'ও আমার বিয়েতে গাছ দিয়েছিল...', দিয়ার ছেলে বিতর্কে মুখ খুললেন রিচা চাড্ডা
খুব সম্প্রতি একটি মন্তব্যের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল ভাবে উপহাস করা হয় দিয়া মির্জাকে। প্রশ্নের মুখে পড়ে যায় দিয়ার ছেলেকে বড় করে তোলার মানসিকতাও।
খুব সম্প্রতি একটি মন্তব্যের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল ভাবে উপহাস করা হয় দিয়া মির্জাকে। প্রশ্নের মুখে পড়ে যায় দিয়ার ছেলেকে বড় করে তোলার মানসিকতাও। একজন ডাব বিক্রেতাকে প্লাস্টিক ব্যবহার না করার কথা বলে দিয়ে মির্জার ছেলে, কিন্তু অভিনেত্রীর ছেলের ডাব বিক্রেতাকে এইভাবে কথা বলার পরিপেক্ষিতে অনেকেই দাবি করেছেন, একজন খেটে খাওয়া মানুষের সঙ্গে এমন ভাবে ব্যবহার করা একেবারেই উচিত হয়নি দিয়ার ছেলের।

এবার এই সমালোচনার মধ্যেই বিয়ার সমর্থনে এগিয়ে এলেন রিচা চাড্ডা। সম্প্রতি X হ্যান্ডেলে রিচা লেখেন, ‘আপনারা ভাবেন কেন অভিনেতার মুখ খোলেন না? কিন্তু আবার কথা বললেও দোষ। কথা বলার আগে একবারও ভাবেন না যে অভিনেতাদের মানসিক স্বাস্থ্য বলেও কিছু ব্যাপার আছে। প্রতিদিন যেভাবে আত্মহত্যার খবর ছড়িয়ে পড়ছে, সেটা চাঙ্গা তো শিল্পীদের করতে হবে। তাই না? সুবিধাভোগী নারীদের লজ্জা দিতে হবে যদি তারা পাঠক্রমের বাইরে কিছু বলে।’
আরও পড়ুন: ‘দাদাগিরি’তে দেবের নতুন যাত্রাপথে সঙ্গী হলেন শুভশ্রী, ঘোষণা সম্প্রচারের সময়
রিচা আরও লেখেন, ‘আপনাদের জানিয়ে রাখি, দিয়া একজন বাঁশের কাগজ প্রস্তুতকারী সংস্থার সঙ্গে যুক্ত। এই সংস্থায় কাগজ তৈরির করার জন্য কোনও গাছ কাটা হয় না। এছাড়াও তিনি প্লাস্টিক রিসাইক্লিং স্টার্টআপের সঙ্গে যুক্ত যারা চমৎকার সানগ্লাস তৈরি করে। তিনি জলবায়ুর ওপর সুন্দর একটি নাতিদীর্ঘ চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছিলেন। এই সিনেমাটি আগামী ৩ তারিখ মুম্বইয়ে প্রদর্শিত হবে। এই দিকগুলো দেখুন কারণ আপনি যদি একজন পাঁচ বছরের বাচ্চাকে ধমকাতে পারেন, তাহলে এগুলো সাধারণ গুগল সার্চ করেও দেখতে পারবেন।’
সবশেষে রিচা লেখেন, ‘ও আমাকে বিয়ের উপহার হিসেবে ১১০০ টি গাছ দিয়েছিল। আমার নিজের মেয়ে হওয়ার পরেও আমাকে গাছ উপহার দিতে অনুপ্রাণিত করেছিল ও। এই ছবিগুলো নিশ্চয়ই দেখেছেন। ওর কোনও জাগুয়ার নেই। দুটো ইলেকট্রিক গাড়ি আছে। আর যদি অতীতে নিখুঁত নাও হয়ে থাকে, তাও দয়া করে ক্ষমা করে দিন। দিয়া একদিনে পরিবেশ পুনরুদ্ধারের জন্য যতটা কাজ করেন, ইউটিউব ব্লগাররা সারা বছরে করতে পারবেন না। যারা পৃথিবীতে ভালো কিছু করতে চায়, তাদের ব্যক্তিগতভাবে অনেক বেশি মূল্য দিতে হয়। তাই দয়া করে আরো বেশি নিরুৎসাহিত করুন, আপনার আরাম কেদারায় বসে হাসি ঠাট্টা করুন। ওকে ভন্ড বলুন কারণ এই মুহূর্তে আপনার জরুরী কাজ ওকে লজ্জিত করা।’
আরও পড়ুন: 'আমার একেবারেই পছন্দ নয়...', ভক্তদের ছবি তোলা কেন পছন্দ নয় সোহিনীর?
দিয়ার মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক
সম্প্রতি সোহা আলি খানের পডকাস্ট চলাকালীন জলবায়ু পরিবর্তনের ব্যবহারের কঠোর বিরোধিতা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে দিয়া বলেন, ‘ডাবওয়ালা ডাব নিয়ে গেল, আর প্লাস্টিকের ব্যাগে প্লাস্টিকের ড্র দিয়ে ডাবের জল আসাটা আমার কাছে সবথেকে বিরক্তিকর। সেই ডেলিভারি বয় জানতো না সে কাকে ডেলিভারি করতে এসেছে। আমার ছেলে দরজা খুলেই কোমরে হাত দিয়ে বলল, দাদা এটা প্লাস্টিকে নিয়ে এসেছেন, আমাদের বাড়িতে প্লাস্টিক নিষেধ। আপনি এটা প্লাস্টিক থেকে বের করে দিন আর নিচে রাখুন। আর প্লাস্টিক আর স্ট্র নিয়ে চলে যান।’
সোহা দিয়ার ছেলের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে বলেন, তাহলে ভাবুন তো, একটা ছোট্ট ছেলে কিভাবে প্রাপ্তবয়স্কর সামনে রুখে দাঁড়ালো আর দৃঢ়ভাবে কথা বলল। কিন্তু সোহা দিয়ার ছেলের প্রশংসা করলেও অনেকেই অভিনেত্রী ছেলের এই আচরণকে একেবারেই সমর্থন জানাননি।
E-Paper

