...
...
Next Story

হিন্দু হয়েও একসময় নিয়মিত পরতেন বোরখা, রচনার জীবনের এই গোপন কথা জানা নেই অনেকের

সিনেমা জগতের পরিচিত মুখ রচনা। অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে করেছেন কাজ। ওডিয়া ইন্ডাস্ট্রিতেও এসেছিল সাফল্য।তবে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয় তাঁর দিদি নম্বর ১ শো-টি। যা থেকে চলতি মাসেই বাদ পড়েছেন যদিও।

Published on: Jun 29, 2026 12:24 PM IST
Advertisement

বিগত কয়েকদিন ধরেই চর্চায় রয়েছেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে ২০২৬ সালের তৃণমূলের গো হারা হারের পর, বিদ্রোহী সাংসদদের দলে নাম লেখান তিনি। এরপর আচমকাই রচনার হাত থেকে চলে যায় তাঁর দীর্ঘদিনের শো ‘দিদি নম্বর ১’। সেই জায়গায় এন্ট্রি হয় স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের।

কেন বোরখা পরতেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়?
কেন বোরখা পরতেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়?

দীর্ঘদিন ধরে রচনা কাজ করেছেন দিদি নম্বর ১-এ। সেই ২০১০ সাল থেকে শুরু। তবে ২০২৬-এ এসে ছন্দপতন। দশম সিজনের ‘দিদি’ হচ্ছেন স্বস্তিকা। প্রথমদিকে টিভির কাজ নিয়ে একটু হলেও দোটানায় ছিলেন অভিনেত্রী। ততদিনে বাংলা ও ওড়িয়া সিনেমায় নিজের নাম কামিয়েছেন। এমনকী, বলউডে অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গেও সিনেমা করে ফেলেছেন।

ব্যক্তিগত জীবনেও বেশ চাপে। স্বামী প্রবাল বসুর সঙ্গে তখন দাম্পত্য জীবন বেশ টলোমলো। এদিকে ছেলেও ছোট। রৌনকের বয়স তখন বছর তিন। তবে সেই চাপ নিয়েও সামলেছিলেন শ্যুটের চাপ। এমনকী, ছেলের কাছে তাড়াতাড়ি পৌঁছনোর জন্য অবলীলায় চেপে বসতেন পাবলিক ট্রান্সপোর্ট। শুধু নিজের পরিচিতি আড়াল করতে নিতেন বোরখার সাহায্য।

দিদি নম্বর ১-এ এসে নিজেই করেছিলেন খোলসা। আসলে টলিপাড়া থেকে কালীঘাট ফিরতে পড়তে হত যানজটে। আর যানজট এড়ানোর সবচেয়ে বড় উপায় ছিল মেট্রোয় চড়া। তাই রোজ শ্যুট থেকে গাড়ি চড়ে নামতেন মেট্রো স্টেশনে। আর গাড়ি থেকে নামার আগে পরে নিতেন বোরখা। মেট্রো করে পৌঁছে যেতেন কালীঘাট স্টেশনে। সেখানে ওঁর বাড়ির দাঁড়িয়ে গাড়ি থাকত। সেটাতে চড়ে বাড়ি। আর এভাবে যাওয়ার কারণ ছিল নিজের কেরিয়ার সামলেও যাতে ছেলেকে আরও বেশি সময় দিতে পারেন। বাড়ি গিয়ে পড়াতে বসাতে পারেন।

যদিও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়কে আগামীর উদ্দেশে। এখন দেখার সঞ্চালিকা বদলের পর টিআরপি তালিকায় কেমন ফল করে দিদি নম্বর ১। আজ অর্থাৎ সোমবার ২৯ জুন থেকে রাত ১০.১৫ মিনিটে আসছে দিদি নম্বর ১।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe