কন্নড় সুপারস্টার যশ (Yash) অভিনীত এবং গীতু মোহনদাস পরিচালিত বহুল প্রতীক্ষিত পিরিয়ড গ্যাংস্টার ছবি ‘টক্সিক’ (Toxic)-এর নতুন ঝলক ‘লেডিস অ্যান্ড লেডিস’ মুক্তি পেতেই তা নিয়ে নেটপাড়ায় তুমুল শোরগোল পড়ে গিয়েছে। টিজারে নয়নতারা, কিয়ারা আডবাণী, হুমা কুরেশি, তারা সুতারিয়া এবং রুক্মিণী বসন্তের মতো একঝাঁক অভিনেত্রীদের লুক সামনে আনা হলেও, তা প্রশংসার চেয়ে বেশি চর্চায় এসেছে নেতিবাচক কারণে।

টিজারে থাকা কিছু অত্যন্ত খোলামেলা ও গ্রাফিক যৌন দৃশ্য এবং পুরুষাঙ্গ সংক্রান্ত কিছু দ্ব্যর্থবোধক সংলাপ দেখে চমকে উঠেছেন দর্শকদের একাংশ। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হতেই এবার মুখ খুললেন ছবিতে একটি বিশেষ চরিত্রে থাকা ব্রিটিশ অভিনেতা বেনেডিক্ট গ্যারেট।
‘যৌনতা নিয়ে মানুষের সমস্যা বেশি’— বিস্ফোরক বেনেডিক্ট
সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে একটি ‘আস্ক মি অ্যানিথিং’ (AMA) সেশনের আয়োজন করেছিলেন বেনেডিক্ট। সেখানে এক অনুরাগী তাঁকে প্রশ্ন করেন, ‘টক্সিক ছবির লেডিস অ্যান্ড লেডিস টিজারটি নিয়ে মানুষ এত ঘৃণা বা নেতিবাচক মন্তব্য কেন করছে?’
এর জবাবে নেটনাগরিকদের দ্বিচারিতাকে কাঠগড়ায় তুলে বেনেডিক্ট বলেন, ‘আমার কোনও ধারণাই নেই (কেন মানুষ এত ঘৃণা ছড়াচ্ছে)। আমি শুধু এটাই ধরে নিতে পারি যে, পর্দায় হিংসা বা মারপিট দেখার চেয়ে মানুষের যৌনতা-সম্পর্কিত কনটেন্ট দেখতে বেশি সমস্যা হয়। যা আমার মতে পুরোপুরি একটা নোংরা বা বিকৃত মানসিকতা। হিংসাত্মক পৃথিবীর চেয়ে আমি যেকোনো দিন যৌনতায় ভরা সুন্দর একটা পৃথিবীকে বেছে নেব।’
কী আছে ‘টক্সিক’-এর বিতর্কিত টিজারে?
{{/usCountry}}কী আছে ‘টক্সিক’-এর বিতর্কিত টিজারে?
{{/usCountry}}টিজারের ঝলকে নয়নতারাকে একটি বাইক চালাতে দেখা গিয়েছে এবং কিয়ারা আদভানিকে একজন নৃত্যশিল্পীর ভূমিকায় ইঙ্গিত করা হয়েছে। এছাড়া রুক্মিণী, তারা এবং হুমা কুরেশিকে কোনও বড় ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকতে দেখা যায়। টিজারের মূল আকর্ষন ছিল যশের একটি সংলাপ, যেখানে তিনি অভিনেত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “লেডিস অ্যান্ড লেডিস। তোমরা কি একজন একজন করে আসবে? নাকি সবাই একসাথে?” তবে বিতর্কের সূত্রপাত হয় টিজারের শেষের একটি ভয়েসওভার নিয়ে, যেখানে বলা হয়— ‘কিন্তু টুইস্টটা এখানেই, লেডিস। পুরুষ এবং তাদের পুরুষাঙ্গের সেই অনুমেয় চোখ ধাঁধানো প্রদর্শনীটা ভুলে যেও না!’ এই ধরণের সংলাপ ও দৃশ্যই মূলত রক্ষণশীল দর্শকদের চটিয়েছে।
বারবার পিছিয়েছে ‘টক্সিক’-এর মুক্তি
বড় বাজেটের এই ছবিটি কন্নড় ও ইংরেজি ভাষায় একসাথে শ্যুট করা হয়েছে এবং হিন্দি সহ বাকি দক্ষিণ ভারতীয় ভাষাগুলোতে ডাব করা হবে। ছবিতে যশকে দ্বৈত চরিত্রে দেখা যাবে। ২০১৫ সালে ছবির শ্যুটিং শেষ হলেও বিভিন্ন কারণে এর মুক্তির তারিখ বারবার পিছিয়েছে।