দীপাবলির আগে উৎসবের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত আম্বানি পরিবারের সদস্যরাও। তবে এবার কোনও বিলাসবহুল শপিং মল বা নামী ব্র্যান্ডের দোকানে নয়, একেবারে রাস্তার ধারের বাজারে দেখা গেল নীতা আম্বানি ও তাঁর মেয়ে ইশা আম্বানিকে। মা-মেয়ের একসঙ্গে বাজার ঘোরার সেই মুহূর্তের ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, রঙিন আলো, বাহারি সাজসজ্জার সামগ্রী এবং দীপাবলির নানা উপকরণে সাজানো একটি স্থানীয় বাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন নীতা ও ইশা। বিভিন্ন দোকানে দাঁড়িয়ে উৎসবের সাজের জিনিসপত্র দেখতেও দেখা যায় তাঁদের। দীপাবলির আগে বাড়ি সাজানোর জন্য কী কী সামগ্রী পাওয়া যাচ্ছে, তা খুঁটিয়ে দেখছিলেন মা-মেয়ে। এমনকী, ছিল খুদে আম্বানিরাও।
সাধারণত আম্বানি পরিবারের সদস্যদের দেখা যায় বিলাসবহুল অনুষ্ঠান, নামী ব্র্যান্ডের পোশাক কিংবা অভিজাত শপিংয়ের মুহূর্তে। তাই রাস্তার ধারের সাধারণ বাজারে নীতা ও ঈশার এই উপস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই নজর কেড়েছে নেটিজেনদের। তাঁদের এই সাধারণ শপিংয়ের মুহূর্তই এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার বিষয়।
ভিডিওটি সামনে আসতেই তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে। নীতা ও ইশাকে একসঙ্গে এভাবে বাজার করতে দেখে কৌতূহল প্রকাশ করেছেন অনেকে। দীপাবলির মরশুমে তাঁদের এই উৎসবের কেনাকাটার ঝলকই এখন নেটপাড়ায় ভাইরাল।
১৯৮৫ সালের ৮ মার্চ মুকেশ আম্বানি ও নীতা দালাল (নীতা আম্বানি) বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের আগে নীতা পেশায় একজন শিক্ষিকা ও ধ্রুপদী নৃত্যশিল্পী ছিলেন। তাঁদের তিন সন্তান, বড় ছেলে আকাশ, মেয়ে ইশা ও অনন্ত যমজ। পীরামল গ্রুপের আনন্দ পীরামলকে বিয়ে করেছেন ইশা। আকাশের স্ত্রীর নাম শ্লোকা মেহতা (হিরে ব্যবসায়ী রাসেল মেহতার কন্যা)। আর ছোট ছেলে অনন্ত আম্বানি বিয়ে করেছেন রাধিকা মার্চেন্টকে। পরিবার মুম্বইয়ের অল্টামাউন্ট রোডে অবস্থিত অ্যান্টিলিয়া নামক বিশালাকার ও বিশ্বের অন্যতম ব্যয়বহুল ব্যক্তিগত গগনচুম্বী ভবনে বসবাস করেন।
{{/usCountry}}১৯৮৫ সালের ৮ মার্চ মুকেশ আম্বানি ও নীতা দালাল (নীতা আম্বানি) বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের আগে নীতা পেশায় একজন শিক্ষিকা ও ধ্রুপদী নৃত্যশিল্পী ছিলেন। তাঁদের তিন সন্তান, বড় ছেলে আকাশ, মেয়ে ইশা ও অনন্ত যমজ। পীরামল গ্রুপের আনন্দ পীরামলকে বিয়ে করেছেন ইশা। আকাশের স্ত্রীর নাম শ্লোকা মেহতা (হিরে ব্যবসায়ী রাসেল মেহতার কন্যা)। আর ছোট ছেলে অনন্ত আম্বানি বিয়ে করেছেন রাধিকা মার্চেন্টকে। পরিবার মুম্বইয়ের অল্টামাউন্ট রোডে অবস্থিত অ্যান্টিলিয়া নামক বিশালাকার ও বিশ্বের অন্যতম ব্যয়বহুল ব্যক্তিগত গগনচুম্বী ভবনে বসবাস করেন।
{{/usCountry}}