ভোট দিলেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী, সমাজকর্মী পিয়া চক্রবর্তী। আর হাতের আঙুলে নীল কালি লাগানো ছবি পোস্টও করলেন সোশ্যাল মিডিয়াতে। এবার মনে হতে পারে, এ তো ট্রেন্ড! তারকা থেকে সাধারণ মানুষ, সকলেই করছেন। তাহলে পিয়ার কথা আলাদাভাবে কেন?

বিশেষত্ব হল পিয়া-র ছবির ক্যাপশন। তিনি লিখেছেন, ‘এবারের ভোট তাদের জন্য যাদের এবার ভোট নেই!’ বুঝতে সমস্যা হয় না তাঁর নিশানা এসআইআর-এর দিকে। প্রায় ৯১ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে এবারে।
বরাবরই সামাজিক ইস্যু নিয়ে সরব পিয়া। তা সে বাংলার শাসক দল তৃণমূল হোক বা কেন্দ্রে থাকা বিজেপি, নির্যাতন থেকে দুর্নিতী নানা প্রশ্নে সরব হতে দেখা গিয়েছে। নিজের চিন্তাভাবনা তুলে ধরতে পিছু পা হননি কখনোই।
যদিও বাংলার ভোট আবহে পিয়া-র স্বামী পরমব্রত গলা চড়িয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে। বিজেপি বিরোধী ভাষণও দিয়েছেন অভিনেতা। এমনকী, প্রার্থী ঘোষণার আগে খবর ছিল যে, তিনি এবার ভোটেও দাঁড়াতে পারেন।
ভোটের প্রচারের অংশ হয়ে পরমব্রতকে বলতে শোনা যায়, এবারের লড়াই বাংলার এবং বাঙালির আত্মমর্যাদা ও আত্মসম্মানের লড়াই। অভিনেতা তাঁর ভাষণে বলেন, ‘২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন শুধুমাত্র একটি ভোট নয়—এটি বাংলার এবং বাঙালির আত্মসম্মান ও আত্মমর্যাদা রক্ষার লড়াই। এই লড়াইয়ে প্রত্যেক বাঙালির শামিল হওয়া জরুরি। যেসব রাজ্যে বারবার নারী নিগ্রহ ও মহিলাদের অপমানের ঘটনা ঘটে, সেখান থেকে বাইরের লোক এসে আমাদের পশ্চিমবঙ্গে—যে রাজ্য এখনও মহিলাদের জন্য নিরাপদ হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছে—সেখানে দাঁড়িয়ে মহিলাদের সুরক্ষা নিয়ে উপদেশ দেবে, আর আমরা তা নীরবে মেনে নেব—এটা হতে পারে না। তাই বলছি, এই বছরের নির্বাচন বাংলার আত্মমর্যাদা রক্ষার লড়াই, আমাদের সম্মানের লড়াই।’
{{/usCountry}}ভোটের প্রচারের অংশ হয়ে পরমব্রতকে বলতে শোনা যায়, এবারের লড়াই বাংলার এবং বাঙালির আত্মমর্যাদা ও আত্মসম্মানের লড়াই। অভিনেতা তাঁর ভাষণে বলেন, ‘২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন শুধুমাত্র একটি ভোট নয়—এটি বাংলার এবং বাঙালির আত্মসম্মান ও আত্মমর্যাদা রক্ষার লড়াই। এই লড়াইয়ে প্রত্যেক বাঙালির শামিল হওয়া জরুরি। যেসব রাজ্যে বারবার নারী নিগ্রহ ও মহিলাদের অপমানের ঘটনা ঘটে, সেখান থেকে বাইরের লোক এসে আমাদের পশ্চিমবঙ্গে—যে রাজ্য এখনও মহিলাদের জন্য নিরাপদ হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছে—সেখানে দাঁড়িয়ে মহিলাদের সুরক্ষা নিয়ে উপদেশ দেবে, আর আমরা তা নীরবে মেনে নেব—এটা হতে পারে না। তাই বলছি, এই বছরের নির্বাচন বাংলার আত্মমর্যাদা রক্ষার লড়াই, আমাদের সম্মানের লড়াই।’
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, পিয়া-পরমব্রত পুত্র নিষাদের মুখেভাতের অনুষ্ঠানেও দেকা গিয়েছিল মমতা বন্দ্যপাধ্যায়কে। সব মিলিয়ে ঘাসফুল দলের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত পিয়া-পরমব্রত দুজনেই। আর তাই অভিনেতা পত্নীর এই পোস্ট যেন, বিজেপি বিরোধিতাকেই উসকে দিল ফের।