কিছুদিন আগে খবর ছড়িয়েছিল যে, অভিনেতা সলমন খান বালুচিস্তানকে পাকিস্তান থেকে একটি পৃথক সত্তা হিসেবে উল্লেখ করার পর পাকিস্তান তাঁকে জঙ্গি ঘোষণা করেছে। এখন, পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক এই বিষয়ে ধোঁয়াশা পরিষ্কার করেছে। সলমন খানকে জঙ্গি তালিকায় রাখার খবরে নীরবতা ভাঙল পাক মন্ত্রক।

মন্ত্রকের অফিসিয়াল ফ্যাক্ট-চেকিং টিম টুইটারে (এখন এক্স) সলমনকে জঙ্গি নজরদারির তালিকায় রাখার খবরটি নিয়ে মুখ খোলে। টুইটটিতে একটি খবরের স্ক্রিনশট ছিল, যার শিরোনাম ছিল: ‘বালুচিস্তান মন্তব্যের পর সলমন খানকে জঙ্গি তালিকায় রাখল পাকিস্তান’। স্ক্রিনশটের উপর ‘ভুয়ো খবর / যাচাই করা হয়নি’ লেখা একটি স্ট্যাম্প ছিল। ওই পোস্টে খবরের রিপোর্টের উদ্ধৃতি দিয়ে দাবিটি তুলে ধরা হয়: ‘বালুচিস্তান সম্পর্কে মন্তব্য করার পর সলমন খানকে পাকিস্তানের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অধীনে ‘চতুর্থ তফসিলে’ রাখা হয়েছে এবং তাকে 'জঙ্গিদের সহায়তাকারী' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যদিও স্বরাষ্ট্র বিভাগের গেজেটে সলমন খানের চতুর্থ তফসিলে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে কোনও বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়নি। (সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত) এই তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা।’
ঠিক কী বলেছিলেন সলমন খান?
সম্প্রতি রিয়াধে গিয়ে এক অনুষ্ঠানে সলমন খান মন্তব্য করেন, ‘হিন্দি ছবি তৈরি করে সৌদি আরবে মুক্তি দিলে সেটা সফল হবেই হবে। এমনকী তামিল, তেলুগু, মালয়লি ছবিও ১০০ কোটি টাকার ব্যবসা করবেই। কারণ এখানে যেমন বালোচিস্তানের মানুষ থাকেন, আফগানিস্তানের মানুষ থাকেন, পাকিস্তানের মানুষ থাকেন। সকল দেশের মানুষ এখানে কাজ করছেন।’
{{/usCountry}}সম্প্রতি রিয়াধে গিয়ে এক অনুষ্ঠানে সলমন খান মন্তব্য করেন, ‘হিন্দি ছবি তৈরি করে সৌদি আরবে মুক্তি দিলে সেটা সফল হবেই হবে। এমনকী তামিল, তেলুগু, মালয়লি ছবিও ১০০ কোটি টাকার ব্যবসা করবেই। কারণ এখানে যেমন বালোচিস্তানের মানুষ থাকেন, আফগানিস্তানের মানুষ থাকেন, পাকিস্তানের মানুষ থাকেন। সকল দেশের মানুষ এখানে কাজ করছেন।’
{{/usCountry}}এদিকে, এই বিতর্কে সলমন খানের তরফে এখনো কোনো বিবৃতি মেলেনি। একদিকে তো প্রাণনাশের হুমকি ক্রমাগত পেয়ে চলেছেন তিনি লরেন্স বিষ্ণোইয়ের থেকে। তাঁর নিরাপত্তা একপ্রকার নিশ্ছিদ্র করা হয়েছে। তারই মাঝে নতুন বিপত্তিতে ভাইজান।