আপাতত গোটা দেশ জুড়ে মুখে মুখে একটাই নাম ঘুরছে-- সোনম ওয়াংচুক। যিনি লাদাখের একজন বিখ্যাত প্রকৌশলী, উদ্ভাবক, শিক্ষাবিদ এবং পরিবেশ আন্দোলনকর্মী। আপাতত দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কার এবং নিট (NEET) পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে ২১ দিন ধরে অনশন করে চলেছেন। যদিও শনিবার সকালেই দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে সোনম ওয়াংচুককে উঠিয়ে নিয়ে যায় দিল্লি পুলিশ। আপাতত তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে দিল্লির সরকারি সফদরজং হাসপাতালে। যদিও সেখানে বসেই অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

এরই মাঝে পরমা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি পোস্ট ভাইরাল। শনিবার রাতের দিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় পরমা লিখলেন, ‘আশা করি হাসপাতালের দেওয়ালের মধ্যে সোনম ওয়াংচুক নিরাপদ থাকবেন। আশা করি ওঁরা ওকে খুন করে দেবে না। আপনার সুরক্ষা ও লম্বা জীবনের জন্য প্রার্থনা করছি।’
যদিও দেখা গেল পরমা-র পোস্টে তাঁকেই পালটা কটাক্ষ করেছেন বিজেপি সমর্থকরা। এজন লেখেন, ‘তা হবে না। কারণ তিনি যদি হাসপাতালে বা হাসপাতালের বাইরে মারা যান, যেহেতু তিনি টানা বিশ দিনেরও বেশি সময় ধরে অনশন করছেন, তাহলে তার দায় কেন্দ্রীয় সরকারের ওপরই বর্তাবে। কোনও সরকারই এমন ঝুঁকি নিতে চাইবে না, কোনও না কোনওভাবে পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করবেই। তবে এখনও পর্যন্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বা সরকার—কেউই তাঁর শারীরিক অবস্থা বা চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনও মেডিক্যাল বুলেটিন প্রকাশ করেনি।’
আরেকটি কমেন্টে লেখা হয়, ‘ম্যাম, এত বেশি ভাববেন না। একদিন দেখবেন, আপনার শাড়ির ব্যবসাটাও ওরা দখল করে নিয়েছে—এমন অভিযোগও করবেন! চিন্তা করবেন না, ওরা ওঁর সঙ্গে ঠিক সেইভাবেই ব্যবহার করবে, যেভাবে আপনার কিছু ভক্ত আপনার অতিরিক্ত দামের পণ্য কিনে ফেলে।’ তৃতীয়জন লেখেন, ‘না, সরকার তাঁকে মরতে দেবে না। কিন্তু বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো চাইছে, তাঁর মৃত্যু হোক।’
জাতীয় স্তরের পরীক্ষা (NEET-UG)-র প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং শিক্ষা ব্যবস্থার অনিয়মের প্রতিবাদে যুব সমাজ দ্বারা গঠিত ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র সমর্থনে গত ২৮ জুন থেকে তিনি আমরণ অনশনে বসেছিলেন সোনম ওয়াংচুক। অনশনের ২১তম দিনে (১৮ জুলাই, ২০২৬) দিল্লি পুলিশ যন্তর মন্তরের ধর্নামঞ্চ সাদা কাপড় দিয়ে ঘিরে ফেলে এবং সোনম ওয়াংচুককে জোর করে তুলে নিয়ে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করে। যদিও ৫৯ বছর বয়সী এই পরিবেশকর্মী ও শিক্ষাবিদ হাসপাতালে গিয়েও অনশন ভাঙতে রাজি হননি এবং কোনো প্রকার স্যালাইন বা ওষুধ নিচ্ছেন না। সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি জে আংমো অভিযোগ করেছেন যে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁর স্বামীর শারীরিক অবস্থা নিয়ে তথ্য গোপন করছে এবং তাঁকে বেআইনিভাবে আটকে রাখা হয়েছে। সঙ্গে সোনমকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের জন্য দিল্লি হাইকোর্টে জরুরি আবেদন জানিয়েছেন। হাসপাতাল থেকেই সোনম ওয়াংচুক দেশবাসীর উদ্দেশ্যে চিঠি লিখে ২০ জুলাইয়ের সংসদ ভবন অভিযান সফল করার ডাক দিয়েছেন এবং এটিকে ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলন’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
{{/usCountry}}জাতীয় স্তরের পরীক্ষা (NEET-UG)-র প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং শিক্ষা ব্যবস্থার অনিয়মের প্রতিবাদে যুব সমাজ দ্বারা গঠিত ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র সমর্থনে গত ২৮ জুন থেকে তিনি আমরণ অনশনে বসেছিলেন সোনম ওয়াংচুক। অনশনের ২১তম দিনে (১৮ জুলাই, ২০২৬) দিল্লি পুলিশ যন্তর মন্তরের ধর্নামঞ্চ সাদা কাপড় দিয়ে ঘিরে ফেলে এবং সোনম ওয়াংচুককে জোর করে তুলে নিয়ে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করে। যদিও ৫৯ বছর বয়সী এই পরিবেশকর্মী ও শিক্ষাবিদ হাসপাতালে গিয়েও অনশন ভাঙতে রাজি হননি এবং কোনো প্রকার স্যালাইন বা ওষুধ নিচ্ছেন না। সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি জে আংমো অভিযোগ করেছেন যে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁর স্বামীর শারীরিক অবস্থা নিয়ে তথ্য গোপন করছে এবং তাঁকে বেআইনিভাবে আটকে রাখা হয়েছে। সঙ্গে সোনমকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের জন্য দিল্লি হাইকোর্টে জরুরি আবেদন জানিয়েছেন। হাসপাতাল থেকেই সোনম ওয়াংচুক দেশবাসীর উদ্দেশ্যে চিঠি লিখে ২০ জুলাইয়ের সংসদ ভবন অভিযান সফল করার ডাক দিয়েছেন এবং এটিকে ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলন’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
{{/usCountry}}