রাজপালের বাড়িতে খুশির হাওয়া, অবশেষে জামিনে ছাড়া পেলেন অভিনেতা, মানতে হল কোর্টের এই নিয়ম

টানা ১১ দিন পর অবশেষে জেল থেকে ছাড়া পেলেন রাজপাল যাদব। সোমবার দিল্লি হাইকোর্ট অভিনেতার অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেন। ১৮ মার্চ পর্যন্ত এই জামিন মঞ্জুর করল আদালত। খুশির আমেজ অভিনেতার পরিবারে। কিন্তু অভিনেতাকে মেনে চলতে হবে কোর্টের বেশ কিছু নিয়ম।

Feb 16, 2026, 18:12:00 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

টানা ১১ দিন পর অবশেষে জেল থেকে ছাড়া পেলেন রাজপাল যাদব। সোমবার দিল্লি হাইকোর্ট অভিনেতার অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেন। ১৮ মার্চ পর্যন্ত এই জামিন মঞ্জুর করল আদালত। খুশির আমেজ অভিনেতার পরিবারে।

অবশেষে জামিনে ছাড়া পেলেন রাজপাল
অবশেষে জামিনে ছাড়া পেলেন রাজপাল

কিন্তু এদিন মামলার শুনানির পর কোর্ট থেকে বলা হয়, বেলা ৩ টের মধ্যে ১.৫ কোটি টাকা জমা দিতে হবে। এই শর্ত মানতে পারলে তবেই ছাড়া পাবেন অভিনেতা। অবশেষে আদালতের নির্দেশ মেনে টাকা জমা করার পর ছাড়া পান তিনি।

গত ৫ ফেব্রুয়ারি ৯ কোটি টাকার ঋণের মামলায় পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলেন রাজপাল যাদব। এই সময় অভিনেতা জানিয়েছিলেন গোটা বলিউডে কেউ তার বন্ধু নয়। যদিও পরবর্তীকালে অভিনেতার পাশে এসে দাঁড়ান একাধিক বলিউড সেলিব্রেটি।

আরও পড়ুন: শিবরাত্রির দিনেই শুরু ৫০ তম ছবি BAD-এর শ্যুটিং, ছবি শেয়ার করলেন দেব

অবশেষে ১৬ ফেব্রুয়ারি ১.৫ কোটি টাকা জমা দেওয়ার পর অন্তবর্তীকালীন জামিন পেলেন অভিনেতা। এই প্রসঙ্গে অভিনেতার ম্যানেজার গোল্ডি হিন্দুস্তান টাইমসকে বলেন, রাজপাল স্যারকে জামিন দেওয়া হয়েছে। এটা আমাদের জন্য ভীষণ আনন্দের। খুব শীঘ্রই সংবাদ সম্মেলন করে গোটা বিষয়টি নিয়ে উনি আলোচনা করবেন। আপাতত এই বিষয় নিয়ে আর কাউকে কিছু বলা যাচ্ছে না।

রাজপাল যাদবের আইনি সমস্যা সম্পর্কে বিস্তারিত:

ঘটনার সূত্রপাত ২০১০ সালে, যখন রাজপাল তাঁর পরিচালনায় প্রথম সিনেমা 'আতা পাতা লাপাতা' (২০১২) তৈরির জন্য দিল্লি-ভিত্তিক 'মিউচুয়াল প্রজেক্টস প্রাইভেট লিমিটেড' থেকে ৫ কোটি টাকা ঋণ নেন। সিনেমাটি বক্স অফিসে ব্যর্থ হওয়ায় ঋণ পরিশোধে সমস্যা দেখা দেয় এবং একটি আইনি লড়াই শুরু হয়। ২০১৮ সালের এপ্রিলে, ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাঁকে এবং তাঁর স্ত্রী রাধাকে নেগোশিয়েবল ইন্সট্রুমেন্টস অ্যাক্টের ১৩৮ ধারার অধীনে দোষী সাব্যস্ত করে। অভিযোগকারীকে দেওয়া ৭টি চেক বাউন্স হওয়ার পর, অভিনেতাকে ৬ মাসের সরল কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: সুদীপ্তা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভিডিয়োয় তৃণমূলের প্রচার! তবে কি শাশুড়ির পথেই হাঁটছেন তিনি? কবে যোগ দিচ্ছেন দলে?

২০১৯ সালের প্রথম দিকে একটি সেশনস কোর্ট এই রায় বহাল রাখে। দিল্লি হাইকোর্টে একটি রিভিশন পিটিশন দাখিল করা সত্ত্বেও, অভিনেতার আইনি সমস্যা সময়ের সাথে সাথে আরও বেড়েছে। ২০২৪ সালের জুন মাসে, আদালত তাঁর সাজা স্থগিত করে এবং প্রায় ৯ কোটি টাকা পরিশোধের জন্য নির্দেশ দেয়।