বিতর্কের মধ্যমণি এখন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। যদিও সেসবে খুব একটা মাথা ঘামাতে রাজি নন অভিনেতা। আপাতত বেজায় ব্যস্ত তাঁর নতুন ছবি ‘আবার হাওয়া বদল’-এর প্রচারে। হাওয়া বদলের ১৩ বছর পর আসছে পরমব্রত-রাইমার জুটি বড় পর্দায়। ছবিতে রয়েছেন রুদ্রনীল ঘোষও। ১২ জুন ছবি মুক্তির কথা রয়েছে।

এরই মাঝে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে নিলেন অভিনেতা বৃহস্পতিবার রাতে। যেখানে দেখা গেল রাতের অন্দরমহল। গিটার বাজিয়ে গান ধরেছেন অভিনেতা। পরমব্রতর সংগীত প্রতিভার সঙ্গে বেশ ভালোই পরিচিত তাঁর ভক্ত, কাছের মানুষরা। এবারেও একইাভবে পরমব্রতর গান ছাপ ফেলল নেটপাড়ার মনে। তবে দেখা গেল কমেন্ট সেকশনে তাঁর গানের গলার যেমন প্রশংসা হল, তেমনই কেউ কেউ আবার তাঁকে পরামর্শ দিয়েছেন যাতে অভিনেতা নিজেকে ‘এভাবে বদলে’ না ফেলেন, আবার ‘আগের মতো’ হয়ে যান!
এক নেটিজেন লিখলেন, ‘নিজেকে আবার আগের সেই পরমব্রতর কাছে ফিরিয়ে আনুন মশাই... যাঁকে দেখে কলেজ জীবন থেকে এখনও পর্যন্ত বারবার প্রেমে পড়েছি।’ আরেকজন লিখলেন, ‘দুর্দান্ত দারুন অসাধারণ। এগিয়ে যাও পরম, অনেক দিন পর তোমার গান শুনলাম। এইভাবেই থেক, নিজেকে পালটে ফেলতে নেই, মনটাকে একটা জায়গায় রাখবে, তোমার সন্তান ও তোমায় দেখেই শিখবে, আর গাইবে নিষাদ নিজের সুরে এমনি করেই গান।’ আরেকজন আবার লিখলেন, ‘সেই আগের তুমি’।
বিগত কয়েকমাস ধরে বিতর্কের ঝোড়ো হাওয়া পরমব্রতকে ঘিরে রয়েছে। ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আগে থেকে অভিনেতার তৃণমূলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা সামনে আসতে থাকে। এমনকী, তাঁর ছেলের অন্নপ্রাসনে এসেছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে ভোটে না দাঁড়ালেও, তৃণূমূলের প্রচারমঞ্চে দেখা গিয়েছে পরমব্রতকে। এরপর ভোটের ফলাফল প্রকাশের পরই উল্টো সুর। বিজেপি ক্ষমতায় আসতে, টলিপাড়ার ভোলবদলের মিটিংয়ে সদ্য নির্বাচিত পদ্মফুল দলের বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষের পাশে বসে তিনি মুখ খোলেন টলিপাড়ার ‘মাথা’ তথা ফেডারেশন সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস এবং ফেডারেশনের একাধিপত্যের বিরুদ্ধে। অবশ্য এর আগে গুটিকয়েক মানুষের সঙ্গে যখন পরমব্রত প্রতিবাদ করেছিলেন, তখন তাঁকে অঘোষিতভাবে বয়কট করা হয়েছিল। তাই রুদ্রনীলের পাশে বসে একপ্রচার জলভরা চোখে পরমব্রত বলেছিলেন, ছেলে নিষাদের জন্মের পর ‘বাধ্য হয়ে’ ক্ষমা চেয়েছিলেন, কারণ দীর্ঘসময় তাঁর হাতে ছিল না কাজ।
{{/usCountry}}বিগত কয়েকমাস ধরে বিতর্কের ঝোড়ো হাওয়া পরমব্রতকে ঘিরে রয়েছে। ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আগে থেকে অভিনেতার তৃণমূলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা সামনে আসতে থাকে। এমনকী, তাঁর ছেলের অন্নপ্রাসনে এসেছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে ভোটে না দাঁড়ালেও, তৃণূমূলের প্রচারমঞ্চে দেখা গিয়েছে পরমব্রতকে। এরপর ভোটের ফলাফল প্রকাশের পরই উল্টো সুর। বিজেপি ক্ষমতায় আসতে, টলিপাড়ার ভোলবদলের মিটিংয়ে সদ্য নির্বাচিত পদ্মফুল দলের বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষের পাশে বসে তিনি মুখ খোলেন টলিপাড়ার ‘মাথা’ তথা ফেডারেশন সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস এবং ফেডারেশনের একাধিপত্যের বিরুদ্ধে। অবশ্য এর আগে গুটিকয়েক মানুষের সঙ্গে যখন পরমব্রত প্রতিবাদ করেছিলেন, তখন তাঁকে অঘোষিতভাবে বয়কট করা হয়েছিল। তাই রুদ্রনীলের পাশে বসে একপ্রচার জলভরা চোখে পরমব্রত বলেছিলেন, ছেলে নিষাদের জন্মের পর ‘বাধ্য হয়ে’ ক্ষমা চেয়েছিলেন, কারণ দীর্ঘসময় তাঁর হাতে ছিল না কাজ।
{{/usCountry}}তবে সেই ভিডিয়ো ভাইরাল হতে, উল্টো ট্রোল শুরু হয়। শুধু নেটপাড়া নয়, পরব্রতকে আক্রমণ করেন জয়জিৎ-শ্রীলেখার মতো তারকারাও। এমনকী সুযোগ বুঝে ‘দল বদল’ করতে চাইছেন বলেও দাবি উঠতে থাকে। এরইমাঝে আবার পরমব্রতর ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর করা ‘রগড়ানি দিবস’ টুইট ভাইরাল হয়। ভোট পরবর্তী হিংসায় উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে দায়ের হয় তাঁর নামে এফআইআর। তবে এতকিছুর মাঝেও অভিনেতা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন নেতিবাচকতা থেকে নিজেকে সরিয়ে কাজ ও পরিবারে মন দিতে।