নব্বইয়ের দশকের সেই ব্লকবাস্টার জুটি— বলিপাড়ার রাম আর বল্লু এবার পর্দায় ফিরতে চলেছে এক রাজকীয় অবতারে! পরিচালক সুভাষ ঘাইয়ের কালজয়ী ছবি ‘খলনায়ক’-এর সিক্যুয়েল ‘খলনায়ক রিটার্নস’ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জল্পনা চলছিল টিনসেল টাউনে। তবে এবার সেই জল্পনায় সিলমোহর দিয়ে খোদ জ্যাকি শ্রফ জানিয়ে দিলেন, তিনি তাঁর জান অর্থাৎ প্রিয় বন্ধু সঞ্জয় দত্তের সঙ্গে আবারও পর্দায় স্ক্রিন শেয়ার করতে চলেছেন। প্রায় তিন দশক পর বলিপাড়ার এই দুই ‘জ্যাকি-সঞ্জু’ ম্যাজিক বড়পর্দায় দেখার জন্য এখন থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে দর্শকদের মধ্যে।

রাম-বল্লুর সেই অমর কেমিস্ট্রি
১৯৯৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘খলনায়ক’ ছবিটি ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে অন্যতম মাইলফলক হয়ে রয়েছে। একদিকে ইন্সপেক্টর রামের চরিত্রে জ্যাকি শ্রফের ঠান্ডা মাথার অভিনয়, অন্যদিকে খলনায়ক বল্লুর চরিত্রে সঞ্জয় দত্তের মারকুটে ও ক্ষ্যাপাটে মেজাজ— দুই তারকার এই ডুয়েল জুতি কাঁপিয়ে দিয়েছিল বক্স অফিস। জ্যাকি ও সঞ্জয়ের অফ-স্ক্রিন বন্ধুত্বও ইন্ডাস্ট্রিতে রূপকথার মতো। জ্যাকি বরাবরই সঞ্জয়কে নিজের জান বলে সম্বোধন করে এসেছেন। এবার সেই অফ-স্ক্রিন দোস্তির রসায়নই নতুন গল্পে, নতুন মোড়কে বড়পর্দায় আসতে চলেছে।
কেমন হতে চলেছে খলনায়ক রিটার্নস-এর গল্প?
বলিপাড়া সূত্রে খবর, ‘খলনায়ক রিটার্নস’-এর চিত্রনাট্য তৈরি করা হচ্ছে বর্তমান প্রজন্মের দর্শকদের কথা মাথায় রেখে। গল্পে রাম এবং বল্লুর চরিত্রের বয়স বাড়লেও, তাদের ভেতরের সেই পুরনো শত্রুতা ও বন্ধুত্বের টান বজায় থাকবে সমানে সমানে। সুভাষ ঘাই নিজেই এই ছবির প্রযোজনার দায়িত্বে থাকতে পারেন বলে খবর। জ্যাকি শ্রফ এক সাক্ষাৎকারে ইঙ্গিত দিয়েছেন, সঞ্জয়ের সঙ্গে কাজ করার জন্য তিনি সবসময় মুখিয়ে থাকেন। তাঁদের এই পুনর্মিলন স্রেফ একটা ছবির সিক্যুয়েল নয়, বরং বড়পর্দায় একটা নস্টালজিয়া ফিরে আসা।
গঙ্গাবাঈ কি ফিরবেন? মাধুরীকে নিয়েও জল্পনা
{{/usCountry}}গঙ্গাবাঈ কি ফিরবেন? মাধুরীকে নিয়েও জল্পনা
{{/usCountry}}রাম আর বল্লু তো ফিরছেন, কিন্তু ‘খলনায়ক’ ছবির আসল ইউএসপি অর্থাৎ গঙ্গাবাঈ ওরফে মাধুরী দীক্ষিত কি এই সিক্যুয়েলের অংশ হবেন? চোলি কে পিছে কিয়া হ্যায় গানের সেই মাদকতা কি আবার দেখা যাবে? এই নিয়ে অবশ্য এখনই খোলসা করেননি নির্মাতারা। তবে জ্যাকি আর সঞ্জয়ের এই জুটির কামব্যাক নিশ্চিত হতেই আশার আলো দেখছেন সিনেপ্রেমীরা। নব্বইয়ের দশকের অ্যাকশন ও ড্রামার সেই চেনা স্বাদ আধুনিক সিনে-দুনিয়ায় কতটা ধামাকা তৈরি করে, এখন সেটাই দেখার।