...
...
Next Story

National Film Awards: জাতীয় পুরস্কারের রেড কার্পেটে সলমনের সংলাপে শোরগোল ফেলল 'অঙ্ক কী কঠিন'-এর দুই খুদে

National Film Awards: বড়রা পারেনি, কিন্তু কঠিন কাজ সহজেই করে দেখিয়েছে অঙ্ক কী কঠিনের তিন খুদে। মঙ্গলবার বিকালে জাতীয় পুরস্কার উঠতে তাঁদের হাত।

Published on: Sep 22, 2026, 16:18:44 IST
Advertisement

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের মঞ্চে এবার বাংলার ঝুলি অনেকটাই খালি। দক্ষিণী ও হিন্দি ছবির ভিড়ে এবার বাংলার প্রতিনিধি হিসাবে রয়েছে তিন খুদে- ঋদ্ধিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, তপোময় দেব এবং গীতশ্রী চক্রবর্তী।। মঙ্গলবার, গুজরাতের কেভাডিয়ায় (একতা নগর) আয়োজিত ৭২তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের মঞ্চে রাষ্ট্রপতির হাত থেকে সেরা শিশুশিল্পীর সম্মান গ্রহণ করবেন তাঁরা। সৌরভ পালোধি পরিচালিত অঙ্ক কী কঠিন ছবির জন্য এই সম্মান ছিনিয়ে নিয়েছে তাঁরা। নাম ঘোষণা হয়েছে আগেই, এদিন পুরস্কার গ্রহণের পালা।

জাতীয় পুরস্কারের রেড কার্পেটে সলমনের সংলাপে শোরগোল ফেলল 'অঙ্ক কী কঠিন'-এর ২ খুদে
জাতীয় পুরস্কারের রেড কার্পেটে সলমনের সংলাপে শোরগোল ফেলল 'অঙ্ক কী কঠিন'-এর ২ খুদে

পুরস্কারের রেড কার্পেটে ঋদ্ধিমান ও তপোময়ের দেখা মিলল একদম বাঙালি বাবুর বেশে। সুতোর কাজ করা পাঞ্জাবিতে ঝলমলে দুই খুদে। বলিউডের 'ভাইজান' সলমন খানের সুপারহিট সংলাপে মাতিয়ে দিলেন রেড কার্পেট! সেরা শিশু শিল্পী (Best Child Artist) হিসেবে জাতীয় পুরস্কার বিজয়ী এই দুই খুদে অভিনেতা রেড কার্পেটে ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতেই এক অন্য মেজাজে ধরা দেয়। সলমন খানের ব্লকবাস্টার ছবি 'ওয়ান্টেড'-এর আইকনিক সংলাপ— ‘এক বার যো মেঁইনে প্রতিশ্রুতি দি দি, তো উসকে বাদ তো মেঁই আপনে আপ কি ভি নহী সুনতা’ হুবহু রিক্রিয়েট করে শোরগোল ফেলে দেয় তারা!

তপোময় বলেন, ‘আমার এটা স্বপ্ন ছিল, আজ সেটা পূরণ হয়ে গেল।’ সুর মিলিয়ে ঋদ্ধিমান বলেন, ‘আমার তো এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না। আমি গর্বিত এই সম্মান পেয়ে। আমার পরিবারও খুব খুশি’। তপোময় নিজের ছবি থেকে সংলাপ শোনান। তবে ঋদ্ধিমান বললেন ভাইজানের হিট ডায়লগ। অভিনয়ের পাশাপাশি বড় হয়ে পাইলট হওয়ার স্বপ্ন দেখেন এই খুদে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks