Piya Sengupta: ইম্পার অস্থায়ী সভাপতি হলেন রতন সাহা, আইনিপথে হাঁটার হুমকি পিয়া সেনগুপ্তর

Piya Sengupta: ২৫ মে ইম্পার অফিসে রতন সাহাকে অস্থায়ী সভাপতি পদে সংবর্ধনা জানানো হয়। এই দিন বিশাল মাপের একটি মালা পরিয়ে রতন সাহাকে ইম্পার অস্থায়ী সভাপতি পদে আহ্বান জানান সকলে। রতন সাহার পাশে উপস্থিত থাকতে দেখা যায় গৌতম ঘোষকেও।

Published on: May 25, 2026, 19:15:52 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Piya Sengupta: গত ২২ মে ইম্পার মিটিং ডাকা হয় যা মাঝপথে ভেস্তে যায়। চরম অসুস্থ হয়ে পড়েন পিয়া সেনগুপ্ত। এরপরেই ২৫ মে ইম্পার অফিসে রতন সাহাকে অস্থায়ী সভাপতি পদে সংবর্ধনা জানানো হয়। এই দিন বিশাল মাপের একটি মালা পরিয়ে রতন সাহাকে ইম্পার অস্থায়ী সভাপতি পদে আহ্বান জানান সকলে। রতন সাহার পাশে উপস্থিত থাকতে দেখা যায় পরিচালক গৌতম ঘোষকেও।

ইম্পার অস্থায়ী সভাপতি হলেন রতন সাহা, আইনিপথে হাঁটার হুমকি পিয়া সেনগুপ্তর
ইম্পার অস্থায়ী সভাপতি হলেন রতন সাহা, আইনিপথে হাঁটার হুমকি পিয়া সেনগুপ্তর

এর পরেই সাংবাদিক বৈঠক ডাকেন পিয়া সেনগুপ্ত। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, রতন সাহাকে সভাপতি পদে মানতে নারাজ তিনি। কোনও নির্বাচন ছাড়াই কীভাবে একজন মানুষ নির্বাচিত হয়ে গেলেন তা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন পিয়া। এছাড়াও স্বজনপোষণ প্রসঙ্গ তুলে শতরূপ সাহাকে এক হাত নেন পিয়া সেনগুপ্ত।

আরও পড়ুন: ভালোবাসায় মাখামাখি সাহেব-সুস্মিতা, 'গরম বেড়ে গেল...' ভিডিয়ো দেখে লিখলেন রোহন

পিয়ার বক্তব্য অনুযায়ী, এতদিন যখন সকলে বনি সেনগুপ্তকে তুলে স্বজনপোষণ করার অভিযোগ এনেছিলেন তাহলে এখন কেন সেই অভিযোগ কার্যকরী হচ্ছে না? এমনকি পিয়া সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে নিয়ে করা ট্রোলিং নিয়েও মুখ খোলেন।

পিয়া সেনগুপ্ত জানান, হাইকোর্টের জাস্টিস অরিন্দম মুখোপাধ্যায় বলে দিয়েছেন, এই বছরের ইলেকশনে উনি হাত দেবেন না। উনি তিনজন আইনজীবীকে সম্পূর্ণ দায়িত্ব দিয়ে দিয়েছেন ২০২৭ সালের যে ভোট হবে তখন একটা ভোটার তালিকা তৈরি করা হবে।

তিনি বলেন, ‘এর মানে ২০২৭ অব্দি আমরা আছি। আমরা আইন মেনেই এখানে রয়েছি। আগামী দিনে আইন মেনেই চলবো। এখানে আইন বহির্ভূত কোনও কাজ হচ্ছে না।’

আরও পড়ুন: রঙিন সুতোয় বোনা মেয়েবেলা, মাকে স্মরণ করে কোন স্মৃতি হাতড়ালেন চূর্ণী

অস্থায়ী সভাপতি পদে রতন সাহাকে বসানোর পর বলা হয় পিয়া সেনগুপ্ত হার স্বীকার করে নিয়েছেন তাই তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না এই কথা বলায় পিয়া স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কোনও ভোট হয়নি তাই হার স্বীকার করার কোনও প্রশ্নই আসে না এখানে।

পিয়ার অসুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কিছু মানুষ সেই প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে পিয়া বলেন, ‘এখানে সবাই উপস্থিত ছিলেন সেই দিন। আমার মাথায় ঘাড়ে জল দেওয়া হচ্ছিল। এরপরেও আমার অসুস্থতা নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলেছেন তাদের মানসিকতা নিয়ে আমার প্রশ্ন করা উচিত।’

তবে দিনের শেষে রতন সাহাকে অস্থায়ী সভাপতির পদে নিয়োগ করা হলেও এইটুকু স্পষ্ট পিয়া সেনগুপ্ত নিজের পদ ছাড়তে নারাজ। আগামী দিনে আইনি পথে হাঁটবেন তিনি। সবমিলিয়ে ইম্পার ভবিষ্যৎ কোথায় দাঁড়িয়ে আছে তা সময় বলতে পারবে।