...
...
Next Story

প্রতিযোগীদের ভোটে বিগ বস বাংলা থেকে বিদায় দীপেন্দুর! অল্পের জন্য বেঁচে গেল ঝিলম

বুধবার সকাল থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখলে দেখা যাবে, একাধিক সংবাদ প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, ঘর থেকে ভোটআউট হয়ে গিয়েছেন ফুটবলার দীপেন্দু বিশ্বাস। ঘরে তাঁর অংশগ্রহন কম থাকায় নমিনেট করেছিলেন খোদ বিগ বস।

Published on: Oct 7, 2026, 12:13:21 IST
Advertisement

মঙ্গলবারের এপিসোডে জানা যায় যে, এই প্রথম মিড উইক এভিকেশন হতে চলেছে। অর্থাৎ সপ্তহের মাঝেই ঘর থেকে বেরিয়ে যাবেন এক সদস্য। নমিনেশনে ছিলেন দীপেন্দু বিশ্বাস ও ঝিলম গুপ্ত। এদিকে বন্ধ করে রাখা হয়েছিল ভোটিং লাইনও।

বিগ বসের ঘর থেকে বিদায় দীপেন্দুর।
বিগ বসের ঘর থেকে বিদায় দীপেন্দুর।

বুধবার সকাল থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখলে দেখা যাবে, একাধিক সংবাদ প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, ঘর থেকে ভোটআউট হয়ে গিয়েছেন ফুটবলার দীপেন্দু বিশ্বাস। অর্থা এবারের মতো বেঁচে গিয়েছেন ঝিলম। যদিও এই খবরে এখনো অফিসিয়াল সিলমোহর পড়েনি।

ঝিলম ও দীপেন্দুকে নমিনেট করেন বিগ বস নিজেই। শনিবার দাদার দরবার চলাকালীন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় জানতে চেয়েছিলেন এমন দুই প্রতিযোগীর নাম, যাদের যোগদান খেলায় কম। আর তাতে যে দুটো নাম উঠে আসে, তা হল দীপেন্দু ও ঝিলম। অবাক করা ব্যাপার হল, ঝিলম ও দীপেন্দু নিজেরাও নিজেদেরই নাম নিয়েছিলেন দুর্বল প্রতিযোগী হিসেবে। এরপর সোমবার ঝিলম ও দীপেন্দুকে নমিনেট করেন বিগ বস খোদ। আর এভিকশন হল বিগ বসের প্রতিযোগীদের ভোটে।

নব্বইয়ের দশক এবং ২০০০-এর শুরুতে ভারতীয় ঘরোয়া ফুটবলে তিনি দাপটের সঙ্গে রাজত্ব করেছেন দীপেন্দু। তিনি ভারতের সেইসব বিরল ফুটবলারদের একজন, যিনি কলকাতার তিন প্রধান ক্লাব—ইস্টবেঙ্গল এফসি, মোহনবাগান এবং মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের জার্সিতেই খেলেছেন। জাতীয় ফুটবল দলের হয়েও প্রতিনিধিত্ব করেছেন দীপেন্দু ও দলের অধিনায়কত্বও করেছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) টিকিটে ২০১৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বসিরহাট দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং জয়ী হন। এরপর ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের থেকে টিকিট না পেয়ে বিজেপিতে যোগ দেন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks