Prosenjit Chatterjee: 'আজও মনে হয় হঠাৎ ফোন করে বলবি...', ঋতুপর্ণের মৃত্যুদিনে মন খারাপ প্রসেনজিতের

Prosenjit Chatterjee rememberd Rituparno Ghosh: ১৩ বছর হয়ে গেল টলিউড হারিয়েছে একজন এমন পরিচালককে, যিনি বেঁচে থাকলে হয়তো বাংলা ইন্ডাস্ট্রি আজ অন্য মাত্রা পেত। ঋতুপর্ণ ঘোষের ছবিতে প্রত্যেকটি গল্প যেন দর্শকদের মন ছুঁয়ে যেত।

Published on: May 30, 2026, 19:45:39 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Prosenjit Chatterjee rememberd Rituparno Ghosh: ১৩ বছর হয়ে গেল টলিউড হারিয়েছে একজন এমন পরিচালককে, যিনি বেঁচে থাকলে হয়তো বাংলা ইন্ডাস্ট্রি আজ অন্য মাত্রা পেত। আর্ট ফিল্মের মোড়কে ছবি বানিয়েও যে কমার্শিয়াল প্রেমিক দর্শকদের মন জয় করে নেওয়া যায় তা তিনি বুঝিয়েছিলেন প্রতিটি ছবির মাধ্যমে। ঋতুপর্ণ ঘোষের ছবিতে প্রত্যেকটি গল্প যেন দর্শকদের মন ছুঁয়ে যেত।

ঋতুপর্ণের মৃত্যুদিনে মন খারাপ প্রসেনজিতের
ঋতুপর্ণের মৃত্যুদিনে মন খারাপ প্রসেনজিতের

শুধু গল্প কেন, ঋতুপর্ণ ঘোষের পরিচালনায় প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় থেকে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত নিজেদের আবিষ্কার করেছিলেন নতুন করে। ঋতুপর্ণ ঘোষ এমন একজন পরিচালক ছিলেন যার সঙ্গে কাজ করার জন্য বলিউডের অভিনেতা-অভিনেত্রীরাও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকতেন।

আরও পড়ুন: অভিনেত্রী নয়, এবার অন্য ভূমিকায় দেখা যাবে হেমা মালিনীকে, কোন রূপে ধরা দেবেন তিনি?

তবে শুধু একজন সহকর্মী হিসেবে নয়, ঋতুপর্ণ ঘোষের ভীষণ ভালো বন্ধু ছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। প্রসেনজিৎ কমার্শিয়াল ছবির বাইরেও যে অন্যরকম অন্য ধারার ছবিতে অভিনয় করতে পারেন, সেটা ঋতুপর্ণ ঘোষ প্রমাণ করে দিয়েছিলেন। যে বন্ধুর উপর অন্ধবিশ্বাস করা যেত, ১৩ বছর আগে সেই প্রিয় বন্ধুকে হারিয়েছিলেন প্রসেনজিৎ।

ঋতুপর্ণ ঘোষের প্রয়াণ দিবসে তাই আরও একবার মন খারাপ নিয়ে একটি পোস্ট করলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। ৩০ মে ঋতুপর্ণর সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে তিনি লেখেন, ‘আজও মনে হয় হঠাৎ ফোন করে বলবি, বুম্বা একটা গল্প আছে। ভালো থাকিস। ঋতু। ছবিতে ফুটে উঠেছে দুই বন্ধুর অটুট বন্ধুত্বের একটি ছবি।’

প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে কখনও ‘প্রসেনজিৎ’ বলে ডাকতেন না ঋতুপর্ণ ঘোষ, সব সময় ডাকতেন ‘বুম্বা’ বলে। একদিকে যেমন ঋতুপর্ণ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের ওপর ভীষণ বিশ্বাস করতেন তেমন অন্যদিকে ঋতুপর্ণকেও কখনও ‘না’ বলেননি প্রসেনজিৎ।

আরও পড়ুন: অভিনেত্রী নয়, এবার অন্য ভূমিকায় দেখা যাবে হেমা মালিনীকে, কোন রূপে ধরা দেবেন তিনি?

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ৩০ মে মাত্র ৪৯ বছর বয়সে আচমকাই না ফেরার দেশে চলে যান ঋতুপর্ণ ঘোষ। বাংলা চলচ্চিত্র জগতের কাছে পরিচালকের এই আচমকা চলে যাওয়া নিঃসন্দেহে বড় ধাক্কা ছিল। তিনি যেভাবে দর্শকদের বাংলা ছবিকে ভালোবাসতে শিখিয়েছিলেন, সেটা হয়তো খুব কম পরিচালকই পারতেন।