অভিনেত্রী পূজা বেদী এবং আমির খান 'জো জিতা ওহি সিকান্দর' ছবিতে একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন। ছবিটির শুটিং চলাকালীন গুজব ছড়িয়েছিল যে আমির খান এবং পূজা বেদী একে অপরের প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন। এতদিন পর পূজা বেদী সেই গুজবের জবাব দিয়েছেন। সঙ্গে জানিয়েছেন যে, আমির খানের সঙ্গে একটি অন্তরঙ্গ দৃশ্যের সময় তিনি ভীষণই নার্ভাস এবং ভীত হয়ে পড়েছিলেন।
আমির এবং পূজা কি একে অপরের প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন?

আমির খানের প্রতি তার আকর্ষণের গুজব প্রসঙ্গে পূজা বেদী ভিকি লালওয়ানিকে বলেন, ‘আপনি নিশ্চয়ই মজা করছেন।’ এরপর তিনিও হেসে ফেলেন। 'জো জিতা ওহি সিকান্দর' ১৯৯২ সালে মুক্তি পায় এবং এটি পরিচালনা করেন মনসুর খান। 'জো জিতা ওহি সিকান্দর' এখনও বলিউডের অন্যতম সেরা রোমান্টিক সিনেমা হিসেবে বিবেচিত হয়।
অন্তরঙ্গ দৃশ্যের পর আমির খান এবং পূজা নীরব ছিলেন
একই কথোপকথনে পূজা জানান, কীভাবে তিনি ও আমির একটি ছবির জন্য অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিং করেছিলেন। তবে, দৃশ্যটি পরে ছবিতে রাখা হয়নি। পূজা জানান যে দৃশ্যটির শুটিং করার পরেও তিনি খুব নার্ভাস ছিলেন। দুই অভিনেতার মধ্যে একটি অস্বস্তিকর নীরবতা বিরাজ করছিল।
কী হয়েছিল রোম্যান্টিক দৃশ্যের শ্যুট শেষের পর?
পূজা যে ছবিটির কথা বলছিলেন, তার নাম 'আতঙ্ক হি আতঙ্ক'। ছবিটিতে পূজার একটি ক্যামিও ছিল। তিনি ব্যাখ্যা করেন যে তাঁরা দু'জন (পূজা এবং আমির খান) একটি অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিং করেছিলেন। তবে, সেই দৃশ্যটি কখনও ছবির অংশ হয়নি। অভিনেত্রী জানান যে, মুম্বইয়ের ফিল্ম সিটির কাছে একটি বাংলোতে এটি শ্যুট করা হয়েছিল। সেই সময়কার পরিবেশ আজকের মতো ছিল না, যেখানে অভিনেতারা দৃশ্যের পর তাদের ভ্যানিটিতে চলে যান। তখনকার ব্যবস্থাটা বেশ ভিন্ন ছিল। পূজা ব্যাখ্যা করেন যে, অন্তরঙ্গ দৃশ্যের পর, তাঁদের একটি বিছানা-সহ একটি ঘরে অপেক্ষা করতে বলা হয়েছিল। অল্পবয়সী পূজা ওই পরিস্থিতিতে খুব ঘাবড়ে গিয়েছিলেন।
পূজা জানান যে, তাঁর মাথায় হাজারো চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছিল সেই সময়। বলিউড সম্পর্কে যা শুনেছিলেন, এই দৃশ্য সিনেমায় দেখা গেলে এরপর কী হবে তা, নিয়ে তিনি চিন্তিত ছিলেন। দরজা বন্ধ ছিল এবং তাঁরা দুজনেই চুপচাপ বসেছিলেন। অভিনেত্রী জানান, অবশেষে দুজনের মধ্যকার নীরবতা ভাঙেন আমির খান। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পূজাকে প্রশ্ন করেন, তিনি দাবা খেলতে চান কি না। পূজা সঙ্গে সঙ্গে দাবা খেলতে রাজি হয়ে যান এবং ঘরে একটি দাবার বোর্ড আনান।
{{/usCountry}}পূজা জানান যে, তাঁর মাথায় হাজারো চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছিল সেই সময়। বলিউড সম্পর্কে যা শুনেছিলেন, এই দৃশ্য সিনেমায় দেখা গেলে এরপর কী হবে তা, নিয়ে তিনি চিন্তিত ছিলেন। দরজা বন্ধ ছিল এবং তাঁরা দুজনেই চুপচাপ বসেছিলেন। অভিনেত্রী জানান, অবশেষে দুজনের মধ্যকার নীরবতা ভাঙেন আমির খান। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পূজাকে প্রশ্ন করেন, তিনি দাবা খেলতে চান কি না। পূজা সঙ্গে সঙ্গে দাবা খেলতে রাজি হয়ে যান এবং ঘরে একটি দাবার বোর্ড আনান।
{{/usCountry}}