...
...
Next Story

Rahul Death Row: অনুমতি ছিল না শ্যুটের, গাফিলতিই কাড়ল রাহুলকে! মৃত্যুর কারণ নিয়ে কী বলল চিকিৎসক

রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু প্রশ্নের মুখে ঢেলে দিয়েছে টলিউড ইন্ডাস্ট্রিকে। শ্যুটিং সেটে নিরাপত্তার অভাব, অব্যবস্থার ছবি আরও একবার স্পষ্ট। অকালে প্রাণ হারাতেন না অভিনেতা। আরেকটু সাবধান হলেই হয়তো, কোল খালি হত না কোনো মায়ের। বাবা হারা হত না সহজ, স্বামীকে হারাতেন না প্রিয়াঙ্কা!

Published on: Mar 30, 2026, 12:59:44 IST
Advertisement

রবিবারের মর্মান্তিক ঘটনায় শোকস্তব্ধ টলিউড। ভোলে বাবা পার করেগা নামে একটি সিরিয়ালের শ্যুট করতে গিয়ে, জলে ডুবে প্রয়াত হন রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে, রাহুলের মৃত্যু নিয়ে সিরিয়ালের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি একাধিক রকমের কথা বলেছেন। একপক্ষের দাবি, প্য়াকআপের পর ঘটনাটি ঘটে। আরেকপক্ষের দাবি, ড্রোন শটের সময় রাহুল জলে ডুবে যান। কেউ বলছেন, ডুবে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাহুলকে উদ্ধার করা হয়। তো কারও বয়ান অনুসারে, ২-৩ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয় রাহুলকে। এমনকী, সেটে যে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থাটুকু ছিল না তা স্পষ্ট। কারণ, প্রোডাকশনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির বয়ান অনুসারে, গাড়ি করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময়ও বেঁচে ছিলেন রাহুল। পথে যানজটের কারণে ১৫-২০ মিনট দেরি হয়। এখন প্রশ্ন, যদি সেটেই মেডিক্যাল ব্যবস্থা থাকত, তাহলে অকালে প্রাণ হারাতেন না অভিনেতা। কোল খালি হত না তাঁর মায়ের। বাবা হারা হত না সহজ, স্বামীকে হারাতেন না প্রিয়াঙ্কা!

রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু প্রশ্নের মুখে ঢেলে দিয়েছে টলিউড ইন্ডাস্ট্রির নিরাপত্তার ব্যবস্থাকে।
রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু প্রশ্নের মুখে ঢেলে দিয়েছে টলিউড ইন্ডাস্ট্রির নিরাপত্তার ব্যবস্থাকে।

তালসারি ও দীঘা পুলিশের যৌথ তদন্তে জানা গিয়েছে, বিকেল প্রায় সাড়ে পাঁচটা নাগাদ হাঁটু সমান জলে নাচের দৃশ্যের শ্যুটিং করছিলেন রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিনেত্রী শ্বেতা মিশ্র (ভোলে বাবা-র নায়িকা)। আচমকাই একটি গভীর গর্তে পড়ে যান তাঁরা। শ্বেতাকে সঙ্গে সঙ্গে তুলে ফেলা হয়। ঢেউয়ের ধাক্কায় রাহুল একটু এগিয়ে যান। তাঁকে উদ্ধার করলেও, অবস্থা সেইসময় গুরুতর ছিল। হাসপাতালে পৌঁছনোর পর চিকিৎসকরা রাহুলকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

তদন্তে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, শ্যুটিংয়ের জন্য কোনওরকম প্রশাসনিক অনুমতি নেওয়া হয়নি, এমনকি স্থানীয় থানাকেও বিষয়টি জানানো হয়নি। বর্তমানে তালসারি পুলিশ দিঘা পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে পুরো ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে।

এদিকে দীঘা হাসপাতালের ডাক্তার ডাক্তার হিমাদ্রি শেখর মণ্ডল সংবাদমাধ্যমকে জানান, ‘আমার কাছে যে রোগী এসেছেন, তিনি অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়, রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায় নামেই বেশি পরিচিত। তালসারি বিচে ডুবে মারা যাওয়ার কেসে, ওঁকে মৃত অবস্থায় আনা হয়। তারপর ওঁকে মর্গে রাখা হয়েছিল। তারপর বিস্তারিত জানার জন্য তমলুক মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হচ্ছে ময়নাদতন্দের জন্য। প্রাথমিকভাবে বোঝা যাচ্ছে জলে ডুবেই মৃত্যু। বাদবাকি তদন্তসাপেক্ষ।’

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe