প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সন্তান শুনলে অনেকের মুখেই ভেসে ওঠে ছেলে মিশুক অর্থাৎ তৃষাণজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের মুখ। তবে ছেলে হওয়ার আগেই বাবা হয়েছিলেন অভিনেতা। তাঁর প্রথম সন্তান মেয়ে প্রেরণা। দ্বিতীয় স্ত্রী অপর্ণার সঙ্গে এই সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন তিনি। তবে সন্তান হওয়ার পরপরই দুজনের প্রসেনজিৎ ও অপর্ণার মধ্যে ক্রমশ বিরূপ হতে থাকে পরিস্থিতি। ডিভোর্সের পর অপর্ণা মেয়ে প্রেরণাকে নিয়ে লন্ডনে চলে যান।

একাধিক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা মেয়ের সঙ্গে কথা বলার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। বাবা-র সঙ্গে প্রেরণার যোগাযোগ নেই বললেই চলে। যা নিয়ে বেশ কয়েককবার আক্ষেপও করেছেন প্রসেনজিৎ। তবে বাবার সঙ্গে প্রেরণার যোগাযোগ না থাকলেও, পিসি পল্লবীর খুব আদুরে। এমনকী, দেশে এলে পিসি-র সঙ্গে দেখা করেন। শুধু তাই নয়, প্রাক্তন বৌদি অপর্ণার সঙ্গেও পল্লবীর রয়েছে যোগাযোগ।
সম্প্রতি সিনে চক্করের সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে ভাইঝিকে নিয়ে পল্লবী বলেন, ‘ও তো আমার দাদার প্রথম সন্তান। আজকে সম্পর্ক অনেকের সঙ্গে অনেকের থাকে। আমি বিশ্বাস করি, আমার দাদা ওকে খুব ভালোবাসে। প্রথম সন্তান কেন ভালোবাসবে না। কিন্তু পরিস্থিতি মাঝে মাঝে এমন হয় যে যোগাযোগ রাখা যায় না। আমি তো পিসি। আমার রক্ত। আমারদাদার মেয়ে। সে তো আকাশ থেকে পড়েনি। আমার দাদার ছেলে। ওরা তো আমার ভালোবাসার পাত্র। আর আমি খুব রিলেট করি। আমি ১০ বছর বয়সের পর বাবার ভালোবাসা পাইনি। ও এক বছর বয়সের পরেই পাইনি। ওর তো কোথাও গিয়ে মনে হয়, বাবা না থাক, পিসি তো আছে। খুব ভালো মেয়ে, বলা চলে রূপে লক্ষ্মী, গুণে সরস্বতী। ও বুই বুই করে। আসে যখন দেখা করে। আমি মাঝে মাঝে ফোন করি। এমন নয় রোজ আমাদের কথা হয়।’
অপর্ণাকে নিয়েও কথা বলেন। জানান, ‘আমার দ্বিতীয় বউদির সঙ্গেও খুব ভালো সম্পর্ক। এমন একটা বয়সে এসে গেছি, যখন আমরা বন্ধুর মতো মিশি। এই পুরনো সম্পর্কগুলো ধরে থাকলে তো হবে না। আমার দাদার এখন একজন স্ত্রী আছে, আমি এটা যেমন অস্বীকার করতে পারি না, না আগেরটা পারি। আমার জিলিপি বানানোর স্বভাবও নেই, সময় নেই। আমি মানুষকে ভালোবাসি।’
{{/usCountry}}অপর্ণাকে নিয়েও কথা বলেন। জানান, ‘আমার দ্বিতীয় বউদির সঙ্গেও খুব ভালো সম্পর্ক। এমন একটা বয়সে এসে গেছি, যখন আমরা বন্ধুর মতো মিশি। এই পুরনো সম্পর্কগুলো ধরে থাকলে তো হবে না। আমার দাদার এখন একজন স্ত্রী আছে, আমি এটা যেমন অস্বীকার করতে পারি না, না আগেরটা পারি। আমার জিলিপি বানানোর স্বভাবও নেই, সময় নেই। আমি মানুষকে ভালোবাসি।’
{{/usCountry}}প্রসেনজিতের প্রথম বিয়ে হয় ১৯৯২ সালে বিশিষ্ট অভিনেত্রী দেবশ্রী রায়ের সঙ্গে। অত্যন্ত গোপনে তাঁদের বিয়ে হয়েছিল। ব্যক্তিগত মতপার্থক্য এবং নানা জল্পনা-কল্পনার পর ১৯৯৫ সালে তাঁদের আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ হয়েছিল। দেবশ্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ১৯৯৭ সালে প্রসেনজিৎ দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন অপর্ণা গুহঠাকুরতাকে। তবে এই বিয়েও ভেঙে যায় মাত্র পাঁচ বছরে। ২০০২ সালে তাঁরা আলাদা হন। আর দ্বিতীয় বিচ্ছেদের বছরই অর্থাৎ ২০০২ সালে প্রসেনজিৎ তৃতীয়বার বিয়ে করেন অভিনেত্রী অর্পিতা পালকে।