মানুষের জীবন বাঁচানোর মতো গুরুদায়িত্ব যাঁদের কাঁধে, তাঁদের জীবনের ব্যক্তিগত বা পেশাগত সিদ্ধান্তগুলো কি সবসময় সহজ হয়? এমনই এক গভীর মানবিক সংঘাত ও নৈতিক মূল্যবোধের গল্প নিয়ে আসছে পরিচালক পাভেলের নতুন ছবি ‘ডাক্তারকাকু’। শুক্রবার প্রকাশ্যে এসেছে এই বহুল প্রতীক্ষিত ছবির ফার্স্ট লুক।

ছবির প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছে দেবদাস স্টুডিওজ এবং অভিনেত্রী এনা সাহার প্রযোজনা সংস্থা। চিনে বাদামের ব্যর্থতার পর দীর্ঘদিন বড় পর্দা থেকে দূরে ছিলেন এনা। যশ-নুসরতকে নিয়ে তাঁর প্রযোজিত অপর ছবির মুক্তি জটিলতা এখনও কাটেনি। এর মাঝেই ডাক্তার কাকু নিয়ে হাজির হচ্ছেন এনা।
ছবির গল্প ও মূল প্রেক্ষাপট
গল্পের কেন্দ্রে রয়েছেন ডাঃ দিলীপ সাহা ,যে চরিত্রে অভিনয় করছেন সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তিনি একজন আদর্শবাদী চিকিৎসক, যাঁর কাছে চিকিৎসা পেশা কেবল অর্থ উপার্জনের মাধ্যম নয়, বরং মানুষের প্রতি এক আজীবনের দায়বদ্ধতা।
দুই ভাইয়ের মতো সম্পর্ক: ডাঃ দিলীপের নিজের সন্তান পুষ্কিনের (অভিনয়ে ঋদ্ধি সেন) সঙ্গে একই ছাদের নিচে বেড়ে ওঠে অনাথ পচাও। নিজের সন্তান না হলেও পচাকে আপন করে নেন দিলীপবাবু। দু’জনের স্বপ্নই বড় হয়ে ডাক্তার হওয়া। পচার চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে পাভেলকে।
বাস্তবের সংঘাত ও শীতল দামানি: সময়ের সাথে সাথে পুষ্কিন ও পচা চিকিৎসা জগতে পা রাখে। এরই মধ্যে পুষ্কিনের জীবনে আগমন ঘটে শীতল দামানির (অভিনয়ে এনা সাহা), যিনি এক প্রভাবশালী বেসরকারি হাসপাতাল গোষ্ঠীর কর্ণধার মিঃ দামানির মেয়ে।
{{/usCountry}}বাস্তবের সংঘাত ও শীতল দামানি: সময়ের সাথে সাথে পুষ্কিন ও পচা চিকিৎসা জগতে পা রাখে। এরই মধ্যে পুষ্কিনের জীবনে আগমন ঘটে শীতল দামানির (অভিনয়ে এনা সাহা), যিনি এক প্রভাবশালী বেসরকারি হাসপাতাল গোষ্ঠীর কর্ণধার মিঃ দামানির মেয়ে।
{{/usCountry}}মূল্যবোধের লড়াই: শীতলের হাত ধরে পুষ্কিন প্রবেশ করে এক চকচকে কিন্তু কর্পোরেট পেশাগত জগতে। তবে সেই জগতের সাথে ধীরে ধীরে তৈরি হয় নৈতিক সংঘাত। পরিবার, ভালোবাসা, সাফল্য, পেশাগত স্বার্থ এবং নিজের বিবেকের মুখোমুখি এসে দাঁড়ায় সে।
কাস্টিং ও ফার্স্ট লুকের আকর্ষণ
দীর্ঘদিন পর অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়-কে দেখা যাবে একজন সাধারণ কিন্তু অত্যন্ত নীতিবান চিকিৎসকের চরিত্রে। অন্যদিকে তরুণ প্রজন্মের দুই শক্তিশালী অভিনেতা ঋদ্ধি সেন এবং এনা সাহা-র উপস্থিতি ছবিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ছবির ফার্স্ট লুকেও প্রসেনজিৎ-এর মধ্য়ে নায়কোচিত ব্য়াপার নেই। সাদামাটা. ছা-পোষা লুকেও পাওয়া গেল এই ‘ডাক্তার কাকু’কে।
‘ডাক্তারকাকু’ কেবল চিকিৎসা ব্যবস্থার আড়ালে লুকিয়ে থাকা সত্যের গল্প নয়; এটি বাবা-ছেলের টানাপোড়েন, বন্ধুত্ব, দায়িত্ববোধ এবং জীবনের কঠিন মুহূর্তে নিজের বিবেকের কাছে সৎ থাকার এক গল্প।