ছেলেকে নিয়ে ক্রিসমাসের প্রস্তুতি ঋদ্ধিমার, এক লহমায় ফিরে গেলেন ছোটবেলায়
কথাতেই আছে বাঙালিদের বারো মাসে তেরো পার্বণ। দুর্গাপুজো হোক অথবা ভাইফোঁটা, যে কোনও সময় আনন্দে মেতে উঠতে ভালোবাসেন তারা। ঠিক এই কারণে ২৫ ডিসেম্বর বড়দিনের উৎসবেও গা ভাসাতে দেখা যায় বাঙালিদের। বাড়িতে ছোটদের সঙ্গে ক্রিসমাসের আগে ঘর গোছানোর মধ্যেও রয়েছে একটা আলাদা আনন্দ।
কথাতেই আছে বাঙালিদের বারো মাসে তেরো পার্বণ। দুর্গাপুজো হোক অথবা ভাইফোঁটা, যে কোনও সময় আনন্দে মেতে উঠতে ভালোবাসেন তারা। ঠিক এই কারণে ২৫ ডিসেম্বর বড়দিনের উৎসবেও গা ভাসাতে দেখা যায় বাঙালিদের। বাড়িতে ছোটদের সঙ্গে ক্রিসমাসের আগে ঘর গোছানোর মধ্যেও রয়েছে একটা আলাদাই আনন্দ।
ছেলের সঙ্গে ক্রিসমাসের প্রস্তুতি ঋদ্ধিমার
এখন ২৫ ডিসেম্বর নয়, বরং ২২ ডিসেম্বর থেকেই শুরু হয়ে যায় বড়দিনের তোড়জোড়। এই তালিকা থেকে বাদ যাননি অভিনেত্রী ঋদ্ধিমা ঘোষ, যিনি বাড়িতে একরত্তিকে নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছেন বড়দিনের আয়োজন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেলের সঙ্গে একগুচ্ছ ছবি পোস্ট করতে দেখা যায় অভিনেত্রীকে, যেখানে ধীরকে সঙ্গে নিয়ে রীতিমতো ‘বেকিং ক্লাস’ শুরু করে দিয়েছেন তিনি।
ছবিতে দেখা যাচ্ছে পেছনে রয়েছে বিরাট বড় একটি ক্রিসমাস ট্রি, যেটি ইতিমধ্যেই সাজানো কমপ্লিট। লাল গেঞ্জি পরে ছেলের সঙ্গে কেক তৈরি করায় মন দিয়েছেন ঋদ্ধিমা। ওদিকে ছোট্ট ধীর পরে রয়েছে একটি লাল রঙের অ্যাপ্রন যেখানে বেশ সুন্দর করে লেখা তার নাম।
ছবি পোস্ট করে অভিনেত্রী লেখেন, ‘ক্রিসমাস কুকিং এবং সঙ্গে এই এলোমেলো কাউন্টার আমাদের মনের খুব খুব কাছের। ছোটবেলায় মায়ের সঙ্গে কুকিং করেছি একসঙ্গে, হেসেছি, বড় হয়েছি, ময়দার টুকরো নিয়ে খেলা করেছি। সেই সমস্ত স্মৃতি এখনও আমার মনে বয়ে নিয়ে চলেছি আমি।’
অভিনেত্রী আরও লেখেন, ‘এখন আমি আমার খুদের সঙ্গেও এই একই কাজ করছি। প্রতিটি কুকিজে ধীরকে আনন্দের সঙ্গে চিনি ছড়িয়ে দিতে দেখলে ভীষণ আনন্দ লাগে। এটি শুধু একটা ট্রাডিশন নয়, এটা একটা এমন ভালোবাসা যেটা বছরের পর বছর আরও বেশি গভীর হয়ে ওঠে।’
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই সপরিবারে পাহাড়ে ঘুরতে দেখা যায় ঋদ্ধিমাকে। স্বামী সন্তান তো বটেই, শশুর এবং শাশুড়ির সঙ্গেও ক্যামেরাবন্দি হয়েছিলেন ঋদ্ধিমা। সঙ্গে ছিলেন বাবাও। দার্জিলিং-এর পেলিংয়ে পরিবারের সঙ্গে ছবি পোস্ট করে সকলের সঙ্গে কাটানোর মুহূর্ত উদযাপন করেন অভিনেত্রী।
উল্লেখ্য, সব্যসাচী এবং মিঠু যে আদর্শ অভিভাবক সে কথা বারবার শুনতে পাওয়া যায় সব্যসাচীর দুই সন্তানের মুখে। গৌরব এবং অর্জুন দুজনেই বাবা-মাকে অসম্ভব ভালোবাসেন এবং শ্রদ্ধা করেন। কাজের দিক থেকে তো বটেই ব্যক্তিগত জীবনেও বাবার আদর্শই বড় হওয়ার চেষ্টা করেন এই দুই সন্তান।
Home/Entertainment/ছেলেকে নিয়ে ক্রিসমাসের প্রস্তুতি ঋদ্ধিমার, এক লহমায় ফিরে গেলেন ছোটবেলায়