পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় মাসখানেক আগেও পরিচিত ছিলেন তৃণমূল ঘনিষ্ঠ হিসেবে। তৎকালীন শাসকদলের হয়ে ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে করেছিলেন প্রচারও। এরপরই বিজেপির বিপুল ভোটে জয়ের পর সুর বদলান। রুদ্রনীল ঘোষের পাশে বসে ফেডারেশনের বিরুদ্ধে খোলেন মুখ। টলিপাড়ার ‘মাথা’ তথা ফেডারেশন সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাসকে নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দেন তিনি। জানান, ছেলের কথা মাথায় রেখে ক্ষমা চাইতে ‘বাধ্য’ হয়েছিলেন। যদিও তা নিয়ে, নেটপাড়র ট্রোলে পড়েন। একাংশের দাবি, ছেলের নাম নিয়ে তিনি নাকি ‘ভিক্টিম কার্ড’ খেলছেন।

তবে এহেন বিতর্কের রেশ যে ব্যক্তিগত জীবন থেকে দূরে রেখেছেন অভিনেতা ও তাঁর স্ত্রী পিয়া চক্রবর্তী, তা স্পষ্ট! বৃহস্পতিবার ছেলে নডির একটা মিষ্টি ছবি শেয়ার করলেন পিয়া। একেবারে চিনির গোলা। বড় বড় চোখ, একগাল হাসি। পরমপুত্রে মজল নেটপাড়া। পিয়ার শেয়ার করা ছবিতে নডির গায়ে সাদা রঙের গেঞ্জি সঙ্গে কালো প্যান্ট। একমাথা মোলায়েম চুল। নিজের মতো খেলায় ব্যস্ত সে!
দেখুন সেই ছবি-
প্রসঙ্গত, পরমব্রত ছেলের অন্নপ্রাশনে আর্শীবাদ দিতে ছুটে এসেছেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ছবি এখনো ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়াতে। সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরবিরুদ্ধে মুখ না খুললেও, শাসক দলের একাংশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়েছেন। বিশেষ করে বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে যেভাবে গ্রাস করেছিল রাজনীতির কালো ছাড়া।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ছেলের নাম নিয়ে ‘ভিক্টিম কার্ড’ খেলা প্রসঙ্গে পরমব্রতর চাঁচাছোলা জবাব, ‘আমি ভিক্টিম ছিলাম তো! সেই কারণে কার্ড প্লে করেছি। আবারও বলছি, ভিক্টিম থাকার সময়ে একবারও কেউ ফোন করে জানতে চায়নি কেমন আছি, কীভাবে সংসার চালাচ্ছি। সোশ্যাল মিডিয়ায় যাঁরা আছেন, তাঁরা অর্ধসত্যের ওপর ভিত্তি করে জাজমেন্টে পৌঁছান। তাঁদের থেকে আমার কোনও প্রত্যাশা নেই।’
{{/usCountry}}সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ছেলের নাম নিয়ে ‘ভিক্টিম কার্ড’ খেলা প্রসঙ্গে পরমব্রতর চাঁচাছোলা জবাব, ‘আমি ভিক্টিম ছিলাম তো! সেই কারণে কার্ড প্লে করেছি। আবারও বলছি, ভিক্টিম থাকার সময়ে একবারও কেউ ফোন করে জানতে চায়নি কেমন আছি, কীভাবে সংসার চালাচ্ছি। সোশ্যাল মিডিয়ায় যাঁরা আছেন, তাঁরা অর্ধসত্যের ওপর ভিত্তি করে জাজমেন্টে পৌঁছান। তাঁদের থেকে আমার কোনও প্রত্যাশা নেই।’
{{/usCountry}}বিতর্ক এখানেই থেমে নেই, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর সমাজমাধ্যমে বিতর্কিত ও উস্কানিমূলক পোস্ট করার অভিযোগে অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের নামে এফআইআর-ও দায়ের করা হয়েছে। এফআইআর খারিজের আবেদন নিয়েই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন পরমব্রত। সেই মামলায় শর্তসাপেক্ষে রক্ষাকবজ পেয়েছেন অভিনেতা। বিচারপতি জানিয়েছেন, গড়িয়াহাট থানায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত চলবে। সেই তদন্তে পরমব্রতকে সবরকম সহযোগিতা করতে হবে।