মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির রাজপথে বিরোধীদের নিয়ে সরব হয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে রাহুল দাবি করেন— জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং কেন্দ্রীয় সরকার বদলের মাধ্যমেই দেশে গণতন্ত্রের ‘মেরামত’ শুরু হবে। তবে রাহুলের এই পোস্টের পরই তাঁকে সরাসরি নিশানা করলেন জনপ্রিয় গায়িকা সোনা মহাপাত্র।

রাহুলের পোস্ট রি-পোস্ট করে দেশের সার্বিক গণতন্ত্র মেরামতের আগে কংগ্রেস শাসিত হিমাচল প্রদেশের দিকে নজর দেওয়ার কড়া বার্তা দিয়েছেন সোনা।
‘আবর্জনা ও দূষণে হাঁসফাঁস হিমাচল!’ ক্ষুব্ধ সোনা:
দীর্ঘ ৯ বছর পর সম্প্রতি হিমাচল প্রদেশ ভ্রমণ করে ফিরেছেন গায়িকা। পাহাড়ি রাজ্যের বেহাল দশা দেখে স্তম্ভিত সোনা রাহুল গান্ধীকে ট্যাগ করে এক্স (টুইটার) হ্যান্ডেলে লেখেন— ‘প্রিয় রাহুল গান্ধী, দেশে গণতন্ত্র মেরামত করার আগে আপনি কি অনুগ্রহ করে হিমাচল প্রদেশ মেরামত করা দিয়ে শুরু করবেন? ৯ বছর পর সেখানে ফিরে পাহাড় জুড়ে আবর্জনার স্তূপ এবং নদীগুলোর দূষণে হাঁসফাঁস অবস্থা দেখে আমি রীতিমতো হতবাক। কংগ্রেস শাসিত এই রাজ্যটিকে আগে শাসনের একটি আদর্শ মডেল হিসেবে গড়ে তুলুন। মানুষের কাছে শুধু দাবি না জানিয়ে, কাজের মাধ্যমে তাঁদের সমর্থন অর্জন করুন।’
হিমাচলে বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখুর নেতৃত্বে কংগ্রেস সরকার রয়েছে, যেখানে প্রতিনিয়ত প্রচার ও দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেন রাহুল। এমনকি কর্ণাটকে বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশি পদক্ষেপ নিয়েও সোনা প্রশ্ন তোলায় ডিকে শিবকুমার দ্বিমুখী আচরণ না করার আশ্বাস দিয়েছেন।
নানা পাটেকরের প্রয়াণে তনুশ্রীর পাশে সোনা:
{{/usCountry}}নানা পাটেকরের প্রয়াণে তনুশ্রীর পাশে সোনা:
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, গত ৮ই অক্টোবর ৭৫ বছর বয়সে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে গোয়ায় প্রয়াত হন প্রবীণ অভিনেতা নানা পাটেকার। নানা পাটেকরের মৃত্যুর পর তাঁর বিরুদ্ধে মি-টু (#MeToo) অভিযোগ আনা অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্ত ‘ইভিল ডেড’ (Evil Dead) বলে ক্ষোভ উগরে দিলে নেটিজেনদের ট্রোলের মুখে পড়েন।
সেই সময়েও তনুশ্রীর পাশে দাঁড়িয়ে ট্রোলারদের ধুয়ে দিয়েছিলেন সোনা মহাপাত্র। তিনি লিখেছিলেন— “মৃত্যুর যেমন মর্যাদা আছে, জীবিতদেরও আছে। কোনো অভিনেতার জন্য শোক প্রকাশ করা এক জিনিস, কিন্তু যে নারী নিজের আঘাত নিয়ে মুখ খুলেছেন তাঁকে চুপ করতে বলা অন্য কথা। মৃত্যু কি সমস্ত অস্বস্তিকর সত্যকে মুছে দেয়?”
সোনার এই একের পর এক চাঁচাছোলা ও তোপ দাগা মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।