারের নাতনি নবমিতা, যা নিয়ে নেটপাড়ার প্রবল রোষের মুখে পড়তে হল তাঁকে।

উত্তম কুমারের নাতনি নবমিতার দেওয়া সাক্ষাৎকারে চটল নেটপাড়া।
উত্তম কুমারের নাতনি নবমিতার দেওয়া সাক্ষাৎকারে চটল নেটপাড়া।

চক্র প্রোডাকশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নবমিতাকে বলতে শোনা যায়, ‘সুপ্রিয়া আন্টির একটা মালা পরা ছবি তোমরা দেখেছ, ওটা কিন্তু সত্যিকারের ছবি নয়। ফিল্মের সময় তোলা ছবি। ওটা উনি দাদু মারা যাওয়ার পর দাবি করেছিলেন, ওঁকে বিয়ে করেছিল। কিন্তু প্রথম বউ থাকার পর তো বিয়ে করা যায় না হিন্দুশাস্ত্র মতে।’ সঙ্গে নবমিতা জানান, সুপ্রিয়াদেবী যখন উত্তম কুমারের সম্পত্তির ভাগ চেয়ে মামলা করেছিলেন সেই সময়ের কথাও। বলেন, ‘ওঁর দাবি ছিল ‘আমি লিগাল ওয়াইফ, আর আমার সঙ্গে যেহেতু লিভ ইন করেছে, আমি সম্পত্তির ভাগিদার’। যেহেতু বাবা একমাত্র ছেলে, অনেক স্ট্রাগল করতে হয়েছে। অনেক কোর্ট কেস করতে হয়েছে। উত্তমকুমার মারা যাওয়ার ১ সপ্তাহ পর উনি কোর্ট থেকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন। ১২ বছর কেস চলেছিল, যদিও প্রমাণ হয়নি উনি স্ত্রী। কারণ আমার ঠাকুমা আইনত স্ত্রী ছিলেন। বাবা ঠাকুরের আশীর্বাদে জিতেও যায়। শেষের দিকে উনি বুঝেও গিয়েছিলেন যে হেরে যাবেন, এসে বাবার কাছে ক্ষমাও চান।’

তবে নবমিতার এই সাক্ষাৎকারের ঝলক সামনে আসতেই নেটপাড়ার বড় একটা অংশ নবমিতার বলা কথার বিরোধ করেন। একজন লেখেন, ‘বেনু আন্টির কাছে শুনেছি, ইন্টারভিউতেও পড়েছি ওনারা শাস্ত্রীয় মতে বিয়ে করেন কারণ বেনু আন্টির বাবা তাই চেয়েছিলেন। ওই ছবিটি ঐ দিনের ছবি কোন শুটিং এর নয় এমনটা দেবী জেঠু মানে দেবী হালদার এর কাছেও শুনেছি! এসব তথ্যের সত্যতার সমস্যা আছে। মহানায়কের মৃত্যু সময় তো ওঁর নাতনির বয়স একবছর হয়নি তিনি তো পরিবারের থেকে শোনা কথা বলছেন, ওঁর বাবার দুটো বিয়ে, তাহলে সেই প্রসঙ্গেও বলুন!’

আরেকজন নবমিতার উদ্দেশে বলেন, ‘আমার একটা প্রশ্ন আছে। নবমিতা বললেন যে হিন্দু শাস্ত্রমতে একজন লিগ্যাল ওয়াইফ থাকতে আর একজনকে বিয়ে করা যায় না। কিন্তু ওনার বাবাও কি সেটা মনে রেখেছিলেন? গৌতম চট্টোপাধ্যায় নিজেও তো দু'বার বিয়ে করেছিলেন,তাও একজনকে ডিভোর্স না করে। তাহলে বাবা বলেই কি এই দোষটা চোখে পড়েনি নবমিতার?’

প্রসঙ্গত, প্রথম স্ত্রী সুমনা দেবীর সাথে গৌতমের বিয়েটি #উত্তম_কুমার নিজে দাঁড়িয়ে থেকে দিয়েছিলেন। তাঁদের সন্তান হলেন জনপ্রিয় অভিনেতা গৌরব চট্টোপাধ্যায়। একাধিক মিডিয়া রিপোর্ট অনুসারে, পরবর্তীতে গৌতম গন্ধর্ব মতে মহুয়া চট্টোপাধ্যায়কে দ্বিতীয় বিবাহ করেন। এখানেই শেষ নয়, সুমনা দেবী এবং মহুয়া দেবী কোনো বিবাদ ছাড়াই একই বাড়িতে বসবাস করে আসছেন দীর্ঘ সময় ধরে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe