গোটা বাঙালি জাতির জন্য এই মুহূর্তে সবথেকে বড় খবর হল, পদ্মশ্রী পুরস্কার পাচ্ছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। ভারতীয় চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের জন্য দেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান পেতে চলেছেন তিনি।
গোটা বাঙালি জাতির জন্য এই মুহূর্তে সবথেকে বড় খবর হল, পদ্মশ্রী পুরস্কার পাচ্ছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। ভারতীয় চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের জন্য দেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান পেতে চলেছেন তিনি। ২০২৬ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে দিল্লির কেন্দ্রীয় মন্ত্রক থেকে এই বিশেষ ঘোষণা করা হয়। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের নাম ঘোষণা করার পরেই খুব স্বাভাবিকভাবেই খুশির হাওয়া খেলে গিয়েছে চলচ্চিত্র জগতের অন্দরে।
পদ্মশ্রী পুরস্কার পাওয়ার ঘোষণা হওয়ার পরেই সবার আগে যে মানুষটিকে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় স্মরণ করলেন তিনি হলেন পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষ। কমার্শিয়াল ছবির বাইরে আর্ট ফিল্মের জগতে এই পরিচালকের হাত ধরেই প্রবেশ করেছিলেন বুম্বাদা। দর্শকরা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে চিনেছিলেন একেবারে অন্যরকম ভাবে।
এই বিশেষ দিনে পরিচালককে স্মরণ করে সংবাদ প্রতিদিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘একজনকে আজ খুব মনে পড়ছে। আমি আমার জীবনে নতুন অধ্যায় শুরু করেছি গত ১৫ বছর ধরে। নতুন প্রসেনজিৎকে মানুষ পেয়েছেন। যে মানুষটা বুঝিয়েছিলেন যে আমিও পারি সেই মানুষটা আর কেউ নন আমার বন্ধু ঋতুপর্ণ ঘোষ।’
প্রসেনজিৎ আরও বলেন, ‘আজ তিনি আমাদের মধ্যে নেই কিন্তু সব সময় যেন আমাদের সঙ্গেই রয়েছেন। আজও থাকলে বড্ড খুশি হত। আমার মধ্যে যে একটা অন্য অভিনেতা লুকিয়ে রয়েছে সেটা ও বুঝেছিল।’
তবে এই বিশেষ পুরস্কারের জন্য এই দীর্ঘ সময় ধরে যারা পাশে থেকেছেন তাদের প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। ধন্যবাদ জানিয়েছেন সহকর্মী থেকে শুরু করে টেকনিশিয়ান সকলকেই। মাকেও করেছেন স্মরণ, যাকে ছাড়া তিনি হয়তো আজ এতদূর যাত্রা করতে পারতেন না।
প্রসঙ্গত, ১৯৬৮ সালে বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায় পরিচালিত ‘ছোট্ট জিজ্ঞাসা’ ছবিতে প্রথম শিশু শিল্পী হিসাবে অভিনয় করেছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। ‘অমর সঙ্গী’ ছবির হাত ধরে প্রথম নায়ক হিসাবে ধরা দিয়েছিলেন তিনি। এরপর অগুনতি ছবিতে অভিনয় করেছেন প্রসেনজিৎ, পেয়েছেন বহু পুরস্কার।