দিল্লির যন্তর মন্তরে নিট-ইউজি (NEET-UG) পরীক্ষা বিতর্ক ও শিক্ষা ব্যবস্থার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র ‘সংসদ চলো’ অভিযানকে কেন্দ্র করে রাজপথ রক্তাক্ত। পুলিশি লাঠিচার্জ এবং কাঁদানে গ্যাসের হামলায় বহু ছাত্র-ছাত্রী আহত হয়েছেন। একদিকে যখন বলিউডে অনুরাগ কাশ্যপ, শাবানা আজমিরা সরব হয়েছেন, ঠিক তখনই এই ঘটনার প্রতিবাদে সরব হলেন টলিউড তথা ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী স্বস্তিকা দত্ত (Swastika Dutta)।

টেলিভিশন কিংবা টলিউডের প্রথম সারির তারকাদের বড় একটি অংশ যখন এই 'পুলিশি বর্বরতা' নিয়ে রহস্যজনক নীরবতা বজায় রেখেছেন, তখন চুপ থাকতে পারেননি ‘প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জি’ খ্যাত এই অভিনেত্রী। বামমনস্ক হিসেবে পরিচিত স্বস্তিকা সোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি ছবি পোস্ট করে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।
‘কাল আরও মার, তাই না?’— স্বস্তিকার কড়া বার্তা
দিল্লির রাজপথে ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের রক্তে রাঙানো ছবি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে শেয়ার করেন স্বস্তিকা। ক্ষোভ, দুঃখ ও ব্যঙ্গে ভরা কণ্ঠে ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘কাল আরও মার, তাই না?’
এই সামান্য কয়েকটি শব্দের মাধ্যমেই তিনি শাসনব্যবস্থার এই দমনপীড়নের নীতিকে চরম কটাক্ষ করেছেন। স্বস্তিকার এই পোস্টটি মুহূর্তে নেটপাড়ায় ছড়িয়ে পড়ে এবং সচেতন নাগরিকদের একটা বড় অংশ তাঁর এই প্রতিবাদী রূপকে সমর্থন জানিয়েছেন।
ছোটপর্দা থেকে টলিউডের নীরবতা ও ব্যতিক্রমী স্বস্তিকা
দিল্লির এই ছাত্র আন্দোলন ও পুলিশি আক্রমণের পর সামাজিক মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ তুঙ্গে উঠলেও টলিউড তথা বাংলা বিনোদন জগতের সিংহভাগ তারকাই এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া দেননি। ছোটপর্দার জনপ্রিয় মুখদের মধ্যেও কাউকে সেভাবে মুখ খুলতে দেখা যায়নি।
তবে স্পষ্টবাদী হিসেবে পরিচিত স্বস্তিকা দত্ত বরাবরই সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুতে নিজের মতামত প্রকাশে পিছু হঠেন না। পর্দায় যাঁর সাম্প্রতিক পরিচিতি ‘প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জি’ হিসেবে, বাস্তব জীবনেও শিক্ষাঙ্গনের এই অনাচার ও ছাত্রদের ওপর হামলার বিরুদ্ধে শিক্ষকের মতোই সোচ্চার হলেন তিনি।
{{/usCountry}}তবে স্পষ্টবাদী হিসেবে পরিচিত স্বস্তিকা দত্ত বরাবরই সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুতে নিজের মতামত প্রকাশে পিছু হঠেন না। পর্দায় যাঁর সাম্প্রতিক পরিচিতি ‘প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জি’ হিসেবে, বাস্তব জীবনেও শিক্ষাঙ্গনের এই অনাচার ও ছাত্রদের ওপর হামলার বিরুদ্ধে শিক্ষকের মতোই সোচ্চার হলেন তিনি।
{{/usCountry}}উত্তাল দিল্লি ও অব্যাহত প্রতিবাদ
উল্লেখ্য, সোমবারে দিল্লির রাজপথে ঘটে যাওয়া এই সংঘর্ষের পর মঙ্গলবারও পরিস্থিতি থমথমে। তবে পুলিশি লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস কিংবা গ্রেপ্তারির ভয় দেখিয়ে আন্দোলনকারীদের দমানো যায়নি। সিজেপি (CJP) প্রতিনিধিরা ইতিমধ্যেই কেন্দ্রকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ এবং নিহত পরীক্ষার্থীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ না দেওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন আরও তীব্র হবে।