বাংলা টেলিভিশনের পর্দায় সান বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় গেম শো ‘লাখ টাকার লক্ষ্মী লাভ’। অল্পসময়েই দর্শক মনে জায়গা করে নিয়েছে এই শো। সাধারণ মহিলাদের অদম্য সংগ্রাম, ত্যাগ আর জয়ের স্বপ্ন পূরণের এই বিশেষ মঞ্চে বড় বদল ঘটতে চলেছে। এই শো-এর প্রাণভ্রমরা সুদীপ্তা চক্রবর্তী আগেই জানিয়েছিলেন তিনি বিরতি চান। সেইমতো সঞ্চালকের রদবদল! প্রথম দুটি মরসুমে অত্যন্ত সফলভাবে দায়িত্ব সামলানোর পর সুদীপ্তা, এবার তাঁর থেকে ব্যাটন নিজের হাতে তুলে নিচ্ছেন টেলি-পাড়ার ভীষণ জনপ্রিয় ও মিষ্টি অভিনেত্রী পায়েল দে।

সুদীপ্তার ভালোবাসা ও পায়েলের ঘরে ফেরা
ব্যস্ত শুটিং শিডিউলের দরুন এই শো থেকে সাময়িক বিরতি নিতে হয়েছে সুদীপ্তা চক্রবর্তীকে। তবে নতুন সিজনের সাফল্য কামনা করে তিনি জানান, সাধারণ মহিলাদের আবেগ, হাসি-কান্না ও সাফল্যের চরম মুহূর্তগুলোর সাক্ষী থাকা তাঁর জীবনের এক অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা। নিজের সমস্ত ভালোলাগা উজাড় করে দিয়ে সঞ্চালনার এই দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন পায়েলের হাতে।
অন্যদিকে, সান বাংলায় এর আগে 'কোন সে আলোর স্বপ্ন নিয়ে' ধারাবাহিকে কাজ করার পর পায়েলের জন্য এটি একপ্রকার নিজের ঘরে ফেরা। অভিনেত্রী নিজের কেরিয়ারে প্রথমবারের মতো রিয়্যালিটি শো সঞ্চালনার এই নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে বেজায় আনন্দিত। পায়েলের স্পষ্ট কথা, মঞ্চে এসে যখন লড়াকু মহিলাদের এই কষ্টের গল্পগুলো শোনেন, তখন নিজের জীবন ও নানা সমস্যাগুলোকে অনেক ছোট মনে হয়। এই অসাধারণ নারীদের পাশে দাঁড়াতে পারা ও ওনাদের জয়ের সফরের সঙ্গী হতে পারা তাঁর কাছে অত্যন্ত সম্মানের।
নতুন ধামাকা, নতুন চমক
{{/usCountry}}নতুন ধামাকা, নতুন চমক
{{/usCountry}}দর্শকদের উপচে পড়া ভালোবাসা ও চাহিদার কথা মাথায় রেখে এবার 'লাখ টাকার লক্ষ্মী লাভ'-এর খেলায় আনা হয়েছে বিরাট কিছু পরিবর্তন:
৯০ মিনিটের মেগা পর্ব: আগের চেয়ে শোর ব্যাপ্তি বাড়িয়ে এখন প্রতিদিন টানা ৯০ মিনিট করা হয়েছে। প্রতিটি পর্বে তিন জনের বদলে এখন থেকে চার জন করে লড়াকু প্রতিযোগী অংশ নেবেন। খেলায় বাড়তি উত্তেজনা ছড়াতে যুক্ত করা হয়েছে 'টাকার গদি', 'টাকার খনি' এবং 'বল ফেলতে টাকা কুলো'-র মতো বেশ কিছু জমাটি ও চমকপ্রদ রাউন্ড।
'লক্ষ্মী ব্যাঙ্ক'-এর বিশেষ সামাজিক উদ্যোগ
স্রেফ বিনোদন প্রদান নয়, নারীদের স্বাবলম্বী করে তোলার সামাজিক দায়িত্বও শুরু থেকেই পালন করে আসছে এই শো। বিগত বছরের মতো এবারও 'লক্ষ্মী ব্যাঙ্ক'-এর মাধ্যমে যোগ্য ও দুস্থ প্রতিযোগীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে বিশেষ অর্থসাহায্য, যা ওনাদের বাস্তব জীবনে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করবে। আগামী ৩০ অগস্ট থেকে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টায় সাধারণ গৃহিণীদের এই স্বপ্নপূরণের নতুন গল্প দেখতে তৈরি টেলি-পাড়ার দর্শকরা!