বিয়ের পর থেকে সময়টা মোটে ভালো যাচ্ছে না কৌশাম্বির। একের পর এক শোক ঘিরে ধরছে তাঁকে। গত বছরই বিয়ের পরপর মা-কে হারান নায়িকা। মা চলে যাওয়ার পর বছর ঘুরেছে তবে মনের ঘা এখনও দগদগে। সময় সব কিছুকে ভুলিয়ে দেয়। ক্ষতে প্রলেপ ফেলে। কিন্তু কাছের মানুষকে হারালে সেই শোক-যন্ত্রণা কাটিয়ে ওঠা খুবই কঠিন। মা-কে হারানোর কয়েক মাস পড়ে এবার ফের প্রিয়জনকে হারালেন আদৃত-প্রিয়া।

প্রয়াত হয়েছেন কৌশাম্বির দিদিমা। বৃহস্পতিবার দুপুরে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই খবর ভাগ করে নিয়েছেন কৌশাম্বি। লিখেছেন, ‘না, ফেরার দেশে ভালো থেকো দিদা’। কৌশাম্বির পোস্ট থেকে জানা যায়, বুধবার মৃত্য়ু হয়েছে অভিনেত্রীর দিদার। তাঁর একটি ছবিও পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী। বইয়ে মুখ গুঁজে রয়েছেন বয়স্ক দিদিমা। বোঝাই যায়, তাঁর বই পড়বার নেশা ছিল।
কৌশাম্বির পোস্টের কমেন্ট বক্সে জোর হাতের ইমোজি যোগ করেছেন তাঁর শাশুড়ি মা, মৌসুমী দেবী। কৌশাম্বির দিদিমার আত্মার শান্তি কামনা করছেন অনুরাগীরা। মিঠাইয়ের পর জি বাংলার ফুলকি ধারাবাহিকের পারোমিতা হিসাবে নজর কেড়েছিলেন কৌশাম্বি। পাশাপাশি গৃহপ্রবেশ ধারাবাহিকে নেতিবাচক চরিত্রে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। চরিত্রের নাম মোহনা।
মায়ের মৃত্যু আরও দায়িত্বশীল করে তুলেছে কৌশাম্বিকে। শ্যুটিং, শ্বশুরবাড়ি সামলে সময় পেলেই ছোটেন বাবার কাছে। মায়ের মৃত্যুর তাঁকে আরও ম্যাচিওর করেছে। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন, ‘মায়ের হাত ধরেই প্রথম আমার স্টুডিয়োয় আসা। সেখানে আজ পৃথিবীতে সেই মানুষটাই নেই। কাছের মানুষকে হারিয়ে আমি উপলব্ধি করেছি এটা সত্যিই যে যাই ঘটুক না কেন জীবনে সেই এগিয়ে যেতেই হয়। সময়ের সঙ্গে জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়। মায়ের জোরেই আমি হয়তো এই ঘটনার ৫ দিনের মাথায় স্টুডিয়োয় শুটিংয়ে ফিরি’।
ওদিকে মিত্তির বাড়ি শেষ হওয়ার পর এখনও নতুন কোনও কাজে হাত দেননি আদৃত। তাঁর কামব্যাকের অপেক্ষায় ভক্তরা। এমনিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিশেষ পাত্তা পাওয়া যায় না আদৃতের। তবে বুধবার ছিল তাঁর বেস্ট ফ্রেন্ড তথা ব্যান্ড মেম্বার আর্যেশ রায়ের জন্মদিন। তাঁকে আদুরে শুভেচ্ছা জানান নায়ক। পাশাপাশি আর্যেশের ঘরোয়া বার্থ ডে সেলিব্রেশনেও সামিল হয়েছিলেন তিনি। দিদার মৃত্যুশোকে কাতর কৌশাম্বি অবশ্য সেই অনুষ্ঠানের অংশ হননি।