...
...
Next Story

দুবাইতে চলে যাওয়া প্রসঙ্গে মুখ খুললেন মাধবন-পুত্র বেদান্ত! কী বললেন তিনি?

আর মাধবনের ছেলে বেদান্তের বয়স ২০ বছর এবং তিনি অল্প বয়স থেকেই দেশকে গর্বিত করে আসছেন। তিনি একজন সাঁতারু এবং বেশ কয়েকটি প্রতিযোগিতায় ভারতের হয়ে স্বর্ণপদক জিতেছেন। কোভিডের সময় মাধবনের পরিবার দুবাইতে চলে যায়। তিনি একটি নতুন দেশে মানিয়ে নেওয়া এবং নতুন পরিবেশে খাপ খাইয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

Published on: Jun 17, 2026, 12:07:20 IST
Advertisement

আর মাধবনের ছেলে বেদান্তের বয়স ২০ বছর এবং তিনি অল্প বয়স থেকেই দেশকে গর্বিত করে আসছেন। তিনি একজন সাঁতারু এবং বেশ কয়েকটি প্রতিযোগিতায় ভারতের হয়ে স্বর্ণপদক জিতেছেন। কোভিডের সময় মাধবনের পরিবার দুবাইতে চলে যায়, তাই বেদান্ত ভারত থেকে দুবাইতে যাওয়ার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন। তিনি একটি নতুন দেশে মানিয়ে নেওয়া এবং নতুন পরিবেশে খাপ খাইয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

দুবাইতে চলে যাওয়া প্রসঙ্গে মুখ খুললেন মাধবন-পুত্র বেদান্ত! কী বললেন তিনি?
দুবাইতে চলে যাওয়া প্রসঙ্গে মুখ খুললেন মাধবন-পুত্র বেদান্ত! কী বললেন তিনি?

রুহান মাত্রেজাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেদান্ত বলেন, ‘আমার বাবা-মা আমাকে সব সময় সমর্থন করেছেন এবং আমি খুব ভাগ্যবান। খুব কম সন্তানই তাদের স্বপ্ন পূরণের জন্য বাবা-মায়ের সমর্থন পায়। আমি সেইসব সন্তানদের মধ্যে একজন হতে পেরে ভাগ্যবান, যাদের বাবা-মা তাদের পাশে থাকেন।’

বেদান্ত বলেন, ‘আমার বাবা-মা না থাকলে আমি এই পর্যায়ে পৌঁছতে পারতাম বলে মনে হয় না, এমনকী এর কাছাকাছিও আসতে পারতাম না। আমি এর জন্য অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। সাঁতারের জন্য একটি পুরো দলের প্রয়োজন হয় যারা আপনার যত্ন নেয়, এবং আপনার বাবা-মা সেই দলেরই অংশ। তাদের সমর্থন ছাড়া ব্যাপারটা এত সহজ হতো না।’

বেদান্ত আরও বলেন, 'মাঝে মাঝে আমি ভোর সাড়ে চারটায় ঘুম থেকে উঠি, পৌনে চারটার মধ্যে সুইমিং পুলে যাই, বিকেল ৫টা-সাতটা পর্যন্ত সাঁতার কাটি এবং তারপর বাড়ি ফিরে আসি। আমার স্কুল থাকলে, তাহলে আমি স্কুলে যাই, তারপর ফিরে এসে হালকা কিছু খাই, বিশ্রাম নিই এবং তারপর সাঁতার কাটতে যাই। আমি সন্ধ্যায় সাড়ে সাতটা থেকে সাড়ে নয়টা পর্যন্ত আবার সাঁতার কাটি। যদি আমার জিম থাকে, তাহলে আমি স্কুল এবং সাঁতারের মাঝেই সেটা সেরে নিই। এরপর আমি তাড়াতাড়ি খেয়ে নিই এবং তারপর ঘুমাই। এ সবই এক ধরনের ত্যাগ।'

এরপর বেদান্ত যোগ করেন, ‘কিন্তু বাকি সবকিছুই বেশ ভালো। আমি ডেনমার্কে রেস করতে পারছি। আমি ভারতে আমার বন্ধুদের সাথে জীবন উৎসর্গ করেছি। আমি আমার সেই স্বাচ্ছন্দ্যের গণ্ডি থেকে বেরিয়ে এসে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি দেশে পা রেখেছি যা আমি ভালোবাসি তা করার জন্য।’

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe