...
...
Next Story

‘ভগবান ধ্বংস করবে…’! ওশোর মালা ছিঁড়ে কোমোডে ফ্লাশ, হুমকি দেওয়া হয় মহেশ ভাটকে

মহেশ ভাট এক সময় ওশোর ভক্ত ছিলেন এবং তারপরে তিনি তাঁর সঙ্গে ঝগড়া করে পালিয়ে যান। তিনি ওশোর মালা ছিঁড়ে ফেলে সেটিকে ফ্লাশ করেছিলেন। পূজা ভাট বলেছিলেন যে কীভাবে তার পরিবারের সদস্যদের সেই সময় ভয় দেখানো হয়েছিল।

Published on: Jul 8, 2026, 21:30:50 IST
Advertisement

অভিনেত্রী পূজা ভাট সম্প্রতি এক পডকাস্টে বাবা মহেশ ভাটের জীবনের এমন একটি অধ্যায়ের কথা তুলে ধরেছেন, যা দীর্ঘদিন ধরেই বলিউডে আলোচনার বিষয়। তাঁর দাবি, একসময় ওশো রজনীশের একনিষ্ঠ অনুসারী ছিলেন মহেশ ভাট। কিন্তু পরে মতবিরোধের জেরে তিনি প্রকাশ্যেই ওশোর মালা খুলে টয়লেটে ফ্লাশ করে দেন। সেই ঘটনার পরই তাঁদের পরিবারকে ভয় ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়তে হয়েছিল।

মহেশ ভাট।
মহেশ ভাট।

সাইরাস ব্রোচার পডকাস্টে পূজা জানান, তাঁর বাবা ওশোর অনুসারীদের দলে ছিলেন। কিন্তু একসময় সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়। তিনি বলেন, মহেশ ভাট গলা থেকে ওশোর মালা খুলে টয়লেটে ফ্লাশ করেছিলেন। এরপর তাঁকে আশ্রম থেকে কার্যত বহিষ্কার করা হয়। সেই সময় অভিনেতা বিনোদ খান্নার পক্ষ থেকে তাঁর মায়ের কাছে বার্তা এসেছিল যে, ‘ভগবান (ওশো) খুব রেগে আছেন, তিনি মহেশকে ধ্বংস করে দেবেন।’

পূজার কথায়, সেই ঘটনার পর পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল যে, ছোটবেলায় তাঁদের গভীর রাতে পুনের একটি নিরাপদ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি আরও বলেন, ওশো চাইতেন না কেউ তাঁকে ছেড়ে চলে যাক। তাঁর মতে, এই মানসিকতার শিকার হয়েছিলেন ওশোর ঘনিষ্ঠ সহযোগী মা শীলাও।

পডকাস্টে পূজা ওশোর আশ্রমে কাটানো কিছু অভিজ্ঞতার কথাও শোনান। তিনি জানান, ছোটবেলায় তিনি ওশোর পায়ে প্রণাম করেছিলেন। তবে আশ্রমে সুগন্ধি বা শ্যাম্পু ব্যবহার করায় নিরুৎসাহিত করা হতো। কারণ, সেখানে বিশ্বাস করা হতো যে, কৃত্রিম সুগন্ধ মানুষের 'অরা'-কে প্রভাবিত করে।

উল্লেখ্য, ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৭ সালের মধ্যে একাধিক ছবি ব্যর্থ হওয়ার পর মহেশ ভাট পুনের ওশো আশ্রমে যোগ দেন। সেখানে দীর্ঘ সময় কাটানোর পাশাপাশি তিনি নিয়মিত ধ্যান করতেন এবং আশ্রমের জীবনযাপনও অনুসরণ করেছিলেন। পরে অবশ্য সেই অধ্যায়ের ইতি টেনে তিনি চলচ্চিত্র জগতেই নিজের নতুন পথ তৈরি করেন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe