২০১৪-য় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জন্ম নিয়েছিল ‘হোক কলরব’ স্লোগান। আর যাদবপুরের সেই স্লোগানই এবার রাজ চক্রবর্তীর ছবির শিরোনাম। হোক কলরবের এক ঝলকও ইতিমধ্যেই এসেছে সামনে। তবে তারই মাঝে বিপাকে পরিচালক রাজ, সমাজ মাধ্যমে দর্শকদের কাছে আর্জি জানিয়ে লিখলেন, কোনোরকম ‘প্ররোচনায় কান না’ দেওয়ার।
ঠিক কী হয়েছে?

আসলে ‘হোক কলরব’ ছবির শ্যুটিংয়ের কিছু ফুটেজ ফাঁস হয়ে গিয়েছে সমাজমাধ্যমে। আর সেই প্রসঙ্গেই রাজ লিখলেন, ‘আমাদের সিনেমা 'হোক কলরব' রিলিজের আগেই সিনেমার কিছু ফুটেজ স্যোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। আমরা সাইবার ক্রাইম ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে কথা বলেছি উক্ত বিষয়ে জরুরী পদক্ষেপ নেবার জন্য। আপনাদের অনুরোধ লিংকটি শেয়ার করবেন না। কোনোরকম প্ররোচনায় পা দেবেন না৷’
গণেশচতুর্থীর দিন রাজ প্রযোজক-অভিনেত্রী স্ত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে তাঁর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা, ২০২৬-এ তাঁর প্রথম ছবি হবে ‘হোক কলরব’। ছবিতে রোহন ছাড়াও থাকবেন ওম সাহনি, জন ভট্টাচার্য, অভীকা মালাকার-সহ ছোট ও বড়পর্দার চেনামুখের পাশাপাশি নবাগতরাও। গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে সাংসদ পার্থ ভৌমিক, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়কে।
২০১৪ সালে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এক ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগের তদন্তের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে এক বিরাট বড় আন্দোলনের উৎপত্তি হয়েছিল। বেশ কয়েকদিন যাবত চলা এই আন্দোলনের নাম ছিল 'হোক কলরব। তবে সেই পথে হাঁটেননি রাজ। ছবির টিজারে এক আন্দোলনের ছবি উঠে এসেছে ঠিকই, কিন্তু সেখানে বিষয়বস্তু যৌন নির্যাতন নয়, বরং কলেজে র্যাগিং।
টিজারের শুরুতেই দেখা গিয়েছে ছুটছে পুলিশের গাড়ি, তারপরই দেখা গিয়েছে একটি বৃষ্টিভেজা কলেজ ক্যাম্পাসের ছাদে প্রায় নগ্ন অবস্থায় দাঁড়িয়ে এক পড়ুয়া। তার হাবভাব যে বেশ অসংলগ্ন তা দেখেই বোঝা যাচ্ছে। তারপরই আবহে ভেসে আসে সব্যসাচী চক্রবর্তীর গলা। তিনি বলছেন, ‘প্রতিটা গল্পে একজন নায়ক থাকে, আর তার বিপরীতে খলনায়ক। একবার আগুন জ্বললে নেভানো খুব কঠিন।’ অন্য দিকে, পর্দায় পুলিশের উর্দিতে ধরা দেন রোহন ভট্টাচার্য। তারপরই দেখা যায় থানা ঘেরাও করেছে একদল যুবক। তাদের হাতে জ্বলন্ত বোতল আর পুলিশ তাদের ব্যরিকেট দিয়ে আটকাতে চেষ্টা করছে মরিয়া ভাবে। তারপরই তারা সেই জ্বলন্ত বোতল থানার দিকে ছুঁড়তে থাকে আর মুহূর্তেই হয় এক বড় বিস্ফোরণ। এরপর আইপিএস অফিসারের বেশে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ের দেখা মেলে। ছবিটি আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালের ২৩ জানুয়ারি মুক্তি পাবে।
{{/usCountry}}টিজারের শুরুতেই দেখা গিয়েছে ছুটছে পুলিশের গাড়ি, তারপরই দেখা গিয়েছে একটি বৃষ্টিভেজা কলেজ ক্যাম্পাসের ছাদে প্রায় নগ্ন অবস্থায় দাঁড়িয়ে এক পড়ুয়া। তার হাবভাব যে বেশ অসংলগ্ন তা দেখেই বোঝা যাচ্ছে। তারপরই আবহে ভেসে আসে সব্যসাচী চক্রবর্তীর গলা। তিনি বলছেন, ‘প্রতিটা গল্পে একজন নায়ক থাকে, আর তার বিপরীতে খলনায়ক। একবার আগুন জ্বললে নেভানো খুব কঠিন।’ অন্য দিকে, পর্দায় পুলিশের উর্দিতে ধরা দেন রোহন ভট্টাচার্য। তারপরই দেখা যায় থানা ঘেরাও করেছে একদল যুবক। তাদের হাতে জ্বলন্ত বোতল আর পুলিশ তাদের ব্যরিকেট দিয়ে আটকাতে চেষ্টা করছে মরিয়া ভাবে। তারপরই তারা সেই জ্বলন্ত বোতল থানার দিকে ছুঁড়তে থাকে আর মুহূর্তেই হয় এক বড় বিস্ফোরণ। এরপর আইপিএস অফিসারের বেশে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ের দেখা মেলে। ছবিটি আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালের ২৩ জানুয়ারি মুক্তি পাবে।
{{/usCountry}}