কদিন আগেই বিগ বসের ঘরে টাস্ক চলাকালীন জিতু কমলের সঙ্গে বিতর্কে জড়ান নিরঞ্জন মণ্ডল। নিরঞ্জনের কোমরে বাঁধা একটা স্কার্ফ নিয়ে টানাটানির সময় নিরঞ্জনের অভিযোগ ছিল, জীতু তাঁর গোপনাঙ্গে হাত দিয়েছে। এদিকে, জীতু ক্রমাগত ব্যাপরটা অস্বীকার করে যেতে থাকে। যা নিয়ে নিরঞ্জন আরও মেজাজ হারান। নিজের হাতে থাকা বোতল ছুঁড়ে মারেন, বিগ বসের ঘরে থাকা একটি গাছের টবও।

এরপর সৌরভ গঙ্গোপাধ্য়ায়ের কাছে দাদার দরবার চলাকালীন এই কারণে সমালোচনার মুখেও পড়েন নিরঞ্জন। তাঁকে সৌরভের উপদেশ, টাস্ক চলাকালীন যদি এমন ঘটনা ঘটে, সেটিকে ইস্যু না বানানোর। এবার নিরঞ্জন ঘরের দুই সদস্য অনুষ্কা ও ঝিলমের সামনে জানালেন যে, কেন সেদিন অতটা রেগে গিয়েছিলেন তিনি।
নিরঞ্জন অনুষ্কাকে বলেন, ‘আমি সবার কাছে কেন ভিলেন হয়ে গেলাম’। তাতে অনুষ্কা জীতুর নাম নেন। আর এরপর নিরঞ্জন জানান, ছোটবেলাকার কিছু খারাপ অভিজ্ঞতার কারণেই সেদিন নিজেকে আটকাতে পারেননি। নিরঞ্জন বলেন, ‘সেদিন জীতুর সঙ্গে যেটা হয়েছে সেটা তখনই মিটে যেত যদি জীতু এগিয়ে এসে নিজের ভুল স্বীকার করত। বলত, ভাই হয়ে গিয়েছে কিছু মনে করিস না। টাস্কের সময় লাগতেই পারে। কিন্তু যেটা আমাকে ট্রিগার করল, আমি যখন চিৎকার করলাম, তখনও কিন্তু আমি টব আর বোতল ফেলিনি। আর জীতুদা দাঁড়িয়ে বলে চলেছে, 'ও মিথ্য়া বলছে'। এই 'মিথ্যে বলছে' কথাটা আমায় ট্রিগার করেছে।’
‘এবার তোর মনে হতে পারে, কেন আমাকে ট্রিগার করল। ছোটবেলা আমাকে অনেকে পুরুষ মলেস্ট করেছে। যেহেতু তখন আমার মধ্যে ফেমিনিন (মেয়েলি) ব্যাপারটা ছিল, এখনও আমার মধ্যে কিছু ফেমিনিন স্বভাব আছে। কিন্তু তখন আরও বেশি ছিল। আর যেহেতু আমি ওরকম ছিলাম, যখনই আমি নিজের জন্য স্ট্যান্ড নিতাম, তখন সেই লোকগুলো নিজেদের বাঁচাতে আমাকে মিথ্যেবাদী বলত। আমি আড়াইদিন কথা বলিনি কারও সাথে। লোকজনের মনে হতেই পারে আমি ওভার রয়্যাক্ট করেছি। কিছু জিনিস তো আমি ন্যাশনাল টেলিভিশনে লোকের সামনে বলতে আটকাব। তার মানে এই নয় যে নিজের মধ্যে যেটা চলছে সেটাকেও আটকাতে পারব। আমার ইচ্ছে করছিল না কারও সঙ্গে কথা বলতে।’, আরও বলেন নিরঞ্জন।
{{/usCountry}}‘এবার তোর মনে হতে পারে, কেন আমাকে ট্রিগার করল। ছোটবেলা আমাকে অনেকে পুরুষ মলেস্ট করেছে। যেহেতু তখন আমার মধ্যে ফেমিনিন (মেয়েলি) ব্যাপারটা ছিল, এখনও আমার মধ্যে কিছু ফেমিনিন স্বভাব আছে। কিন্তু তখন আরও বেশি ছিল। আর যেহেতু আমি ওরকম ছিলাম, যখনই আমি নিজের জন্য স্ট্যান্ড নিতাম, তখন সেই লোকগুলো নিজেদের বাঁচাতে আমাকে মিথ্যেবাদী বলত। আমি আড়াইদিন কথা বলিনি কারও সাথে। লোকজনের মনে হতেই পারে আমি ওভার রয়্যাক্ট করেছি। কিছু জিনিস তো আমি ন্যাশনাল টেলিভিশনে লোকের সামনে বলতে আটকাব। তার মানে এই নয় যে নিজের মধ্যে যেটা চলছে সেটাকেও আটকাতে পারব। আমার ইচ্ছে করছিল না কারও সঙ্গে কথা বলতে।’, আরও বলেন নিরঞ্জন।
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, নিরঞ্জন 'লাফটারসেন' নামেই পরিচিত সোশ্যাল মিডিয়ায়। ২০২৬ সালে তিনি কান চলচ্চিত্র উৎসবের রেড কার্পেটে হেঁটে নজর কেড়েছিলেন। তবে বিগ বস বাংলায় নিরঞ্জনকে নিয়ে হতাশ তাঁর অনেক অনুরাগীই। তাঁদের অভিযোগ, খেলায় একেবারেই মন নেই নিরঞ্জনের। হয় এক কোনে বসে থাকেন, আর নয়তো ঝিলমের সঙ্গে সারাদিন অন্য প্রতিযোগীদের নামে করেন সমলোচনা।