বাংলার দিকে দিকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে তৈরি হয়েছে বিক্ষোভ। অধিকাংশেরই দাবি, তাঁরা ‘যোগ্য’, অথচ তাঁদের অ্য়াকাউন্টে ঢোকেনি ৩০০০ টাকা। এমনকী, জায়গায় জায়গায় অবরোধেও সামিল হয়েছে বাংলার মহিলা ব্রিগেড। বিরাটিতে শুক্রবার রেল অবরোধ পর্যন্ত করা হয়। তবে এবার এই নিয়ে আশ্বাস দিলেন সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। যিনি সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেসের হাত ছেড়ে যোগ দিয়েছেন এনসিপিআই-তে। অভিনেত্রী-নেত্রী জানালেন, এবার অন্নপূর্ণা পাওয়ার ব্যবস্থা করে দেবেন তিনিই।

সম্প্রতি এক অনুস্থানে হাজির হয়েছে রচনাকে জোর গলায় বলতে শোনা যায়, ‘সবাই পাবে, আমি বলছি পাবে।’ সঙ্গে যারা যোগ্য কিন্তু পাচ্ছেন না, তাঁদের জন্যও দিলেন বড় বার্তা। বললেন, ‘আমি এই বার্তাটা সবার কাছে পৌঁছে দিতে চাই। যারা পাচ্ছ না, অথচ তাঁদের কাছে পেপার এসে গেছে তারা এনলিস্টেড, একটু সবুর করুন। পাবেনই। কারণ দেওয়া শুরু হয়েছে। তাও যদি না পান, তাহলে আমার এমপি অফিসে এসে নাম, ঠিকানা জমা দিন। আপনারা যাতে পেয়ে যান সেই ব্যবস্থা আমি করব।’ কদিন আগেই রাজ্যের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রাতঃরাশ করেছেন রচনা।
আপাতত রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বিতর্ক ও ট্রোলে ভরে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া। সম্প্রতি তিনি বলে বসেন, ‘বার তৃণমূল জিতলে আমি তৃণমূলেই থাকতাম। কিন্তু তৃণমূল হেরে গিয়েছে বলে দল বদল করেছি।’ যদিও তাঁর যুক্তি তাঁর দল ছাড়ার কারণ মানুষের জন্য কাজ করা। এনডিএ সরকারের হাতে হাত মিলিয়ে নিজের এলাকার মানুষদের জন্য কাজ করতে চান। তবে তিনি যতই যুক্তি দিন, খুব একটা কানে তুলতে নারাজ আমজনতা। হচ্ছে প্রবল কটাক্ষ।
এদিকে, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার দিয়ে ক্রমশ বাড়ছে জটিলতা। জুন-জুলাই-অগস্ট, তিন মাসই টাকা পাননি কেউ কেউ। এদিকে, কারো অ্যাকাউন্টে প্রথম এক বা দু মাস টাকা এলেও, অগস্ট মাসে আসেনি। তবে বিজেপি-র পক্ষ থেকে বারবার রাজ্যের মহিলাদের কাছে ধৈর্য রাখার কথা বলা হচ্ছে। কারণ যারা এখনো টাকা পাননি, তাদের জন্য রয়েছে ক্লেম অপশন। ক্লেম করলেই হবে ভেরিফিকেশন। শনিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু জোর গলায় ঘোষণা করেন, ‘কথা দিয়ে গেলাম যাঁরা সামান্য ভাতার উপর নির্ভর করেন, বা প্রকৃতি পাওয়ার হকদার, আরও ২০-৩০ লক্ষ লাগে আমি সেটা দেওয়ার ব্যবস্থা করব।’ তবে এটাও জানিয়ে দেন, কনো ধরনের বিক্ষোভ বা বনধে মাথা নোয়াবে না তাঁর সরকার।
{{/usCountry}}এদিকে, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার দিয়ে ক্রমশ বাড়ছে জটিলতা। জুন-জুলাই-অগস্ট, তিন মাসই টাকা পাননি কেউ কেউ। এদিকে, কারো অ্যাকাউন্টে প্রথম এক বা দু মাস টাকা এলেও, অগস্ট মাসে আসেনি। তবে বিজেপি-র পক্ষ থেকে বারবার রাজ্যের মহিলাদের কাছে ধৈর্য রাখার কথা বলা হচ্ছে। কারণ যারা এখনো টাকা পাননি, তাদের জন্য রয়েছে ক্লেম অপশন। ক্লেম করলেই হবে ভেরিফিকেশন। শনিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু জোর গলায় ঘোষণা করেন, ‘কথা দিয়ে গেলাম যাঁরা সামান্য ভাতার উপর নির্ভর করেন, বা প্রকৃতি পাওয়ার হকদার, আরও ২০-৩০ লক্ষ লাগে আমি সেটা দেওয়ার ব্যবস্থা করব।’ তবে এটাও জানিয়ে দেন, কনো ধরনের বিক্ষোভ বা বনধে মাথা নোয়াবে না তাঁর সরকার।
{{/usCountry}}