...
...
Next Story

Rahul Banerjee Death Case: তালসারি থানায় বয়ান রেকর্ড শ্বেতার, আসেনি রাহুলের ভিসেরা রিপোর্ট, তদন্ত কতদূর?

Rahul Banerjee Death Case: এক মাস অতিক্রান্ত, কতদূর এগোল রাহুল-মৃত্যুর তদন্ত? পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতা করছেন বিতর্কের কেন্দ্রে থাকা প্রযোজক জুটি লীনা-শৈবাল?

Published on: May 2, 2026, 14:39:12 IST
Advertisement

Rahul Banerjee Death Case: ওড়িশার তালসারি সমুদ্রে ‘ভোলে বাবা পার করেগা’র শ্যুটিং করতে গিয়ে অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের অকাল মৃত্যু স্তব্ধ করে দিয়েছে টলিপাড়াকে। সেই দুর্ঘটনার পর কেটেছে এক মাসেরও বেশি সময়। রাহুলের মৃত্যু তদন্ত কতদূর এগোল সেই নিয়ে প্রশ্ন আম জনতা থেকে টলিউডের মনে। দুর্ঘটনার দিন রাহুলের সঙ্গেই জলে ছিলেন অভিনেত্রী শ্বেতা মিশ্র। ঠিক কী ঘটেছিল সেদিন? সেই উত্তর খুঁজতেই এবার শ্বেতাকে তলব করেছিল তালসারি থানার পুলিশ। সশরীরে থানায় হাজির হয়ে নিজের বয়ান রেকর্ড করান অভিনেত্রী। এই ব্য়াপারে শ্বেতার মুখে কুলুপ, তবে এই খবরে সিলমোহর দিয়েছেন মামলার তদন্তের দায়িত্বে থাকা তদন্তকারী অফিসার শ্রবণ মহাপাত্র।

তালসারি থানায় বয়ান রেকর্ড শ্বেতার, আসেনি রাহুলের ভিসেরা রিপোর্ট, তদন্ত কতদূর?
তালসারি থানায় বয়ান রেকর্ড শ্বেতার, আসেনি রাহুলের ভিসেরা রিপোর্ট, তদন্ত কতদূর?

তিনি আনন্দবাজার অনলাইনকে আরও জানান, ম্যাজিক মোমেন্টস প্রোডাকশনের আরও কিছু কর্মীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে সংস্থার দুই কর্ণধার লীনা গঙ্গোপাধ্য়ায় এবং শৈবাল বন্দ্যোপাধ্যায়েরও। দুজনেই তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করছেন। তবে ভোলে বাবা পার করেগা সিরিয়ালের অপর কোনও (শ্বেতা ব্যাতীত) অভিনেতাকে জেরা করা হয়নি। কারণ দুর্ঘটনার সময় বাকি কেউই হাজির ছিলেন না।

জলে ঠিক কী ঘটেছিল?

জানা গিয়েছে, শ্যুটিংয়ের একটি দৃশ্যের জন্য রাহুল ও শ্বেতা সমুদ্রের হাঁটু সমান জলে নেমেছিলেন। কিন্তু আচমকাই একটি চোরা গর্তে তাঁরা পড়ে যান। শ্বেতাকে কোনওমতে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও রাহুল তলিয়ে যান। কীভাবে সেই দুর্ঘটনা ঘটল তা নিয়ে ইউনিটের তরফে পরস্পর বিরোধি মন্তব্য মিডিয়ার মাধ্যমে চাউর হওয়ার জেরেই তৈরি হয় বিভ্রান্তি।

নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন:

এই ঘটনায় প্রোডাকশন হাউসের ভূমিকা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ উঠেছে যে, উপযুক্ত অনুমতি ছাড়া এবং লাইফ জ্যাকেট বা উদ্ধারকারী দল ছাড়াই উত্তাল সমুদ্রে শ্যুটিং চালানো হচ্ছিল। পুলিশ শ্বেতার বয়ানের পাশাপাশি শ্যুটিং ইউনিটের আরও বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। শ্বেতা নিজে এই ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন, তবুও তদন্তের স্বার্থে তিনি পুলিশকে সবরকম সহযোগিতা করছেন।

তালসারি পুলিশ জানিয়েছে, শ্বেতার বয়ান এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এটি নিছকই দুর্ঘটনা নাকি এর পিছনে ইউনিটের কারো গাফিলতি রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গত এক মাসের তদন্ত প্রক্রিয়া কি ইঙ্গিত দিচ্ছে? সেই নিয়ে মুখ খুলতে না-রাজ তদন্তকারী অফিসার। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ হতে আরও মাসখানেক বা মাস দুয়েক সময় লাগতে পারে। তারপরই আদালতে চার্জশিট জমা দেবে পুলিশ।

এখনও আসেনি রাহুলের ভিসেরা রিপোর্ট। সেই রিপোর্টের মাধ্য়মে জানা যাবে, মৃতদেহে (রাহুলের পাকস্থলীতে) সামুদ্রিক জল, বালি ছাড়াও আর কিছু ছিল কি না।

রাহুলের মতো এক প্রতিভাবান অভিনেতার এমন আকস্মিক চলে যাওয়া মেনে নিতে পারছেন না তাঁর সহকর্মী ও অনুরাগীরা। শ্যুটিং সেটে নিরাপত্তার অভাব নিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe