পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর নাম এবং তাঁর কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে প্রতারণার অভিযোগ উঠল। অভিনয়ের সুযোগ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এক যুবকের কাছ থেকে ধাপে ধাপে ২ লক্ষ ৭ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। শুধু নাম নয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির সাহায্যে রাজের গলাও নকল করা হয়েছিল বলে দাবি প্রতারিত যুবকের। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় বাঁশদ্রোণী থানায় এফআইআর দায়ের করেছেন শুভজিৎ ঘোষ দস্তিদার। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

কীভাবে এই প্রতারণার ফাঁদে পড়লেন শুভজিৎ? অভিযোগকারীর বক্তব্য অনুযায়ী, একটি জনপ্রিয় প্রযোজনা সংস্থার নামে সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন ও উঠতি অভিনেতাদের জন্য একটি বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছিল। সেই বিজ্ঞাপন দেখেই যোগাযোগ করেন তিনি। এরপর তাঁকে একটি ফোন নম্বর দেওয়া হয়। বলা হয়, সেটি রাজ চক্রবর্তীর নম্বর। সেই নম্বরে নিজের ছবি পাঠানোর পরই তাঁর কাছে ফোন আসে। ফোনের ওপারে থাকা ব্যক্তি নিজেকে রাজ চক্রবর্তী বলে পরিচয় দেন। পরিচালকের গলার সঙ্গে হুবহু মিল থাকায় প্রথমে সন্দেহ হয়নি শুভজিতের। পরে তিনি বুঝতে পারেন, এআই প্রযুক্তির সাহায্যে রাজের কণ্ঠস্বর নকল করে কথা বলা হয়েছিল।
এরপর অভিনয়ের সুযোগ দেওয়ার নাম করে টাকা চাওয়া শুরু হয় বলে অভিযোগ। প্রথমে ৩০ হাজার টাকা, পরে ৯২ হাজার টাকা দিতে বলা হয়। প্রোফাইল শুটের জন্যই এই অর্থ প্রয়োজন বলে জানানো হয়েছিল। পাশাপাশি একটি ইতিহাসভিত্তিক প্রজেক্টে অভিনয়ের সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়। শুভজিতের দাবি, এইভাবে বিভিন্ন সময়ে তাঁর কাছ থেকে মোট ২ লক্ষ ৭ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে।
প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই যুবক। বাঁশদ্রোণী থানায় এফআইআর দায়ের করে তিনি এই ধরনের জালিয়াতি বন্ধ করার আর্জি জানিয়েছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং মোবাইল নম্বরের সূত্র ধরে অভিযুক্ত সাইবার প্রতারকদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।
{{/usCountry}}প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই যুবক। বাঁশদ্রোণী থানায় এফআইআর দায়ের করে তিনি এই ধরনের জালিয়াতি বন্ধ করার আর্জি জানিয়েছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং মোবাইল নম্বরের সূত্র ধরে অভিযুক্ত সাইবার প্রতারকদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।
{{/usCountry}}