'এটা আমার স্বপ্ন ছিল না... ', ইন্ডাস্ট্রিতে ৩০ বছর কাটানোর পরেও আজও নার্ভাস রানি?

দেখতে দেখতে প্রায় ৩০ বছর কাটিয়ে ফেললেন ইন্ডাস্ট্রিতে। ১৯৯৭ সালে রাজা কি আয়েগি বারাত ছবির মাধ্যমে প্রথম বলিউডে পদার্পণ করেছিলেন রানি। এরপর তিনি বলিউডকে দিয়েছেন একের পর এক হিট ছবি, দর্শকদের ভালোবাসা পেয়েছেন অফুরন্ত। 

Published on: Jan 12, 2026 10:31 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

দেখতে দেখতে প্রায় ৩০ বছর কাটিয়ে ফেললেন ইন্ডাস্ট্রিতে। ১৯৯৭ সালে রাজা কি আয়েগি বারাত ছবির মাধ্যমে প্রথম বলিউডে পদার্পণ করেছিলেন রানি। এরপর তিনি বলিউডকে দিয়েছেন একের পর এক হিট ছবি, দর্শকদের ভালোবাসা পেয়েছেন অফুরন্ত। কিন্তু ইন্ডাস্ট্রিতে ৩০ বছর অতিক্রান্ত হয়ে যাওয়ার পরেও কতটা নিজেকে উপলব্ধি করলেন রানি?

ইন্ডাস্ট্রিতে ৩০ বছর কাটানোর পরেও আজও নার্ভাস রানি
ইন্ডাস্ট্রিতে ৩০ বছর কাটানোর পরেও আজও নার্ভাস রানি

সোমবার যশ রাজ ফিল্মস ইনস্টাগ্রামে রানি মুখোপাধ্যায়ের লেখা একটি বড় নোট শেয়ার করেন যেখানে দেখা যায় অভিনেত্রী লিখেছেন, ৩০ বছর আগে কোনও পরিকল্পনা ছাড়াই এই চলচ্চিত্রের সেটে পা রেখেছিলাম। এটা আমার স্বপ্ন ছিল না বরং আমাকেই খুঁজে পেয়েছিল এই ইন্ডাস্ট্রি। একটা অল্প বয়সী মেয়ে, এক কথায় বলা চলে প্রায় অনিচ্ছাকৃতভাবে সিনেমায় আকৃষ্ট হয়েছিল।

অভিনেত্রী লেখেন, প্রথমে ভীষণভাবে দ্বিধাগ্রস্ত ছিল সেই মেয়েটি। কিন্তু সমস্ত দুর্বলতাকে সরিয়ে একটা সময় সিনেমার প্রেমে পড়ে যায় সে। সিনেমার আবেগকে বুকে করে এতগুলো বছর কাটিয়ে দেয়। তবে আজও ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে একইভাবে নার্ভাস ফিল করে সেই মেয়েটি, ঠিক যেমন প্রথম দিন হয়েছিল।

আরও পড়ুন: প্রেমের টানে স্বয়মের সঙ্গে বাড়ি থেকে পালাল জুঁই, বিয়ের মন্ডপে তাহলে কে?

তিনি আরও লেখেন, আমি কোনও মাস্টার প্ল্যান করে এই সিনেমা জগতে আসিনি। কৌতুহল, কিছুটা ভয় এবং গল্পের প্রতি গভীর ভালোবাসা নিয়ে এসেছিলাম চরিত্রগুলিকে মানুষের মনে অন্বেষণের জন্য। যখন আমি প্রথম সিনেমায় অভিনয় করি তখন আমি জানতাম না যে এটাই আমার ক্যারিয়ার হবে। আমি কেবল জানতাম যে আমার অভিনয় আমাকে জীবন্ত করে তোলে।

প্রথম সিনেমার কথা উল্লেখ করে অভিনেত্রী লেখেন, আমার প্রথম ছবিটি আমাকে গ্ল্যামারের কথা শেখায়নি বরং শিখিয়েছিল দায়িত্ববোধের কথা। এত বছর অতিক্রান্ত হয়ে যাওয়ার পরেও আমি সেই দায়িত্ববোধ থেকে পিছপা হইনি। সাথিয়া ছবিটি আমার ক্যারিয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসাবে প্রমাণিত হয়েছিল। এরপর হাম তুম ছবির মত সিনেমাতে অভিনয় করার সুযোগ পাই।

এরপর অভিনেত্রী লেখেন, ব্ল্যাক এমন একটি ছবি যা আমাকে সম্পূর্ণভাবে পাল্টে দেয়। অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে অভিনয় করার পর আমি নিজেকে এমন জায়গায় নিয়ে চলে গিয়েছিলাম যেখানে আমার অস্তিত্ব সম্পর্কে আমি নিজেই অবগত ছিলাম না। আজও ব্ল্যাক আমার জীবনের সবথেকে সুন্দর অভিজ্ঞতার মধ্যে অন্যতম। এই ছবিটি আমাকে শিখিয়েছে নীরবতা শব্দের থেকেও জোরে কথা বলে। অভিনয় যতটা দেখার ঠিক ততটাই শোনার।

আরও পড়ুন: ফের পরিচালনায় ফিরছেন অগ্নিদেব, মুখ্য ভূমিকায় জিতু, থাকছেন একঝাঁক তারকা

ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অভিনেত্রী লেখেন, বিবাহ এবং মাতৃত্ব আমাকে পুরোপুরি পরিবর্তন করে দিয়েছিল। এরপর মিসেস চ্যাটার্জি বনাম নরওয়ে ছবিতে মায়ের চরিত্রে অভিনয় করার পর আমি যখন জাতীয় পুরস্কার জিতি তখন সত্যি বুঝতে পেরেছিলাম একজন নারী তার সন্তানের জন্য কি কি করতে পারে।

অভিনয় জগত থেকে বিরতি সম্পর্কে অভিনেত্রী লেখেন, আমি এমন অনেক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যা শুধু অন্যকে নয় আমার নিজেকেও অবাক করে দিয়েছিল। আমি বিরতি নিয়েছি, নিজের শর্তে ফিরে এসেছি, আমার সহজাত প্রবৃত্তিকে বিশ্বাস করেছি, এই এত বড় পথে যারা আমার ওপর বিশ্বাস রেখেছিল তাদের সবার কাছে আমি ঋণী।